হাজীগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি

দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে চাঁদপুর শহরে নিজ বাসায় খুন হয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল্লাহ কোম্পানি (৭০)। আজ শনিবার সন্ধ্যায় শহরের নতুনবাজারের সফিনা বোর্ডিংয়ের নিজ বাসায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত রফিকুল্লাহ চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও শহীদ জাবেদ মুক্ত স্কাউট গ্রুপের সভাপতি।
জানা যায়, রফিকুল্লাহ নিজ বাসার ৩য় তলায় বিশ্রামে ছিলেন। মাগরিবের নামাজের পর তাঁর বাসার থাকায় মিরাজ বাসায় এসে দেখেন কে বা কারা তাঁকে ছুরিকাঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘটনাস্থল থেকে চলে গেছে। পরে মিরাজের চিৎকারে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
কর্তব্যরত চিকিৎসক সাগর মজুমদার বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই রফিকুল্লাহর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর পেটে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। হাসপাতালে আনার পরও ছুরিটি পেটে বিদ্ধ ছিল।’
রফিকুল্লাহর স্বজনদের দাবি, তিনি (রফিকুল্লাহ) সারা দিন বাসায় একা ছিল। সন্ধ্যার পর পরই এ ঘটনা দেখে পার্শ্ববর্তী লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর থানার ওসি আব্দুর রশিদ বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ মুহূর্তে কিছু বলতে পারছি না। স্বজনদের পক্ষ থেকে অভিযোগ এখনো পাইনি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।’
এদিকে তাঁর মৃত্যুর খবরে হাসপাতালে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মো. নাছির উদ্দীন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটোয়ারি দুলাল, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান জুয়েলসহ দলীয় নেতা কর্মীরা ভিড় জমায়। তারা এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে চাঁদপুর শহরে নিজ বাসায় খুন হয়েছেন জেলা আওয়ামী লীগ নেতা রফিকুল্লাহ কোম্পানি (৭০)। আজ শনিবার সন্ধ্যায় শহরের নতুনবাজারের সফিনা বোর্ডিংয়ের নিজ বাসায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত রফিকুল্লাহ চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও শহীদ জাবেদ মুক্ত স্কাউট গ্রুপের সভাপতি।
জানা যায়, রফিকুল্লাহ নিজ বাসার ৩য় তলায় বিশ্রামে ছিলেন। মাগরিবের নামাজের পর তাঁর বাসার থাকায় মিরাজ বাসায় এসে দেখেন কে বা কারা তাঁকে ছুরিকাঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করে ঘটনাস্থল থেকে চলে গেছে। পরে মিরাজের চিৎকারে স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
কর্তব্যরত চিকিৎসক সাগর মজুমদার বলেন, ‘হাসপাতালে আনার আগেই রফিকুল্লাহর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর পেটে ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। হাসপাতালে আনার পরও ছুরিটি পেটে বিদ্ধ ছিল।’
রফিকুল্লাহর স্বজনদের দাবি, তিনি (রফিকুল্লাহ) সারা দিন বাসায় একা ছিল। সন্ধ্যার পর পরই এ ঘটনা দেখে পার্শ্ববর্তী লোকজন রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
এ বিষয়ে চাঁদপুর সদর থানার ওসি আব্দুর রশিদ বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ মুহূর্তে কিছু বলতে পারছি না। স্বজনদের পক্ষ থেকে অভিযোগ এখনো পাইনি। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।’
এদিকে তাঁর মৃত্যুর খবরে হাসপাতালে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মো. নাছির উদ্দীন আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক আবু নঈম পাটোয়ারি দুলাল, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট জিল্লুর রহমান জুয়েলসহ দলীয় নেতা কর্মীরা ভিড় জমায়। তারা এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে