আবু বকর ছিদ্দিক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ ও কমপ্লেক্সের ওপর চোখ পড়েছে ‘মুসল্লী পরিষদ’ নামের একটি সংগঠনের। উন্নয়নের নামে মসজিদের জমি লিখে নেওয়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন সংগঠনটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। আর এর পেছনে কলকাঠি নাড়ছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী। মুসল্লী পরিষদের নামে জমি লিখে দেওয়ার জন্য গত ১০ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার কাছে আবেদন করেছেন তিনি। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান উপদেষ্টা বিষয়টি নিয়ে ধর্ম উপদেষ্টার সঙ্গে আলাপ করেছেন। পরে আবেদনটি ইসলামিক ফাউন্ডেশনে পাঠানো হয়েছে বলে মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯৭৬ সালে তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে চট্টগ্রামে একটি সুদৃশ্য মসজিদ এবং ইসলামি গবেষণাকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেন। এই লক্ষ্যে মসজিদের স্থান এবং সংলগ্ন জায়গা মিলে প্রায় ১২ একর সম্পত্তি দান করা হয়। বর্তমানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ ও কমপ্লেক্স।
জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ ও কমপ্লেক্সের প্রকল্প পরিচালক ড. সাইয়েদ শাহ ইমরান বলেন, আইন অনুসারে মসজিদ ও কমপ্লেক্স পরিচালনার দায়িত্ব ধর্ম মন্ত্রণালয় এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে দেওয়া হয়েছে। সরকারি সম্পত্তি বেসরকারি কোনো সংস্থাকে দেওয়ার সুযোগ নেই।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্র জানিয়েছে, চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ ও কমপ্লেক্স মূলত সরকার কর্তৃক পরিচালিত একটি ধর্মীয় স্থাপনা। এখানকার ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরকারের রাজস্ব খাতে চাকরি করেন এবং সরকারনির্ধারিত স্কেলে বেতন পান।
মুসল্লী পরিষদের নামে জমি লিখে দেওয়ার আবেদনকারী চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘দেশের সংবিধানে কোনো মসজিদ সরকারিভাবে পরিচালনার সুযোগ নেই। তাই আমি মুসল্লী পরিষদের নামে পরিচালনার জন্য আবেদন করছি।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চ মহল থেকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে। সরকারি গেজেটভুক্ত সম্পত্তি কোনো কমিটির কাছে হস্তান্তরের সুযোগ নেই বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ ও কমপ্লেক্সের ওপর চোখ পড়েছে ‘মুসল্লী পরিষদ’ নামের একটি সংগঠনের। উন্নয়নের নামে মসজিদের জমি লিখে নেওয়ার জন্য দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন সংগঠনটির সঙ্গে সংশ্লিষ্টরা। আর এর পেছনে কলকাঠি নাড়ছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী। মুসল্লী পরিষদের নামে জমি লিখে দেওয়ার জন্য গত ১০ ফেব্রুয়ারি প্রধান উপদেষ্টার কাছে আবেদন করেছেন তিনি। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান উপদেষ্টা বিষয়টি নিয়ে ধর্ম উপদেষ্টার সঙ্গে আলাপ করেছেন। পরে আবেদনটি ইসলামিক ফাউন্ডেশনে পাঠানো হয়েছে বলে মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯৭৬ সালে তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমান সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে চট্টগ্রামে একটি সুদৃশ্য মসজিদ এবং ইসলামি গবেষণাকেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নেন। এই লক্ষ্যে মসজিদের স্থান এবং সংলগ্ন জায়গা মিলে প্রায় ১২ একর সম্পত্তি দান করা হয়। বর্তমানে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ ও কমপ্লেক্স।
জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ ও কমপ্লেক্সের প্রকল্প পরিচালক ড. সাইয়েদ শাহ ইমরান বলেন, আইন অনুসারে মসজিদ ও কমপ্লেক্স পরিচালনার দায়িত্ব ধর্ম মন্ত্রণালয় এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে দেওয়া হয়েছে। সরকারি সম্পত্তি বেসরকারি কোনো সংস্থাকে দেওয়ার সুযোগ নেই।
ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্র জানিয়েছে, চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ ও কমপ্লেক্স মূলত সরকার কর্তৃক পরিচালিত একটি ধর্মীয় স্থাপনা। এখানকার ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সরকারের রাজস্ব খাতে চাকরি করেন এবং সরকারনির্ধারিত স্কেলে বেতন পান।
মুসল্লী পরিষদের নামে জমি লিখে দেওয়ার আবেদনকারী চট্টগ্রামের সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘দেশের সংবিধানে কোনো মসজিদ সরকারিভাবে পরিচালনার সুযোগ নেই। তাই আমি মুসল্লী পরিষদের নামে পরিচালনার জন্য আবেদন করছি।’
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, বিষয়টি নিয়ে সরকারের উচ্চ মহল থেকে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালকের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে। সরকারি গেজেটভুক্ত সম্পত্তি কোনো কমিটির কাছে হস্তান্তরের সুযোগ নেই বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে