
চট্টগ্রামে জালিয়াতির মাধ্যমে ইউসিবিএল ব্যাংকের ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও অর্থ পাচার মামলায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ও তাঁর স্ত্রীসহ ৩৬ আসামির বিরুদ্ধে আদালতে আরও চারজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। এ নিয়ে আলোচিত মামলাটির মোট ৯১ জন সাক্ষীর মধ্যে ৩১ জনের সাক্ষ্য নেওয়া শেষ হয়েছে।
সোমবার (১৩ জুলাই) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মিজানুর রহমানের আদালতে এ সাক্ষ্য গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মোকাররম হোসাইন জানান, আজ দুদকের পক্ষ থেকে চারজন সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপন করা হয়। তাঁদের সাক্ষ্য গ্রহণ ও জেরা শেষে আদালত মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ২৬ জুলাই দিন ধার্য করেছেন।
গত ৫ এপ্রিল জাবেদসহ ৩৬ আসামির বিরুদ্ধে মামলাটির বাদী দুদকের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমানের সাক্ষ্য দেওয়ার মাধ্যমে আদালতে এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়েছে।
এর আগে ২০২৫ সালে ২৪ জুলাই ইউসিবিএল ব্যাংকের ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে পাচারের ঘটনায় সাবেক ভূমিমন্ত্রী, তাঁর স্ত্রী, ভাইসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। দুদক চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয়-১-এ করা এই মামলার বাদী ছিলেন সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মশিউর রহমান। আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৯ সালের ১৩ অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে ব্যাংকের টাকা আত্মসাৎ ও অর্থ পাচারের অভিযোগ আনে দুদক।
তদন্ত শেষে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি জাবেদসহ ৩৬ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা। অভিযোগপত্রে মামলার এজাহারনামীয় ৩১ জন আসামির মধ্যে দুজন মারা যাওয়ায় তাঁদের অব্যাহতির সুপারিশ করে অন্য ২৯ জন আসামির সঙ্গে তদন্তে প্রাপ্ত আরও সাতজনকে যুক্ত করা হয়।
চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালত ৭ জানুয়ারি দুদকের এই অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। দুদকের অভিযোগপত্রে বলা হয়, চট্টগ্রামের ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির (ইউসিবি) থেকে ভিশন ট্রেডিং-নামীয় একটি নামসর্বস্ব কাগুজে প্রতিষ্ঠানের নামে কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই ২৫ কোটি টাকার ঋণ অনুমোদন করিয়ে আত্মসাৎ করা হয়।
ভুয়া কাগজপত্র দাখিল করে প্রতিষ্ঠানটির নামে ঋণ অনুমোদনের পর অর্থটি স্থানান্তর করা হয় আলফা ট্রেডিং, ক্লাসিক ট্রেডিং, মডেল ট্রেডিং ও ইম্পেরিয়াল ট্রেডিংয়ের মতো কয়েকটি ভুয়া প্রতিষ্ঠানের হিসাবে, যেগুলো সবই সাইফুজ্জামান চৌধুরীর কর্মচারীদের নামে খোলা। পরে এসব টাকা হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচারপূর্বক সম্পত্তি ক্রয় এবং জাবেদের মালিকানাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আত্মসাৎ করা হয়।
দুদকের তদন্তে উঠে আসে, ভিশন ট্রেডিং নামের প্রতিষ্ঠানটির বাস্তবে কোনো অস্তিত্ব নেই এবং এটি ছিল আরামিট গ্রুপভুক্ত সাইফুজ্জামান চৌধুরীর একজন কর্মচারীকে মালিক সাজিয়ে তৈরি করা একটি কাগুজে প্রতিষ্ঠান।
আদালতের তথ্যে, তদন্ত চলাকালে এই মামলায় ৯ আসামিকে গ্রেপ্তার হয়। পলাতক রয়েছেন সাবেক ভূমিমন্ত্রী জাবেদ, তাঁর স্ত্রী, ভাইসহ অন্য আসামিরা।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের আগস্টে ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর সাইফুজ্জামানের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নামে দুদক। তদন্ত শেষে এই পর্যন্ত জাবেদ ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে ১১টির অধিক মামলা হয়। একই বছরের ৭ অক্টোবর সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও রুকমীলা জামানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়।

ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া সুন্দরবনের প্রাকৃতিক মধুর ব্যাপক চাহিদা থাকলেও প্রতিবছর এর আহরণ উদ্বেগজনক হারে কমছে। সুন্দরবনের বাগেরহাটের শরণখোলা রেঞ্জ থেকে ২০২১ সালে মধু আহরিত হয়েছিল ১০৪ দশমিক ৪ টন, কিন্তু এ বছর তা কমে দাঁড়িয়েছে ১৩ দশমিক ৩ টনে।
১৫ মিনিট আগে
নওগাঁর মান্দা উপজেলায় এক মহিলা দল নেত্রীর বিরুদ্ধে বন বিভাগের অনুমোদন ছাড়াই তিনটি সরকারি রাস্তার ২৩৭টি ইউক্যালিপটাস ও আমগাছ কেটে বিক্রি করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত নেত্রী হলেন উপজেলা মহিলা দলের সহসভাপতি ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আসমা ইসলাম।
১৮ মিনিট আগে
সৌদি আরবে পাচার ও জিম্মি করে অর্থ নেওয়ার অভিযোগে বরিশালে ৪ ভাই-বোনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। পৃথক তিনটি ধারায় ৩ ভাইকে মোট ১৯ বছর করে ও বোনকে ১৭ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া প্রত্যেককে ৬ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার রশুনিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আবু সাঈদকে বিস্ফোরণ-সংক্রান্ত মামলায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার বিকেলে উপজেলার রশুনিয়া এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে