মতলব দক্ষিণ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী অমর সরকারকে (৩৫) গলা কেটে হত্যার ঘটনায় পুলিশ দুজনকে আটক করেছে। আজ বুধবার দুপুর ১২টায় মতলব দক্ষিণ থানা-পুলিশ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, দোকানের কর্মচারী অনীক ও হৃদয় সূত্রধর। এদের মধ্যে অনীককে গত ২১ তারিখ এবং হৃদয়কে গতকাল মঙ্গলবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।
নিহত অমর সরকার উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর দাস বাড়ির রবি ভক্ত সরকারের ছেলে।
অমরের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘আমার স্বামীর সঙ্গে কারও দ্বন্দ্ব ছিল না। সে সবার সঙ্গে মিলেমিশে ব্যবসা করত। প্রতিদিন সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে বাড়ি ফিরে আসত। ওই দিন রাতে দোকান থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। তখনই বাড়ির পাশেই কে বা কারা তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করে। আমি আমার স্বামী হত্যার বিচার চাই।’
অমরের বাবা রবি ভক্ত বলেন, ‘আমার ছেলের সঙ্গে অনীক নামে এক কর্মচারী ছিল। রাতে বাড়ি ফেরার সময় সে সঙ্গে ছিল। অনীক আমাদের বলেছে, তাকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে অমরকে হত্যা করে টাকা ও স্বর্ণ লুট করে নিয়ে গেছে ঘাতকেরা। আমার ছেলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম। গলা ও হাত-পায়ের রগ কেটে দিয়েছে।’
হাফেজ আহমদ নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘অমর দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণপুর বাজারে মাধবী শিল্পালয়ে স্বর্ণের ব্যবসা করে আসছিলেন। কী কারণে অমরকে হত্যা করা হয়েছে, তা বলতে পারছি না। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকারীদের বিচার দাবি করেন তিনি।’
সহকারী পুলিশ সুপার ইয়াসিন আরাফাত বলেন, ‘কী কারণে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে, তা এখনো জানা যায়নি। তবে অমরের দোকানের কর্মচারী অনীককে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা করা হবে।’
উল্লেখ্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুরে অমর সরকার (৩৭) নামে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গত ২১ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) নিজ বাড়ির উঠানে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুর বাজারের স্বর্ণ ব্যবসায়ী অমর সরকারকে (৩৫) গলা কেটে হত্যার ঘটনায় পুলিশ দুজনকে আটক করেছে। আজ বুধবার দুপুর ১২টায় মতলব দক্ষিণ থানা-পুলিশ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আটক হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, দোকানের কর্মচারী অনীক ও হৃদয় সূত্রধর। এদের মধ্যে অনীককে গত ২১ তারিখ এবং হৃদয়কে গতকাল মঙ্গলবার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়।
নিহত অমর সরকার উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের নারায়ণপুর দাস বাড়ির রবি ভক্ত সরকারের ছেলে।
অমরের স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘আমার স্বামীর সঙ্গে কারও দ্বন্দ্ব ছিল না। সে সবার সঙ্গে মিলেমিশে ব্যবসা করত। প্রতিদিন সাড়ে ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে বাড়ি ফিরে আসত। ওই দিন রাতে দোকান থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। তখনই বাড়ির পাশেই কে বা কারা তাঁকে নির্মমভাবে হত্যা করে। আমি আমার স্বামী হত্যার বিচার চাই।’
অমরের বাবা রবি ভক্ত বলেন, ‘আমার ছেলের সঙ্গে অনীক নামে এক কর্মচারী ছিল। রাতে বাড়ি ফেরার সময় সে সঙ্গে ছিল। অনীক আমাদের বলেছে, তাকে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে অমরকে হত্যা করে টাকা ও স্বর্ণ লুট করে নিয়ে গেছে ঘাতকেরা। আমার ছেলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম। গলা ও হাত-পায়ের রগ কেটে দিয়েছে।’
হাফেজ আহমদ নামে এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘অমর দীর্ঘদিন ধরে নারায়ণপুর বাজারে মাধবী শিল্পালয়ে স্বর্ণের ব্যবসা করে আসছিলেন। কী কারণে অমরকে হত্যা করা হয়েছে, তা বলতে পারছি না। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে হত্যাকারীদের বিচার দাবি করেন তিনি।’
সহকারী পুলিশ সুপার ইয়াসিন আরাফাত বলেন, ‘কী কারণে হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটি ঘটেছে, তা এখনো জানা যায়নি। তবে অমরের দোকানের কর্মচারী অনীককে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা করা হবে।’
উল্লেখ্য, মতলব দক্ষিণ উপজেলার নারায়ণপুরে অমর সরকার (৩৭) নামে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে গত ২১ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) নিজ বাড়ির উঠানে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৪ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে