
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার মেঘনা নদীর পশ্চিমে নীলকমল ইউনিয়নের ইশানবালা বাজার থেকে নতুন (অব্যবহৃত) ২ লাখ ৫০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ কারেন্টজাল জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দকৃত কারেন্টজাল আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) ভোরে এসব তথ্য নিশ্চিত করেন অভিযানে অংশগ্রহণকারী হাইমচর উপজেলা সহকারী মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহবুব রশীদ।
অভিযান পরিচালনাকারী হাইমচর উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা এ বি এম আশরাফুল হক বলেন, চলমান অভয়াশ্রম ও জাটকা সংরক্ষণ অভিযানের আওতায় রোববার (১২ এপ্রিল) বেলা ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত হাইমচর উপজেলার ইশানবালা বাজারের জয়নাল আবদিনের দোকান থেকে উপজেলা প্রশাসন, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য দপ্তর ও কোস্ট গার্ড যৌথ অভিযান পরিচালনা করে আনুমানিক ২ লাখ ৫০ হাজার মিটার নতুন কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
জব্দকৃত নতুন কারেন্ট জাল রাতেই হাইমচর নানি কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পন্টুনসংলগ্ন মাঠে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দ্বীপের বারই এর উপস্থিতিতে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।
অভিযানে কাস্ট গার্ড হাইমচর নানি আউটপোস্টের কন্টিনজেন্ট কমান্ডার মো. নাসির উন্নয়নসহ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বর্ষা এলেই মৌলভীবাজারের টিলা-পাহাড়ঘেরা জনপদে নেমে আসে আতঙ্ক। তবু ঝুঁকি নিয়ে এসব স্থানে বসবাস করছে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত চার বছরে টিলাধসে অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এরপরও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোর নিরাপদ পুনর্বাসনে দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
২ ঘণ্টা আগে
গর্ভাবস্থার শুরু থেকে ঠাকুরগাঁও মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছিলেন রাশেদা আক্তার। চিকিৎসকদের আশ্বাস আর সাশ্রয়ী খরচের কথা ভেবে আশা করেছিলেন, সরকারি এ প্রতিষ্ঠানেই নিরাপদে জন্ম নেবে তাঁর সন্তান। কিন্তু প্রসববেদনা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার তিনি হাসপাতালে পৌঁছার পর আশাহত হন।
২ ঘণ্টা আগে
মাগুরার শ্রীপুরে প্রতিবেশীদের হামলায় গুরুতর আহত আমিরুল মোল্যা (৫০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের সোয়া শতডাঙ্গা গ্রামে অন্তত ১০টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা শহরে রয়েছে অসংখ্য পুকুর, দিঘি ও প্রাকৃতিক জলাধার। একসময় এসব জলাধার ছিল সুপেয় পানির প্রধান উৎস, ভূগর্ভস্থ পানির ভারসাম্য রক্ষার কার্যকর মাধ্যম এবং নগরীর সৌন্দর্যের অনন্য নিদর্শন। কিন্তু দখল, দূষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এসব জলাধার হারিয়ে যাওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে