নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

স্থানীয় গ্রামবাসীদের সঙ্গে সংঘর্ষে চার শতাধিক ব্যক্তি আহতের ঘটনায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পক্ষ থেকে মামলা করা হলেও এজাহারে নেই ‘উসকানিদাতা’ বিএনপি নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়ার নাম। এ নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
গতকাল মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তরের প্রধান আবদুর রহিম বাদী হয়ে হাটহাজারী থানায় মামলাটি করেন। মামলায় যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতাসহ স্থানীয় ৯৫ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা এক হাজারজনকে আসামি করা হয়েছে।
অথচ সংঘর্ষের দ্বিতীয় দিন (৩১ আগস্ট) বিএনপির ওই নেতার উসকানিমূলক বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এর পরপরই দলটির সিনিয়র যুগ্ম হাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে তাঁকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করা হয়।

মোহাম্মদ বায়েজিদ সুমন নামের এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উদয় কুসুম শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের উসকে দিয়েছিল। সেই ভিডিও-বক্তব্য ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়। কিন্তু চবি প্রশাসনের করা মামলার এজাহারে তার নাম নেই। আমরা অবাক হয়েছি।’
তথ্যমতে, গত শনিবার (৩০ আগস্ট) মধ্যরাত থেকে রোববার (৩১ আগস্ট) বিকেল পর্যন্ত থেমে থেমে চলা সংঘর্ষে চার শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এর মধ্যে মারাত্মক আহত তিন শিক্ষার্থী এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সংঘর্ষের দ্বিতীয় দিন রোববার বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়ার উসকানিমূলক বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে উদয় কুসুম বড়ুয়া জোবরা গ্রামবাসীর উদ্দেশে বলেন, ‘২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপরাধীদের বিচার না হলে জোবরার সমস্ত জনগণ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ঘেরাও করব।
এর জন্য জীবন গেলে জীবন দেব। আমার মানসম্মানের চেয়ে জীবন বড় নয়। এখানে কোনো দল নেই। আমরা এলাকার নাগরিক, আমাদের নিরাপত্তার জন্য আমরা এক ও অভিন্ন। কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র ও পেশিশক্তির কাছে আমরা মাথা নত করব না।’
মুহূর্তে তাঁর এ বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করতে স্থানীয় বাসিন্দাদের উসকে দিচ্ছেন উদয় বড়ুয়া। এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ বলে কটাক্ষ করেন।
বাদ পড়ার বিষয়ে চবির রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, এজাহারভুক্ত ৯৫ জন ও অজ্ঞাতনামা আরও এক হাজারজনকে আসামি করা হয়েছে মামলায়।
তিনি (উদয় কুসুম) অজ্ঞাতনামায় আসতে পারেন। তবে আলোচনার মাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে সরাসরি মামলা করাও যেতে পারে। প্রাথমিকভাবে শিক্ষার্থীদের ওপর যাঁরা হামলা করেছেন, তাঁদের নামে মামলা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত শনিবার রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেটে ভাড়া বাসায় প্রবেশের সময় দারোয়ানের সঙ্গে এক নারী শিক্ষার্থীর বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাঁকে মারধরের অভিযোগ করেন ওই শিক্ষার্থী। খবর পেয়ে অন্য শিক্ষার্থীরা ছুটে গেলে গ্রামবাসীর সঙ্গে মধ্যরাতে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।

স্থানীয় গ্রামবাসীদের সঙ্গে সংঘর্ষে চার শতাধিক ব্যক্তি আহতের ঘটনায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) পক্ষ থেকে মামলা করা হলেও এজাহারে নেই ‘উসকানিদাতা’ বিএনপি নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়ার নাম। এ নিয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।
গতকাল মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তরের প্রধান আবদুর রহিম বাদী হয়ে হাটহাজারী থানায় মামলাটি করেন। মামলায় যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতাসহ স্থানীয় ৯৫ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাতনামা এক হাজারজনকে আসামি করা হয়েছে।
অথচ সংঘর্ষের দ্বিতীয় দিন (৩১ আগস্ট) বিএনপির ওই নেতার উসকানিমূলক বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। এর পরপরই দলটির সিনিয়র যুগ্ম হাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে তাঁকে দলের প্রাথমিক সদস্যপদসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করা হয়।

মোহাম্মদ বায়েজিদ সুমন নামের এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উদয় কুসুম শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার জন্য স্থানীয় বাসিন্দাদের উসকে দিয়েছিল। সেই ভিডিও-বক্তব্য ছড়িয়ে পড়লে বিএনপি থেকে তাকে বহিষ্কার করা হয়। কিন্তু চবি প্রশাসনের করা মামলার এজাহারে তার নাম নেই। আমরা অবাক হয়েছি।’
তথ্যমতে, গত শনিবার (৩০ আগস্ট) মধ্যরাত থেকে রোববার (৩১ আগস্ট) বিকেল পর্যন্ত থেমে থেমে চলা সংঘর্ষে চার শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। এর মধ্যে মারাত্মক আহত তিন শিক্ষার্থী এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
সংঘর্ষের দ্বিতীয় দিন রোববার বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়ার উসকানিমূলক বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিওতে উদয় কুসুম বড়ুয়া জোবরা গ্রামবাসীর উদ্দেশে বলেন, ‘২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপরাধীদের বিচার না হলে জোবরার সমস্ত জনগণ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ঘেরাও করব।
এর জন্য জীবন গেলে জীবন দেব। আমার মানসম্মানের চেয়ে জীবন বড় নয়। এখানে কোনো দল নেই। আমরা এলাকার নাগরিক, আমাদের নিরাপত্তার জন্য আমরা এক ও অভিন্ন। কোনো ধরনের ষড়যন্ত্র ও পেশিশক্তির কাছে আমরা মাথা নত করব না।’
মুহূর্তে তাঁর এ বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা করতে স্থানীয় বাসিন্দাদের উসকে দিচ্ছেন উদয় বড়ুয়া। এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ বলে কটাক্ষ করেন।
বাদ পড়ার বিষয়ে চবির রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, এজাহারভুক্ত ৯৫ জন ও অজ্ঞাতনামা আরও এক হাজারজনকে আসামি করা হয়েছে মামলায়।
তিনি (উদয় কুসুম) অজ্ঞাতনামায় আসতে পারেন। তবে আলোচনার মাধ্যমে তাঁর বিরুদ্ধে সরাসরি মামলা করাও যেতে পারে। প্রাথমিকভাবে শিক্ষার্থীদের ওপর যাঁরা হামলা করেছেন, তাঁদের নামে মামলা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গত শনিবার রাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২ নম্বর গেটে ভাড়া বাসায় প্রবেশের সময় দারোয়ানের সঙ্গে এক নারী শিক্ষার্থীর বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাঁকে মারধরের অভিযোগ করেন ওই শিক্ষার্থী। খবর পেয়ে অন্য শিক্ষার্থীরা ছুটে গেলে গ্রামবাসীর সঙ্গে মধ্যরাতে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।

ঝিনাইদহের মহেশপুরে সেনাবাহিনীর একটি টহলগাড়ির সঙ্গে ট্রাকের সংঘর্ষে চারজন সেনাসদস্য আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর ট্রাকের চালক পালিয়ে গেছে। তবে ওই ট্রাকটি আটক করেছে পুলিশ। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে মহেশপুর-খালিশপুর সড়কের বেলেঘাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। আহত সেনাসদস্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
১১ মিনিট আগে
রাজধানীর উত্তরায় এক ব্যক্তিকে একটি প্রাডো গাড়িসহ অপহরণ এবং এক বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তাকর্মীকে আহত করে তাঁর আগ্নেয়াস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। অপহৃত ব্যক্তির পরিচয় পাওয়া যায়নি। গতকাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যার পর উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরের ১২ নম্বর সড়কের একটি বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে।
২৯ মিনিট আগে
উঠান বৈঠক করতে গিয়ে বাধা পেয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। আজ শনিবার বিকেলে সরাইল উপজেলার নোয়াগাঁও ইউনিয়নের ইসলামবাদ (গোগদ) এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
২৯ মিনিট আগে
চট্টগ্রামের চন্দনাইশে গেজেটধারী জুলাই যোদ্ধা ও চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা এনসিপির কার্যকরী নির্বাহী সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ এবং মঈন উদ্দীন মাহিনের ওপর সশস্ত্র হামলার অভিযোগ উঠেছে। গতকাল শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে উপজেলার বদুরপাড়া রাস্তার মাথা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে আহতদের স্বজন...
৪০ মিনিট আগে