চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

বাংলাদেশি কিছু পণ্যের রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে সোনামসজিদ স্থলবন্দরে। গত রোববার এই বন্দর দিয়ে রপ্তানির জন্য যাওয়া গার্মেন্টস পণ্যের দুটি ট্রাক ভারত থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তবে গতকাল সোমবার চারটি ট্রাকে পাটজাত পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সোনামসজিদ স্থলবন্দরে রপ্তানির তুলনায় আমদানিই বেশি হয়। তবে ভারতীয় পণ্য আমদানিতে এখনো কোনো প্রভাব পড়েনি বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
বন্দরের সঙ্গে যুক্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, ভারতের নিষেধাজ্ঞার এই সিদ্ধান্ত দেশের রপ্তানি বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে ভারতের বিশাল বাজারে বাংলাদেশি তৈরি পোশাক খাত বড় ধরনের ধাক্কা খাবে। ডলারের সংকট, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি ও বাণিজ্য ঘাটতির মধ্যেই এমন নিষেধাজ্ঞা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে উত্তেজনা তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা। এ অবস্থায় কূটনৈতিকভাবে সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন আমদানি-রপ্তানিকারকেরা।
সোনামসজিদ স্থল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, গত ছয় মাসে এই বন্দর দিয়ে প্রায় ৪ হাজার মেট্রিক টন তৈরি পোশাক ভারতে রপ্তানি হয়েছে, যার মোট রপ্তানি মূল্য ছিল ৫৬ লাখ ৩ হাজার ৩৯১ মার্কিন ডলার। এসব পোশাকের মধ্যে ছিল শাড়ি, লুঙ্গি, সোয়েটার, শার্ট ও টি-শার্ট।
সোনামসজিদ শুল্ক স্টেশনের সহকারী কমিশনার মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিদিন এই বন্দর দিয়ে ১০ থেকে ১৫টি ট্রাকে পাটজাত পণ্য, প্রাণ কোম্পানির বিভিন্ন খাদ্যপণ্য, প্লাস্টিক সামগ্রী, কাঠের আসবাবপত্র এবং তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়ে থাকে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশি কিছু পণ্যের রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত কোনো অফিশিয়াল চিঠি এখনো তাঁরা পাননি। এ ছাড়া সোমবার দুপুর পর্যন্ত নতুন করে কোনো রপ্তানি পণ্যের গাড়ি বন্দরে আটকে নেই বা পৌঁছায়নি।’

বাংলাদেশি কিছু পণ্যের রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পড়তে শুরু করেছে সোনামসজিদ স্থলবন্দরে। গত রোববার এই বন্দর দিয়ে রপ্তানির জন্য যাওয়া গার্মেন্টস পণ্যের দুটি ট্রাক ভারত থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তবে গতকাল সোমবার চারটি ট্রাকে পাটজাত পণ্য রপ্তানি করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
সোনামসজিদ স্থলবন্দরে রপ্তানির তুলনায় আমদানিই বেশি হয়। তবে ভারতীয় পণ্য আমদানিতে এখনো কোনো প্রভাব পড়েনি বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
বন্দরের সঙ্গে যুক্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, ভারতের নিষেধাজ্ঞার এই সিদ্ধান্ত দেশের রপ্তানি বাণিজ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। বিশেষ করে ভারতের বিশাল বাজারে বাংলাদেশি তৈরি পোশাক খাত বড় ধরনের ধাক্কা খাবে। ডলারের সংকট, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি ও বাণিজ্য ঘাটতির মধ্যেই এমন নিষেধাজ্ঞা দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যে উত্তেজনা তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা। এ অবস্থায় কূটনৈতিকভাবে সমাধানের আহ্বান জানিয়েছেন আমদানি-রপ্তানিকারকেরা।
সোনামসজিদ স্থল কাস্টমস কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, গত ছয় মাসে এই বন্দর দিয়ে প্রায় ৪ হাজার মেট্রিক টন তৈরি পোশাক ভারতে রপ্তানি হয়েছে, যার মোট রপ্তানি মূল্য ছিল ৫৬ লাখ ৩ হাজার ৩৯১ মার্কিন ডলার। এসব পোশাকের মধ্যে ছিল শাড়ি, লুঙ্গি, সোয়েটার, শার্ট ও টি-শার্ট।
সোনামসজিদ শুল্ক স্টেশনের সহকারী কমিশনার মো. আরিফুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিদিন এই বন্দর দিয়ে ১০ থেকে ১৫টি ট্রাকে পাটজাত পণ্য, প্রাণ কোম্পানির বিভিন্ন খাদ্যপণ্য, প্লাস্টিক সামগ্রী, কাঠের আসবাবপত্র এবং তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়ে থাকে।’
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশি কিছু পণ্যের রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত কোনো অফিশিয়াল চিঠি এখনো তাঁরা পাননি। এ ছাড়া সোমবার দুপুর পর্যন্ত নতুন করে কোনো রপ্তানি পণ্যের গাড়ি বন্দরে আটকে নেই বা পৌঁছায়নি।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে