নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বন্দর থানার অধীনে ৩৮ এবং ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডবাসীকে (বন্দর টিলা ও দক্ষিণ হালিশহর) কলেরার টিকাদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী রোববার থেকে এই টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার (সিডিসি) তত্ত্বাবধানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন অফিস, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও আইসিডিডিআর, বাংলাদেশ এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে।
আজ (শুক্রবার) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও আইসিডিডিআর, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। ‘দ্য ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স, গ্যাভি’র আর্থিক সহায়তায় এই টিকাদান উদ্যোগ পরিচালিত হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার ইউবায়োলোজিক্স কোম্পানি লিমিটেডের তৈরি দুই ডোজের ইউভিকল প্লাস নামের মুখে খাওয়ার কলেরার টিকা এক বছর থেকে তদূর্ধ্ব বয়সীদের দেওয়া হবে। গর্ভবতী মহিলা এবং যাঁরা বিগত ১৪ দিনের মধ্যে অন্য কোনো টিকা নিয়েছেন তাঁরা ব্যতীত সবাই এই টিকা নিতে পারবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রতিবছর পৃথিবীতে প্রায় ১৩ থেকে ৪০ লাখ মানুষ কলেরায় আক্রান্ত হয়। বাংলাদেশসহ আটটি উন্নয়নশীল দেশে বছরে প্রায় এক লাখেরও বেশি মানুষ কলেরায় আক্রান্ত হয়। চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকায় কলেরার প্রাদুর্ভাব অনেক বেশি। এই রোগ প্রতিরোধে বন্দর টিলা ও দক্ষিণ হালিশহর এলাকার ১ লাখ ৩৫ হাজার মানুষকে কলেরার টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আগামী রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) থেকে বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৪৫টি কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া হবে। টিকাদান কর্মসূচির আওতাভুক্ত এলাকায় মাইকিং করে টিকাকেন্দ্রের অবস্থান সম্পর্কে জানিয়ে দেওয়া হবে।
কমপক্ষে ১৪ দিন অন্তর প্রদেয় এই টিকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত ও নিরাপদ। এই টিকা নেওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে অন্য কোনো টিকা নেওয়া যাবে না। পরবর্তীতে অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে দ্বিতীয় ডোজের টিকাদানের পরিকল্পনা রয়েছে।

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের বন্দর থানার অধীনে ৩৮ এবং ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডবাসীকে (বন্দর টিলা ও দক্ষিণ হালিশহর) কলেরার টিকাদানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী রোববার থেকে এই টিকাদান কার্যক্রম শুরু হবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখার (সিডিসি) তত্ত্বাবধানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তায় চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন অফিস, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন, বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি ও আইসিডিডিআর, বাংলাদেশ এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে।
আজ (শুক্রবার) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও আইসিডিডিআর, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। ‘দ্য ভ্যাকসিন অ্যালায়েন্স, গ্যাভি’র আর্থিক সহায়তায় এই টিকাদান উদ্যোগ পরিচালিত হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দক্ষিণ কোরিয়ার ইউবায়োলোজিক্স কোম্পানি লিমিটেডের তৈরি দুই ডোজের ইউভিকল প্লাস নামের মুখে খাওয়ার কলেরার টিকা এক বছর থেকে তদূর্ধ্ব বয়সীদের দেওয়া হবে। গর্ভবতী মহিলা এবং যাঁরা বিগত ১৪ দিনের মধ্যে অন্য কোনো টিকা নিয়েছেন তাঁরা ব্যতীত সবাই এই টিকা নিতে পারবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, প্রতিবছর পৃথিবীতে প্রায় ১৩ থেকে ৪০ লাখ মানুষ কলেরায় আক্রান্ত হয়। বাংলাদেশসহ আটটি উন্নয়নশীল দেশে বছরে প্রায় এক লাখেরও বেশি মানুষ কলেরায় আক্রান্ত হয়। চট্টগ্রামের বন্দর থানা এলাকায় কলেরার প্রাদুর্ভাব অনেক বেশি। এই রোগ প্রতিরোধে বন্দর টিলা ও দক্ষিণ হালিশহর এলাকার ১ লাখ ৩৫ হাজার মানুষকে কলেরার টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
আগামী রোববার (১৭ সেপ্টেম্বর) থেকে বৃহস্পতিবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ৪৫টি কেন্দ্রের মাধ্যমে প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া হবে। টিকাদান কর্মসূচির আওতাভুক্ত এলাকায় মাইকিং করে টিকাকেন্দ্রের অবস্থান সম্পর্কে জানিয়ে দেওয়া হবে।
কমপক্ষে ১৪ দিন অন্তর প্রদেয় এই টিকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অনুমোদিত ও নিরাপদ। এই টিকা নেওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে অন্য কোনো টিকা নেওয়া যাবে না। পরবর্তীতে অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে দ্বিতীয় ডোজের টিকাদানের পরিকল্পনা রয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে