
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো প্রার্থীর মৃত্যু হলে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম স্থগিত বা বাতিল করার বিষয়ে বাংলাদেশের আইনে সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মারা গেছেন জামায়াতে ইসলামীর শেরপুর জেলা শাখার সেক্রেটারি ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল (৫১)। এখন কি আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ওই আসনের ভোট স্থগিত হবে? গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর আলোকে প্রার্থীর মৃত্যু-সংক্রান্ত আইনি জটিলতা ও বর্তমান প্রেক্ষাপট নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৭-এর ১ উপধারায় বলা হয়েছে, যদি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার পর এবং ভোট গ্রহণের আগে কোনো বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী মৃত্যুবরণ করেন, তবে সংশ্লিষ্ট আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল বা স্থগিত করতে হবে। আইন অনুযায়ী, এ ক্ষেত্রে প্রার্থীকে অবশ্যই নির্বাচন কমিশন কর্তৃক ‘বৈধ প্রার্থী’ হিসেবে স্বীকৃত হতে হবে। প্রার্থীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তা একটি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওই আসনের নির্বাচনী কার্যক্রম বাতিলের ঘোষণা দেবেন এবং পরবর্তী সময়ে কমিশন নতুন তফসিল ঘোষণা করবে।
তবে আইনে কিছু বিশেষ ব্যতিক্রমও রয়েছে। যদি মৃত ব্যক্তি বৈধ প্রার্থী হিসেবে চূড়ান্ত হওয়ার আগেই মারা যান অথবা ওই আসনে একই দলের বিকল্প কোনো বৈধ প্রার্থী বিদ্যমান থাকে, তবে নির্বাচন স্থগিত করার প্রয়োজন পড়ে না।
কোনো নির্দিষ্ট আসনের প্রার্থীর মৃত্যুতে কেবল সেই আসনের ভোট গ্রহণ স্থগিত বা বাতিল হয়, সারা দেশের নির্বাচনে এর কোনো প্রভাব পড়ে না। ওই সুনির্দিষ্ট আসনে নতুন তফসিলে পুনরায় ভোট হবে। এ ক্ষেত্রে যারা আগের তফসিলে বৈধ প্রার্থী ছিলেন, তাঁদের নতুন করে মনোনয়নপত্র বা জামানত জমা দিতে হয় না। তবে নতুন কোনো প্রার্থী চাইলে সেই সুযোগে অংশ নিতে পারেন। স্বতন্ত্র প্রার্থীর ক্ষেত্রেও যদি তিনি বৈধ ও প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী হয়ে থাকেন, তবে তাঁর মৃত্যুতে একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচনব্যবস্থা সংস্কারের অংশ হিসেবে আরপিও আইনে কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশোধিত বিধিতে ‘ইলেকশন’ শব্দের পরিবর্তে ‘পোলিং’ বা ভোট গ্রহণ শব্দটিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে প্রার্থীর মৃত্যুর ক্ষেত্রে ১৭(১) ধারার মূল চেতনা অপরিবর্তিত রয়েছে।

বাংলাদেশের সম্ভাব্য নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা করছে বিএনপি। আজ শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) তারেক রহমানের পররাষ্ট্রনীতি-বিষয়ক উপদেষ্টা ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবির ভারতীয়...
৩৯ মিনিট আগে
নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণ আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। আজ শনিবার সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা আজকের পত্রিকাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়তে দল-মতনির্বিশেষে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ‘এবার দেশ গড়ার পালা। দেশ গড়ার এই যাত্রায় আপনি, আমি—সবাইকে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে কাজ করতে হবে।’
৩ ঘণ্টা আগে
বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি সরকার গঠনের পর অবশ্যই দক্ষিণ এশিয়া সহযোগিতা সংস্থা–সার্ক পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করবে। আজ শনিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে নির্বাচন পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন।
৩ ঘণ্টা আগে