মো. তারেক রহমান, চাঁপাইনবাবগঞ্জ

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছেন বিএনএম প্রার্থী আব্দুল মতিন। জেলা বিএনপির সাবেক এই যুগ্ম-আহ্বায়ক নোঙ্গর প্রতীক নিয়ে নৌকাকে টক্কর দিচ্ছেন ভোটের মাঠে ও প্রচারে। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন।
এই আসনে নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন তিনবারের সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওদুদ। কিন্তু দলীয় কোন্দলে আক্রান্ত আওয়ামী লীগের অনেক নেতা নোঙ্গরের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এতে করে নোঙ্গরে আটকে যেতে পারে নৌকা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগের রাজনীতি নানা ধারায় বিভক্ত। এই বিভক্তিকে কেন্দ্র করে খুন হয়েছেন যুবলীগ নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর খাইরুল আলম জেম। অনেক আলোচিত ছিল এই হত্যাকাণ্ড। এ ঘটনায় সাড়ে চার মাস কারাগারে ছিলেন পৌর মেয়র মোখলেসুর রহমান। এ ছাড়া এখানে একাধিক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
বিএনএম প্রার্থী আব্দুল মতিনের পক্ষে দলবল নিয়ে প্রচারে নেমেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোখলেসুর। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যাঁকে নৌকা দিয়েছেন, তিনি সঠিক মাঝি নন। আব্দুল ওদুদ অনিয়ম-দুর্নীতির মাঝি। আমরা তাঁর নৌকা আটকে দেব নোঙ্গর দিয়ে। আব্দুল ওদুদের এক বছরের মেয়াদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে চারটি খুন হয়েছে। সব খুনের পেছনে তাঁর হাত রয়েছে। সব মামলায় বাণিজ্য করেছেন। সাধারণ মানুষকে জেলে পাঠিয়ে বিষিয়ে তুলেছেন। ফলে তাঁকে আর নির্বাচিত হতে দেওয়া যাবে না। যেকোনো মূল্যে আব্দুল মতিনের নোঙ্গর প্রতীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে হবে।’
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল ওদুদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নৌকা দিয়েছেন ডোবানোর জন্য নয়, ভাসানোর জন্য। যাঁরা নৌকার বিরোধিতা করছেন, তাঁরা নৌকার কোনো ক্ষতি করতে পারবেন না। তাঁরা যত বিরোধিতা করবেন, নৌকার তত লাভ।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ (সদর) আসনে আওয়ামী লীগের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠেছেন বিএনএম প্রার্থী আব্দুল মতিন। জেলা বিএনপির সাবেক এই যুগ্ম-আহ্বায়ক নোঙ্গর প্রতীক নিয়ে নৌকাকে টক্কর দিচ্ছেন ভোটের মাঠে ও প্রচারে। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র ছিলেন।
এই আসনে নৌকার মনোনয়ন পেয়েছেন তিনবারের সংসদ সদস্য জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওদুদ। কিন্তু দলীয় কোন্দলে আক্রান্ত আওয়ামী লীগের অনেক নেতা নোঙ্গরের পাশে দাঁড়িয়েছেন। এতে করে নোঙ্গরে আটকে যেতে পারে নৌকা।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে আওয়ামী লীগের রাজনীতি নানা ধারায় বিভক্ত। এই বিভক্তিকে কেন্দ্র করে খুন হয়েছেন যুবলীগ নেতা ও সাবেক কাউন্সিলর খাইরুল আলম জেম। অনেক আলোচিত ছিল এই হত্যাকাণ্ড। এ ঘটনায় সাড়ে চার মাস কারাগারে ছিলেন পৌর মেয়র মোখলেসুর রহমান। এ ছাড়া এখানে একাধিক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
বিএনএম প্রার্থী আব্দুল মতিনের পক্ষে দলবল নিয়ে প্রচারে নেমেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য মোখলেসুর। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যাঁকে নৌকা দিয়েছেন, তিনি সঠিক মাঝি নন। আব্দুল ওদুদ অনিয়ম-দুর্নীতির মাঝি। আমরা তাঁর নৌকা আটকে দেব নোঙ্গর দিয়ে। আব্দুল ওদুদের এক বছরের মেয়াদে চাঁপাইনবাবগঞ্জে চারটি খুন হয়েছে। সব খুনের পেছনে তাঁর হাত রয়েছে। সব মামলায় বাণিজ্য করেছেন। সাধারণ মানুষকে জেলে পাঠিয়ে বিষিয়ে তুলেছেন। ফলে তাঁকে আর নির্বাচিত হতে দেওয়া যাবে না। যেকোনো মূল্যে আব্দুল মতিনের নোঙ্গর প্রতীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে হবে।’
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আব্দুল ওদুদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী নৌকা দিয়েছেন ডোবানোর জন্য নয়, ভাসানোর জন্য। যাঁরা নৌকার বিরোধিতা করছেন, তাঁরা নৌকার কোনো ক্ষতি করতে পারবেন না। তাঁরা যত বিরোধিতা করবেন, নৌকার তত লাভ।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে