লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি, হামলা ও হত্যার ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ছয় নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ভোরে সদর ও রায়পুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার নেতা-কর্মীরা হলেন—ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মিজান পাটওয়ারী, যুবলীগের ফজলুল করিম, রাজু হোসেন, আরিফ হোসেন, দেলোয়ার হোসেন ও মামুনুর রশিদ।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল মোন্নাফ বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি করে হত্যা ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় বিস্ফোরক আইনের মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি ও হত্যা মামলায় অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, ৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে সারা দেশের মতো বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিতে উত্তাল ছিল পুরো লক্ষ্মীপুর। মিছিলে মুখরিত ছিল পুরো শহর। হঠাৎ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা উত্তর তেমুহানী থেকে একটি মিছিল নিয়ে ঝুমুর চত্বরের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় ছাত্র আন্দোলনকারীদের মিছিলের ওপর হামলা চালানো হয়। পাল্টা প্রতিরোধের চেষ্টা করেন নিরস্ত্র শিক্ষার্থীরা। তখন জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের সাদ আল অপসারণকৃত চেয়ারম্যান এ কে এম সালাউদ্দিন টিপুর নেতৃত্বে মুহুর্মুহু গুলি ছোড়েন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
এর জেরে ফুসে ওঠেন শিক্ষার্থীরা। মিছিল নিয়ে বাজারের দিকে এগোতে থাকেন তাঁরা। শহরের তমিজ মার্কেট এলাকায় পৌঁছালে নিজ বাসভবনের ছাদ থেকে প্রকাশ্যেই সালাউদ্দিন টিপু ও তাঁর সহযোগীরা শিক্ষার্থীদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে সাদ আল আফনান ও সাব্বির হোসেনসহ চার শিক্ষার্থী নিহত হন। এ সময় তিন শতাধিক গুলিবিদ্ধসহ আহত হন কমপক্ষে ৫০০-এর বেশি শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় হত্যাসহ একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। আর এসব মামলায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগসহ অঙ্গসংগঠনের হাজারো নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়।

লক্ষ্মীপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি, হামলা ও হত্যার ঘটনায় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ছয় নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ভোরে সদর ও রায়পুর উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।
গ্রেপ্তার নেতা-কর্মীরা হলেন—ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মিজান পাটওয়ারী, যুবলীগের ফজলুল করিম, রাজু হোসেন, আরিফ হোসেন, দেলোয়ার হোসেন ও মামুনুর রশিদ।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল মোন্নাফ বলেন, শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি করে হত্যা ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় বিস্ফোরক আইনের মামলায় তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষার্থীদের ওপর গুলি ও হত্যা মামলায় অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
মামলায় উল্লেখ করা হয়, ৪ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে সারা দেশের মতো বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিতে উত্তাল ছিল পুরো লক্ষ্মীপুর। মিছিলে মুখরিত ছিল পুরো শহর। হঠাৎ আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীরা উত্তর তেমুহানী থেকে একটি মিছিল নিয়ে ঝুমুর চত্বরের দিকে যাচ্ছিলেন। এ সময় ছাত্র আন্দোলনকারীদের মিছিলের ওপর হামলা চালানো হয়। পাল্টা প্রতিরোধের চেষ্টা করেন নিরস্ত্র শিক্ষার্থীরা। তখন জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি ও সদর উপজেলা পরিষদের সাদ আল অপসারণকৃত চেয়ারম্যান এ কে এম সালাউদ্দিন টিপুর নেতৃত্বে মুহুর্মুহু গুলি ছোড়েন যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
এর জেরে ফুসে ওঠেন শিক্ষার্থীরা। মিছিল নিয়ে বাজারের দিকে এগোতে থাকেন তাঁরা। শহরের তমিজ মার্কেট এলাকায় পৌঁছালে নিজ বাসভবনের ছাদ থেকে প্রকাশ্যেই সালাউদ্দিন টিপু ও তাঁর সহযোগীরা শিক্ষার্থীদের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়েন। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে সাদ আল আফনান ও সাব্বির হোসেনসহ চার শিক্ষার্থী নিহত হন। এ সময় তিন শতাধিক গুলিবিদ্ধসহ আহত হন কমপক্ষে ৫০০-এর বেশি শিক্ষার্থী। এ ঘটনায় হত্যাসহ একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। আর এসব মামলায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগসহ অঙ্গসংগঠনের হাজারো নেতা-কর্মীকে আসামি করা হয়।

টানা ছয় দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় দিন শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে গিয়ে রোদ ওঠায় কিছুটা স্বস্তি মিলছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে
২১ মিনিট আগে
নদের এক পারে মনিরামপুর উপজেলার ডুমুরখালি বাজার এবং অপর পারে ঝিকরগাছা উপজেলার উজ্জ্বলপুর গ্রাম। এ ছাড়া নদীর ওপারে ডুমুরখালী গ্রামের মানুষের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ও মাছের ঘের রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগব্যবস্থার অভাবে দুই পারের মানুষকে নৌকায় পারাপারের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আপিল শুনানিতে পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাহমুদ হোসেনের মনোনয়ন বাতিল বহাল রাখা হয়েছে। ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক তালিকায় গরমিল এবং ঋণখেলাপি থাকার অভিযোগে তাঁর আপিল নামঞ্জুর করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলে আসন্ন নির্বাচনে তাঁর
১ ঘণ্টা আগে
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নবীন সৈনিকদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন এবং কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করবেন।
২ ঘণ্টা আগে