প্রতিনিধি, আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া পৌর শহরের দেবগ্রামের প্রতিবন্ধী মো. মজিবুর রহমানের পরিবারকে নিয়ে সারা দেশে স্থানীয় দৈনিক 'আজকের পত্রিকায়' সংবাদ প্রকাশের পর আর্থিক সহায়তা পেলেন সেই প্রতিবন্ধী মজিবুর রহমানের পরিবার। আজ শনিবার সকালে সেনাবাহিনীতে কর্মরত অসামরিক সদস্য মো. ওমর ফারুক নগদ ১০ হাজার টাকা ওই প্রতিবন্ধী মুজিবুরের পরিবারের হাতে তুলে দেন।
এর আগে গত শনিবার (৭ আগস্ট) আজকের পত্রিকার প্রিন্ট সংস্করণে 'সন্তান প্রতিবন্ধী, কষ্টে পরিবার' এবং আজকের পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে ''আখাউড়ায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে এক পরিবারে ৫ প্রতিবন্ধী" শিরোনামে একটি মানবিক সংবাদ প্রকাশ হয়। সংবাদ প্রকাশের পর সেনাবাহিনীতে কর্মরত অসামরিক সদস্য ওমর ফারুক প্রতিবন্ধী পরিবারকে সহায়তা করার কথা জানান।
এদিকে এই মহামারি করোনাভাইরাসের দুঃসময়ে এমন সহায়তা পেয়ে প্রতিবন্ধী পরিবারটি অনেক খুশি। নগদ অর্থ প্রদানকারী মালয়েশিয়া প্রবাসী মো. মোশাররফ হোসেন ও সেনাবাহিনীতে কর্মরত অসামরিক সদস্য ওমর ফারুকের প্রতি তাঁরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মজিবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে জানান, তাঁর পরিবারের মধ্যে তিনি ও তাঁর দুই ছেলে প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন। কিন্তু বাকিরা সরকারি কোনো ভাতা পাচ্ছে না। তা ছাড়া শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে কোনো কাজকর্ম করতে না পাড়ায় অভাব অনটনে দুর্বিষহ মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে। অভাবের কারণে তাঁর সন্তানদের পড়ালেখা যে কোন সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে জানিয়ে সাহায্যকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন।
প্রতিবন্ধীদের মা শারমিন আক্তার আজকের পত্রিকাকে জানান, একটি স্বাভাবিক সন্তান মানুষ করতে খুব কষ্ট করতে হয়। স্বামীসহ এক ঘরে পাঁচজন প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। একটি ছেলেকে যদি সরকারি কোন চাকরি দেওয়া যেতো তাহলে তাঁদের আর কোনো কষ্ট হতো না।
আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী গ্রামের সন্তান সেনাবাহিনীতে কর্মরত অসামরিক সদস্য মো. ওমর ফারুক আজকের পত্রিকাকে বলেন, আজকের পত্রিকায় সংবাদটা পড়ে খুব খারাপ লেগেছে আমার। আমার বাউতলা গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী মো. মোশাররফ হোসেন এবং আমার সহযোগিতায় যতটুকু সামর্থ্য ছিল আমরা প্রতিবন্ধী এই পরিবারটিকে দেওয়ার চেষ্টা করেছি মাত্র এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতা করব ইনশাআল্লাহ। আমি মনে করি, অল্প কিছু মানুষ যদি এই প্রতিবন্ধী পরিবারটিকে একটু সহযোগিতা করে, তাহলে হয়তো মজিবুরের কষ্ট কিছুটা হলেও লাগব হবে।
তা ছাড়া বর্তমান বাংলাদেশ সরকার অসহায় হতদরিদ্র মানুষের জন্য যে সুযোগ-সুবিধা তৈরি করে রেখেছে, তা যদি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সঠিকভাবে বণ্টন করেন, তবে মজিবুরের মতো অনেক অসহায় মানুষের উপকার হবে। তিনি আজকের পত্রিকাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, 'পত্রিকাটি যেন বরাবরই এমন মানবিক আবেদনগুলো সামনে তুলে ধরে।'

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া পৌর শহরের দেবগ্রামের প্রতিবন্ধী মো. মজিবুর রহমানের পরিবারকে নিয়ে সারা দেশে স্থানীয় দৈনিক 'আজকের পত্রিকায়' সংবাদ প্রকাশের পর আর্থিক সহায়তা পেলেন সেই প্রতিবন্ধী মজিবুর রহমানের পরিবার। আজ শনিবার সকালে সেনাবাহিনীতে কর্মরত অসামরিক সদস্য মো. ওমর ফারুক নগদ ১০ হাজার টাকা ওই প্রতিবন্ধী মুজিবুরের পরিবারের হাতে তুলে দেন।
এর আগে গত শনিবার (৭ আগস্ট) আজকের পত্রিকার প্রিন্ট সংস্করণে 'সন্তান প্রতিবন্ধী, কষ্টে পরিবার' এবং আজকের পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে ''আখাউড়ায় মানবেতর জীবন কাটাচ্ছে এক পরিবারে ৫ প্রতিবন্ধী" শিরোনামে একটি মানবিক সংবাদ প্রকাশ হয়। সংবাদ প্রকাশের পর সেনাবাহিনীতে কর্মরত অসামরিক সদস্য ওমর ফারুক প্রতিবন্ধী পরিবারকে সহায়তা করার কথা জানান।
এদিকে এই মহামারি করোনাভাইরাসের দুঃসময়ে এমন সহায়তা পেয়ে প্রতিবন্ধী পরিবারটি অনেক খুশি। নগদ অর্থ প্রদানকারী মালয়েশিয়া প্রবাসী মো. মোশাররফ হোসেন ও সেনাবাহিনীতে কর্মরত অসামরিক সদস্য ওমর ফারুকের প্রতি তাঁরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মজিবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে জানান, তাঁর পরিবারের মধ্যে তিনি ও তাঁর দুই ছেলে প্রতিবন্ধী ভাতা পাচ্ছেন। কিন্তু বাকিরা সরকারি কোনো ভাতা পাচ্ছে না। তা ছাড়া শারীরিক প্রতিবন্ধকতার কারণে কোনো কাজকর্ম করতে না পাড়ায় অভাব অনটনে দুর্বিষহ মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে। অভাবের কারণে তাঁর সন্তানদের পড়ালেখা যে কোন সময় বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে জানিয়ে সাহায্যকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন।
প্রতিবন্ধীদের মা শারমিন আক্তার আজকের পত্রিকাকে জানান, একটি স্বাভাবিক সন্তান মানুষ করতে খুব কষ্ট করতে হয়। স্বামীসহ এক ঘরে পাঁচজন প্রতিবন্ধী সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। একটি ছেলেকে যদি সরকারি কোন চাকরি দেওয়া যেতো তাহলে তাঁদের আর কোনো কষ্ট হতো না।
আখাউড়া উপজেলার মোগড়া ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী গ্রামের সন্তান সেনাবাহিনীতে কর্মরত অসামরিক সদস্য মো. ওমর ফারুক আজকের পত্রিকাকে বলেন, আজকের পত্রিকায় সংবাদটা পড়ে খুব খারাপ লেগেছে আমার। আমার বাউতলা গ্রামের মালয়েশিয়া প্রবাসী মো. মোশাররফ হোসেন এবং আমার সহযোগিতায় যতটুকু সামর্থ্য ছিল আমরা প্রতিবন্ধী এই পরিবারটিকে দেওয়ার চেষ্টা করেছি মাত্র এবং ভবিষ্যতে সহযোগিতা করব ইনশাআল্লাহ। আমি মনে করি, অল্প কিছু মানুষ যদি এই প্রতিবন্ধী পরিবারটিকে একটু সহযোগিতা করে, তাহলে হয়তো মজিবুরের কষ্ট কিছুটা হলেও লাগব হবে।
তা ছাড়া বর্তমান বাংলাদেশ সরকার অসহায় হতদরিদ্র মানুষের জন্য যে সুযোগ-সুবিধা তৈরি করে রেখেছে, তা যদি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সঠিকভাবে বণ্টন করেন, তবে মজিবুরের মতো অনেক অসহায় মানুষের উপকার হবে। তিনি আজকের পত্রিকাকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, 'পত্রিকাটি যেন বরাবরই এমন মানবিক আবেদনগুলো সামনে তুলে ধরে।'

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে