ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

বিএনপিকে পরনির্ভরশীল দল উল্লেখ করে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, ‘তাঁরা (বিএনপি) কথায় কথায় বিদেশি দূতাবাসে চলে যান। পাকিস্তানের ভয় দেখান। তাঁরা ক্ষমতায় এলে দেশকে বিরান করে ফেলবেন। তাই আপনাদের (জনগণ) সতর্ক থাকতে হবে। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ভোট দিতে হবে। তাহলে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত দেশ হবে।’
গতকাল শুক্রবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী। কসবা উপজেলার মানকাশাইরে দেশের সর্ববৃহৎ আশ্রয়ণ প্রকল্পের উপকারভোগীদের মধ্যে চাবি হস্তান্তর ও গৃহপ্রবেশ উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মোট ৪০৩ জন গৃহহীনের মধ্যে ঘরের চাবি তুলে দেওয়া হয়। প্রকল্পে বিদ্যালয় ও পার্ক হবে বলেও জানান আইনমন্ত্রী।
এ সময় আইনমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার জনগণের সরকার। বিএনপির মহাসচিব বেশ লম্বা লম্বা বক্তব্য দিয়ে বলেন, আমরা নাকি দেশ ধ্বংস করে দিচ্ছি। গরিবের ঘর পাওয়া যদি ধ্বংসের বিষয় হয়, তাহলে এটাই ভালো। আসল কথা হলো, বিএনপি জনগণের সেবা করা পছন্দ করে না। তারা জনগণের নামে ভিক্ষা এনে লুটপাট করতে চায়। বিএনপি বলে, রিজার্ভ নাকি অনেক কমে গেছে। ওনারা যখন ক্ষমতা থেকে চলে যান, তখন দেশটাকে এমন ধ্বংস করেছিলেন যে রিজার্ভ ছিল মাত্র ৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। দেশটাকে বিরান করে দিয়েছেন। আর শেখ হাসিনা দেশকে উন্নয়নের রোল মডেল করেছেন।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রাশেদুল কায়সার ভূঁইয়া জীবন, কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদ-উল আলম, আখাউড়া পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল, কসবা পৌরসভার মেয়র এমজি হাক্কানি, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবীর আহমেদ ভূঁইয়া প্রমুখ।

বিএনপিকে পরনির্ভরশীল দল উল্লেখ করে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, ‘তাঁরা (বিএনপি) কথায় কথায় বিদেশি দূতাবাসে চলে যান। পাকিস্তানের ভয় দেখান। তাঁরা ক্ষমতায় এলে দেশকে বিরান করে ফেলবেন। তাই আপনাদের (জনগণ) সতর্ক থাকতে হবে। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকে ভোট দিতে হবে। তাহলে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত দেশ হবে।’
গতকাল শুক্রবার বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী। কসবা উপজেলার মানকাশাইরে দেশের সর্ববৃহৎ আশ্রয়ণ প্রকল্পের উপকারভোগীদের মধ্যে চাবি হস্তান্তর ও গৃহপ্রবেশ উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে মোট ৪০৩ জন গৃহহীনের মধ্যে ঘরের চাবি তুলে দেওয়া হয়। প্রকল্পে বিদ্যালয় ও পার্ক হবে বলেও জানান আইনমন্ত্রী।
এ সময় আইনমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার জনগণের সরকার। বিএনপির মহাসচিব বেশ লম্বা লম্বা বক্তব্য দিয়ে বলেন, আমরা নাকি দেশ ধ্বংস করে দিচ্ছি। গরিবের ঘর পাওয়া যদি ধ্বংসের বিষয় হয়, তাহলে এটাই ভালো। আসল কথা হলো, বিএনপি জনগণের সেবা করা পছন্দ করে না। তারা জনগণের নামে ভিক্ষা এনে লুটপাট করতে চায়। বিএনপি বলে, রিজার্ভ নাকি অনেক কমে গেছে। ওনারা যখন ক্ষমতা থেকে চলে যান, তখন দেশটাকে এমন ধ্বংস করেছিলেন যে রিজার্ভ ছিল মাত্র ৫ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার। দেশটাকে বিরান করে দিয়েছেন। আর শেখ হাসিনা দেশকে উন্নয়নের রোল মডেল করেছেন।’
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক মো. শাহগীর আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আনিসুর রহমান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট রাশেদুল কায়সার ভূঁইয়া জীবন, কসবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদ-উল আলম, আখাউড়া পৌরসভার মেয়র তাকজিল খলিফা কাজল, কসবা পৌরসভার মেয়র এমজি হাক্কানি, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কবীর আহমেদ ভূঁইয়া প্রমুখ।

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২২ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
২৬ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
২৯ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
৩২ মিনিট আগে