
নির্বাচনে প্রশাসন জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে আবারও একটি ৫ আগস্ট হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, ‘এই নির্বাচনের জন্য বহু রক্ত ঝরেছে, অনেক স্ত্রী তাঁর স্বামী হারিয়েছেন, অনেক মা তাঁর সন্তান হারিয়েছেন। তাই আসন্ন নির্বাচনে প্রশাসন জনগণের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে আবারও একটি ৫ আগস্ট হবে।’
আজ বুধবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পাইলট উচ্চবিদ্যালয় মাঠে ১১ দলীয় জোট-সমর্থিত প্রার্থী আমজাদ হোসাইন আশরাফীর সমর্থনে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বিগত তিনটি নির্বাচনে পুলিশ, প্রশাসনকে সামনে রেখে দিনের ভোট রাতে হয়েছে, মরা মানুষ এসে ভোট দিয়েছে, যার ফল হিসেবে ৫ আগস্ট হয়েছে। তবে প্রশাসনের অনেকে চায় একটি গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের মাধ্যমে দেশপ্রেমিকেরা ক্ষমতায় আসুক। কিন্তু কিছু লোভী বেনজীর, হারুন আর বিপ্লবের উদয় হয়েছে। তাদের বিগত সময় থেকে শিক্ষা নিতে হবে।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই দেশকে ভোটচোরদের হাতে তুলে দেওয়া হবে, নাকি জনতার হাতে তুলে দেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত প্রশাসনকেও নিতে হবে।’
এনসিপি নেতা বলেন, আশপাশে দেখা যায়, গত দেড় বছরে চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজির টাকা এখন নির্বাচনে আনা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে ভোটারদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে তাঁরা টাকার কাছে গোলামি স্বীকার করবেন নাকি, সঠিক ভোটাধিকার প্রয়োগ করে পাঁচ বছরের জন্য মালিক হবেন। তবে আমরা জনগণের ওপর বিশ্বাস রাখতে চাই, তাঁরা ১২ তারিখ ব্যালট বিপ্লবের মাধ্যমে চাঁদাবাজদের প্রত্যাখ্যান করবেন।
গণমাধ্যমের সমালোচনা করে হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আমরা দেখলাম মিডিয়ার সব জায়গায় শুধু বিএনপির প্রশংসা-বন্দনা। মিডিয়া মাঝে মাঝে বিএনপির প্রচারণাও চালায়। নির্বাচনে আপনারা যদি নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন না করেন, জনগণ এবার মিডিয়াকেও লাল কার্ড দেখাবে।’
উপজেলা জামায়াতের আমির মোখলেছুর রহমানের সভাপতিত্বে এতে প্রধান বক্তা ছিলেন জামায়াতে ইসলামী ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আমির মো. মোবারক হোসাইন।

জাতীয় পার্টির (জাপা) একসময়ের শক্ত ঘাঁটি ছিল গাইবান্ধা। জেলার পাঁচটি আসনের সব কটিই দলটির দখলে ছিল। তবে সেটি এখন ইতিহাস। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে, বর্তমানে এখানে দৃশ্যত অস্তিত্ব সংকটে ভুগছে দলটি।
২৭ মিনিট আগে
‘আমি এমপি প্রার্থী হাবিবা। ভাইস চেয়ারম্যান দাঁড়ানু না দাদু আমি? ওই হাবিবা আমি। ভাইস চেয়ারম্যান হওয়ার পরে তো চেয়ার কাইড়ে নিল। দয়া করে আমার ফুটবল মার্কায় ভোটটা দিয়েন।’ এভাবেই মানুষের কাছে ভোট চাইছেন রাজশাহী-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবা বেগম।
৩০ মিনিট আগে
আসন্ন সংসদ নির্বাচনে রংপুর বিভাগের আট জেলার ৩৩টি আসনে মোট প্রার্থী ২৩৪ জন। একসময় জাতীয় পার্টির ঘাঁটিখ্যাত এই বিভাগে এবার তাদের অবস্থান অনেকটাই দুর্বল বলে জানিয়েছেন ভোটাররা। বেশির ভাগ আসনে এবার বিএনপি-জামায়াত দ্বিমুখী লড়াই হওয়ার আভাস দিচ্ছেন এলাকার মানুষ।
১ ঘণ্টা আগে
কুষ্টিয়ার চারটি সংসদীয় আসনই একসময় বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল। এর মধ্যে সবচেয়ে শক্ত ঘাঁটি ছিল কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) ও কুষ্টিয়া-৩ (সদর) আসনে। কিন্তু ২০০৮ সালে নির্বাচনে বেহাত হওয়া আসন দুটি আওয়ামী লীগের দখলে চলে যায়।
১ ঘণ্টা আগে