নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলামকে (৪২) ওই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে। এই নিয়ে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সূত্রে জানা যায়, নবীনগর উপজেলায় দীর্ঘদিন পর উপজেলার ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডগুলোতে আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করা হচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে উপজেলার শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড কুড়িনাল গ্রামের আওয়ামী লীগের কমিটিতে সাইদুল ইসলামকে সভাপতি ও মোস্তাফিজুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। এরপর জানা যায় নির্বাচিত ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এখনো ওই ইউনিয়ন যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক পদে আসীন রয়েছেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
তবে অভিযুক্ত সাইদুল ইসলামের দাবি, তিনি আগে কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। আওয়ামী লীগের নেতারা তাঁকে ভালোবেসে সভাপতি বানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সাইদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি কখনো কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। যুবদলের কোনো মিটিং-মিছিলে আমি কখনো অংশগ্রহণ করি নাই। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা আমাকে ভালোবেসে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বানিয়েছেন।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, দীর্ঘদিন দলের জন্য কাজ করার পরও যখন বিএনপির নেতারা দলের সভাপতি হন তখন রাজনীতি করার আগ্রহ থাকে না। সাইদুল ইসলামকে আগে এলাকায় বিএনপির নানা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে দেখা গেছে। বর্তমানে তিনি শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক পদে থাকার পরও কীভাবে আওয়ামী লীগের সভাপতি হয় প্রশ্ন রাখেন তাঁরা।
এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপজেলা যুবলীগের বেশ কিছু নেতা-কর্মী। যুবলীগের কর্মী মো. আমির হোসেন বলেন, ‘আওয়ামী লীগের রাজনীতির এই জোয়ারকে অতি কৌশলে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে আমাদের দলের কিছু লোভী নেতা।’
শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘আমরা শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কাউন্সিলরদের মতামত বিশ্লেষণ করে সর্বসম্মতিক্রমে এই আংশিক কমিটি ঘোষণা করেছি।’
এ বিষয়ে নবীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি নিয়াজ মো. খান বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের নেতাদের আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যদি এমন হয়ে থাকে আমরা সে কমিটি অনুমোদন দেব না। বিএনপি-জামায়াতের কোনো অনুপ্রবেশকারী আওয়ামী লীগে জায়গা পাবে না।’
জেলা আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ও নবীনগর পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট শিব শংকর দাস বলেন, ‘আমাকে কয়েকজন আওয়ামী লীগ, যুবলীগের কর্মী ফোন করে বিষয়টি জানিয়েছে। বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখব। এ রকম যদি হয়ে থাকে আমরা সংশোধন করব। যারা এ রকম করেছে তারা এ কাজটি ঠিক করে নাই।’
এদিকে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. এমদাদুল বারী সাইদুল ইসলামকে নিজের দলের সহসাধারণ সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘সাইদুল ইসলাম আমাদের শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক হিসেবে জানি। ওই কমিটি অনেক দিন আগের করা। আমরা সামনে নতুন কমিটি ঘোষণা দেব। আওয়ামী লীগের নেতারা সাইদুল ইসলামকে কীভাবে সভাপতি বানিয়েছেন সেটি তারাই ভালো জানে।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক সাইদুল ইসলামকে (৪২) ওই ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত করা হয়েছে। এই নিয়ে আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের সূত্রে জানা যায়, নবীনগর উপজেলায় দীর্ঘদিন পর উপজেলার ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডগুলোতে আওয়ামী লীগের কমিটি গঠন করা হচ্ছে। তারই অংশ হিসেবে উপজেলার শ্যামগ্রাম ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড কুড়িনাল গ্রামের আওয়ামী লীগের কমিটিতে সাইদুল ইসলামকে সভাপতি ও মোস্তাফিজুর রহমানকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। এরপর জানা যায় নির্বাচিত ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি এখনো ওই ইউনিয়ন যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক পদে আসীন রয়েছেন। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
তবে অভিযুক্ত সাইদুল ইসলামের দাবি, তিনি আগে কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। আওয়ামী লীগের নেতারা তাঁকে ভালোবেসে সভাপতি বানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সাইদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি কখনো কোনো রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। যুবদলের কোনো মিটিং-মিছিলে আমি কখনো অংশগ্রহণ করি নাই। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতারা আমাকে ভালোবেসে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি বানিয়েছেন।’
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, দীর্ঘদিন দলের জন্য কাজ করার পরও যখন বিএনপির নেতারা দলের সভাপতি হন তখন রাজনীতি করার আগ্রহ থাকে না। সাইদুল ইসলামকে আগে এলাকায় বিএনপির নানা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে দেখা গেছে। বর্তমানে তিনি শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক পদে থাকার পরও কীভাবে আওয়ামী লীগের সভাপতি হয় প্রশ্ন রাখেন তাঁরা।
এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন উপজেলা যুবলীগের বেশ কিছু নেতা-কর্মী। যুবলীগের কর্মী মো. আমির হোসেন বলেন, ‘আওয়ামী লীগের রাজনীতির এই জোয়ারকে অতি কৌশলে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করছে আমাদের দলের কিছু লোভী নেতা।’
শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন বলেন, ‘আমরা শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কাউন্সিলরদের মতামত বিশ্লেষণ করে সর্বসম্মতিক্রমে এই আংশিক কমিটি ঘোষণা করেছি।’
এ বিষয়ে নবীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি নিয়াজ মো. খান বলেন, ‘বিএনপি-জামায়াতের নেতাদের আওয়ামী লীগের ওয়ার্ড কমিটির সভাপতি হওয়ার কোনো সুযোগ নেই। যদি এমন হয়ে থাকে আমরা সে কমিটি অনুমোদন দেব না। বিএনপি-জামায়াতের কোনো অনুপ্রবেশকারী আওয়ামী লীগে জায়গা পাবে না।’
জেলা আওয়ামী লীগের সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক ও নবীনগর পৌরসভার মেয়র অ্যাডভোকেট শিব শংকর দাস বলেন, ‘আমাকে কয়েকজন আওয়ামী লীগ, যুবলীগের কর্মী ফোন করে বিষয়টি জানিয়েছে। বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখব। এ রকম যদি হয়ে থাকে আমরা সংশোধন করব। যারা এ রকম করেছে তারা এ কাজটি ঠিক করে নাই।’
এদিকে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. এমদাদুল বারী সাইদুল ইসলামকে নিজের দলের সহসাধারণ সম্পাদক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘সাইদুল ইসলাম আমাদের শ্যামগ্রাম ইউনিয়ন যুবদলের সহসাধারণ সম্পাদক হিসেবে জানি। ওই কমিটি অনেক দিন আগের করা। আমরা সামনে নতুন কমিটি ঘোষণা দেব। আওয়ামী লীগের নেতারা সাইদুল ইসলামকে কীভাবে সভাপতি বানিয়েছেন সেটি তারাই ভালো জানে।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে