চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুর রেলওয়ে স্টেশনে আন্তনগর মেঘনা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনের গরম পানি ছিটকে গায়ে পড়ে চালক সাঈদ মোহাম্মদ তাহেরের শরীর ঝলসে গেছে। তাঁকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে কুমিল্লায় পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ায় সহস্রাধিক যাত্রী দুর্ভোগে পড়েন।
আজ মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে ঘটনাটি ঘটলেও রেলওয়ের চাঁদপুর স্টেশন মাস্টার শোয়েবুল শিকদার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
এদিকে চাঁদপুর ও চট্টগ্রামের মধ্যে চলাচল করা মেঘনা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকল হওয়ায় যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েন। উত্তেজিত অনেক যাত্রী তাৎক্ষণিক ট্রেনের সামনে এসে বিক্ষোভ করে প্রতিবাদে ফেটে পড়েন এবং তাঁরা ট্রেনের ভেতরে ভাঙচুরের চেষ্টা করেন। পরে রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুরাদ উল্লাহ বাহারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাৎক্ষণিক লাঠিপেটা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।
অপরদিকে ট্রেনটির ইঞ্জিন বিকল হওয়ার কারণে নতুন ইঞ্জিন এলএম-২৯১৬ লাকসাম থেকে আসার পর নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৩ ঘণ্টা বিলম্বে প্রায় সকাল ৮টার দিকে চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
চাঁদপুর স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, আন্তনগর মেঘনা এক্সপ্রেস প্রতিদিনের মতো চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ছাড়ার আগেই চাঁদপুর স্টেশনে ট্রেনটি দাঁড়ানো অবস্থায় ইঞ্জিন (এল এম-২৯২৪) মাত্রাতিরিক্ত গরম হয়ে পড়ে। এতে চালক বুঝতে পেরে ট্রেনটি গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা না করে স্টেশনে অবস্থান করে। এ সময় ট্রেনের প্রধান লোকো মাস্টার (চালক) কামাল হোসেন ও সহকারী লোকো মোটিভ (সহকারী চালক) সাঈদ মোহাম্মদ তাহের ইঞ্জিনটিকে রক্ষার জন্য বাইরে থেকে পানি এনে ইঞ্জিনে মারতে থাকেন।
ওই সময় ইঞ্জিনের প্রচণ্ড গরম পানি ছিটকে এসে সহকারী চালক সাঈদের শরীরে গিয়ে পড়ে। এতে তাঁর সমস্ত শরীর ঝলসে গিয়ে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে প্রধান চালক কামাল হোসেন, রেলওয়ের বিভিন্ন বিভাগের কর্মচারীরা ও এলাকাবাসীর সহায়তায় ট্রেনের ইঞ্জিনে বেশ কিছু সময় নিয়ে পানি দিয়ে ঠান্ডা করেন। তখন থেকেই ইঞ্জিনটি বিকল হয়ে পড়ে।
চাঁদপুর স্টেশন মাস্টার শোয়েবুল শিকদার জানান, তিনি চট্টগ্রাম বিভাগীয় ট্রাফিক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের নির্দেশে লাকসাম থেকে একটি নতুন ইঞ্জিন এনে প্রায় তিন ঘণ্টা বিলম্বে ট্রেনটি চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে চাঁদপুর ত্যাগ করে। এ সময় বিকল ইঞ্জিনটিও ট্রেনের পেছনে আটকে লাকসাম নিয়ে যায়।
শোয়েবুল শিকদার আরও জানান, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ট্রেনটির ইঞ্জিন মাত্রাতিরিক্ত গরম হওয়ায় পানি ছিটকে এসে চালক সাঈদের সমস্ত শরীর ঝলসে যায়। তাঁকে প্রথমে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ও পরে কুমিল্লায় পাঠানো হয়েছে। ট্রেনের ইঞ্জিনটি বিকল হওয়ায় প্রায় তিন ঘণ্টা বিলম্বে মেঘনা ট্রেনটি চাঁদপুর ত্যাগ করে চট্টগ্রাম যায়। যাত্রীদের কোনো ক্ষতি হয়নি, তাঁরা কিছু সময়ের জন্য দুর্ভোগে পড়েন। ট্রেনের টিকিট করা প্রায় আট শতাধিক যাত্রী ও অতিরিক্তসহ সহস্রাধিক যাত্রী ছিলেন।

চাঁদপুর রেলওয়ে স্টেশনে আন্তনগর মেঘনা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিনের গরম পানি ছিটকে গায়ে পড়ে চালক সাঈদ মোহাম্মদ তাহেরের শরীর ঝলসে গেছে। তাঁকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দিয়ে কুমিল্লায় পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনায় ট্রেনের ইঞ্জিন বিকল হয়ে যাওয়ায় সহস্রাধিক যাত্রী দুর্ভোগে পড়েন।
আজ মঙ্গলবার ভোর ৫টার দিকে ঘটনাটি ঘটলেও রেলওয়ের চাঁদপুর স্টেশন মাস্টার শোয়েবুল শিকদার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।
এদিকে চাঁদপুর ও চট্টগ্রামের মধ্যে চলাচল করা মেঘনা এক্সপ্রেসের ইঞ্জিন বিকল হওয়ায় যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েন। উত্তেজিত অনেক যাত্রী তাৎক্ষণিক ট্রেনের সামনে এসে বিক্ষোভ করে প্রতিবাদে ফেটে পড়েন এবং তাঁরা ট্রেনের ভেতরে ভাঙচুরের চেষ্টা করেন। পরে রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুরাদ উল্লাহ বাহারের নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে তাৎক্ষণিক লাঠিপেটা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।
অপরদিকে ট্রেনটির ইঞ্জিন বিকল হওয়ার কারণে নতুন ইঞ্জিন এলএম-২৯১৬ লাকসাম থেকে আসার পর নির্ধারিত সময়ের প্রায় ৩ ঘণ্টা বিলম্বে প্রায় সকাল ৮টার দিকে চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।
চাঁদপুর স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, আন্তনগর মেঘনা এক্সপ্রেস প্রতিদিনের মতো চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। ছাড়ার আগেই চাঁদপুর স্টেশনে ট্রেনটি দাঁড়ানো অবস্থায় ইঞ্জিন (এল এম-২৯২৪) মাত্রাতিরিক্ত গরম হয়ে পড়ে। এতে চালক বুঝতে পেরে ট্রেনটি গন্তব্যের উদ্দেশ্যে যাত্রা না করে স্টেশনে অবস্থান করে। এ সময় ট্রেনের প্রধান লোকো মাস্টার (চালক) কামাল হোসেন ও সহকারী লোকো মোটিভ (সহকারী চালক) সাঈদ মোহাম্মদ তাহের ইঞ্জিনটিকে রক্ষার জন্য বাইরে থেকে পানি এনে ইঞ্জিনে মারতে থাকেন।
ওই সময় ইঞ্জিনের প্রচণ্ড গরম পানি ছিটকে এসে সহকারী চালক সাঈদের শরীরে গিয়ে পড়ে। এতে তাঁর সমস্ত শরীর ঝলসে গিয়ে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে প্রধান চালক কামাল হোসেন, রেলওয়ের বিভিন্ন বিভাগের কর্মচারীরা ও এলাকাবাসীর সহায়তায় ট্রেনের ইঞ্জিনে বেশ কিছু সময় নিয়ে পানি দিয়ে ঠান্ডা করেন। তখন থেকেই ইঞ্জিনটি বিকল হয়ে পড়ে।
চাঁদপুর স্টেশন মাস্টার শোয়েবুল শিকদার জানান, তিনি চট্টগ্রাম বিভাগীয় ট্রাফিক বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের নির্দেশে লাকসাম থেকে একটি নতুন ইঞ্জিন এনে প্রায় তিন ঘণ্টা বিলম্বে ট্রেনটি চাঁদপুর থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে চাঁদপুর ত্যাগ করে। এ সময় বিকল ইঞ্জিনটিও ট্রেনের পেছনে আটকে লাকসাম নিয়ে যায়।
শোয়েবুল শিকদার আরও জানান, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ট্রেনটির ইঞ্জিন মাত্রাতিরিক্ত গরম হওয়ায় পানি ছিটকে এসে চালক সাঈদের সমস্ত শরীর ঝলসে যায়। তাঁকে প্রথমে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে ও পরে কুমিল্লায় পাঠানো হয়েছে। ট্রেনের ইঞ্জিনটি বিকল হওয়ায় প্রায় তিন ঘণ্টা বিলম্বে মেঘনা ট্রেনটি চাঁদপুর ত্যাগ করে চট্টগ্রাম যায়। যাত্রীদের কোনো ক্ষতি হয়নি, তাঁরা কিছু সময়ের জন্য দুর্ভোগে পড়েন। ট্রেনের টিকিট করা প্রায় আট শতাধিক যাত্রী ও অতিরিক্তসহ সহস্রাধিক যাত্রী ছিলেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে