ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) প্রতিনিধি

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ভোটারদের কাছে ঘুরে টাকা ফেরত চাইছেন এক ইউপি সদস্য প্রার্থী। গত ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্যপদে প্রার্থী হয়েছিলেন। তিনি ইউপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তৃতীয় হয়েছেন।
ইউপি সদস্য প্রার্থীর নাম মো. বশির উল্লাহ পাটোয়ারী। ভোটারদের কাছে টাকা ফেরত চাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন ওই প্রার্থী।
পরাজিত সদস্য পদপ্রার্থী বশির উল্লাহ জানান, পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের (রামদাসেরবাগ, ইছাপুরা, চৌমুখা গ্রাম) সাধারণ সদস্যপদে প্রার্থী (প্রতীক মোরগ) হয়েছিলেন বশির উল্লাহ। তাঁর সঙ্গে ওই ওয়ার্ডে আরও তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হওয়ার জন্য ৬০০ ভোটারকে জনপ্রতি ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১ হাজার টাকা দেন। কিন্তু নির্বাচনে তিনি মাত্র ৩৩৪ ভোট পেয়ে পরাজিত হন। নির্বাচনী ফলাফল মেনে নিতে না পেরে ভোটের কয়েক দিন পর তিনি যেসব ভোটারকে টাকা প্রদান করে ভোট প্রদানের প্রতিশ্রুতি নিয়েছিলেন, তাঁদের কাছে টাকা ফেরত চাওয়া শুরু করেন।
টাকা ফেরত চেয়ে দুই গ্রামে ইতিমধ্যে এই নিয়ে বৈঠক বসিয়েছেন তিনি। বৈঠকে কিছু ভোটার টাকা ফেরত দিয়েছেন আর কিছু ভোটার তাঁর টাকা ফেরত দিতে চাইছেন না বলে জানিয়েছেন বশির উল্লাহ।
ওই এলাকার কয়েকজন ভোটারের সঙ্গে কথা হলে তাঁরা আজকের পত্রিকাকে জানান, তাঁরা ওই প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন। কিন্তু বশির উল্লাহ পাটওয়ারী টাকা ফেরত পেতে আইনি ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েক জন ভোটার দাবি করেন, তাঁদের কাছ থেকে ভোটের বিপরীতে বিভিন্ন সেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বশির উল্লাহ পাটোয়ারী। ভোট দেওয়ার কথা নিশ্চিত করার পরও অনিচ্ছা সত্ত্বে তাদের টাকা দেওয়া হয়েছে। এখন নির্বাচনে হেরে টাকা আদায়ের মিশনে নেমেছেন।
টাকা ফেরত চাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে মো. বশির উল্লাহ পাটওয়ারী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘যারা আমাকে ভোট দেয়নি। তাদের কাছ থেকে আমি টাকা ফেরত চাচ্ছি।’
উল্লেখ্য, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচনে ২ হাজার ৮৭৮ জন ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ৭০৬টি ভোট পড়ে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম (ফুটবল প্রতীক) ৬১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. রুহুল আমিন খান গাজী (আপেল প্রতীক) পেয়েছেন ৫১২ ভোট। বশির উল্লাহ পাটওয়ারী (মোরগ প্রতীক) পেয়েছেন ৩৩৪ ভোট। আরেকজন প্রার্থী আতিকুল ইসলাম তালা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৪২ ভোট।

নির্বাচনে পরাজিত হয়ে ভোটারদের কাছে ঘুরে টাকা ফেরত চাইছেন এক ইউপি সদস্য প্রার্থী। গত ২৮ নভেম্বর অনুষ্ঠিত চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাধারণ সদস্যপদে প্রার্থী হয়েছিলেন। তিনি ইউপি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তৃতীয় হয়েছেন।
ইউপি সদস্য প্রার্থীর নাম মো. বশির উল্লাহ পাটোয়ারী। ভোটারদের কাছে টাকা ফেরত চাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন ওই প্রার্থী।
পরাজিত সদস্য পদপ্রার্থী বশির উল্লাহ জানান, পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৬ নম্বর ওয়ার্ডের (রামদাসেরবাগ, ইছাপুরা, চৌমুখা গ্রাম) সাধারণ সদস্যপদে প্রার্থী (প্রতীক মোরগ) হয়েছিলেন বশির উল্লাহ। তাঁর সঙ্গে ওই ওয়ার্ডে আরও তিনজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনে তিনি বিজয়ী হওয়ার জন্য ৬০০ ভোটারকে জনপ্রতি ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে ১ হাজার টাকা দেন। কিন্তু নির্বাচনে তিনি মাত্র ৩৩৪ ভোট পেয়ে পরাজিত হন। নির্বাচনী ফলাফল মেনে নিতে না পেরে ভোটের কয়েক দিন পর তিনি যেসব ভোটারকে টাকা প্রদান করে ভোট প্রদানের প্রতিশ্রুতি নিয়েছিলেন, তাঁদের কাছে টাকা ফেরত চাওয়া শুরু করেন।
টাকা ফেরত চেয়ে দুই গ্রামে ইতিমধ্যে এই নিয়ে বৈঠক বসিয়েছেন তিনি। বৈঠকে কিছু ভোটার টাকা ফেরত দিয়েছেন আর কিছু ভোটার তাঁর টাকা ফেরত দিতে চাইছেন না বলে জানিয়েছেন বশির উল্লাহ।
ওই এলাকার কয়েকজন ভোটারের সঙ্গে কথা হলে তাঁরা আজকের পত্রিকাকে জানান, তাঁরা ওই প্রার্থীকে ভোট দিয়েছেন। কিন্তু বশির উল্লাহ পাটওয়ারী টাকা ফেরত পেতে আইনি ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েক জন ভোটার দাবি করেন, তাঁদের কাছ থেকে ভোটের বিপরীতে বিভিন্ন সেবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বশির উল্লাহ পাটোয়ারী। ভোট দেওয়ার কথা নিশ্চিত করার পরও অনিচ্ছা সত্ত্বে তাদের টাকা দেওয়া হয়েছে। এখন নির্বাচনে হেরে টাকা আদায়ের মিশনে নেমেছেন।
টাকা ফেরত চাওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে মো. বশির উল্লাহ পাটওয়ারী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘যারা আমাকে ভোট দেয়নি। তাদের কাছ থেকে আমি টাকা ফেরত চাচ্ছি।’
উল্লেখ্য, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পাইকপাড়া দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচনে ২ হাজার ৮৭৮ জন ভোটারের মধ্যে ১ হাজার ৭০৬টি ভোট পড়ে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম (ফুটবল প্রতীক) ৬১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো. রুহুল আমিন খান গাজী (আপেল প্রতীক) পেয়েছেন ৫১২ ভোট। বশির উল্লাহ পাটওয়ারী (মোরগ প্রতীক) পেয়েছেন ৩৩৪ ভোট। আরেকজন প্রার্থী আতিকুল ইসলাম তালা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২৪২ ভোট।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে