আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সীমান্তপথে ভারতগামী যাত্রী পারাপারে বাড়তি সতর্কতা এবং সীমান্তে কঠোর নজরদারিতে রয়েছে ইমিগ্রেশন পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কর্তৃপক্ষ।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে আখাউড়া ইমিগ্রেশনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশের চলমান পরিস্থিতিতে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী ও টকশোর আলোচকদের দেশত্যাগে অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা চলছে। এ কারণে আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন পুলিশের বাড়তি সতর্কতা নিয়েছে।
ভারতগামী পাসপোর্টধারী যাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাই-বাছাই করে ইমিগ্রেশন কাজ সম্পন্ন করে তবেই ভারত গমন করার অনুমতি দিচ্ছেন। সন্দেহ হলে তাঁকে ফেরত পাঠাচ্ছে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।
অপরদিকে সীমান্তে বিজিবি জওয়ানরাও নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছেন। বাড়তি সতর্কতার পাশাপাশি ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন।
ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে আসা ভারতগামী যাত্রী সাফকাত হোসেন, হবিগঞ্জের মাসুমবিল্লাহ ও এনায়েত হোসেনসহ একাধিক যাত্রী বলেন, তাঁরা ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে ভারত ভ্রমণে আখাউড়া ইমিগ্রেশনে আসেন। কিন্তু ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন খোঁজখবর নিয়ে তাঁদের যেতে দেয়নি। যদিও একই ভিসায় এ পথেই একাধিকবার ভারত গমন করেছেন।
কুমিল্লা থেকে আসা ভারতগামী যাত্রী মায়শারা জাহান চৌধুরী বলেন, ‘আমি কলকাতায় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছি। ছুটি শেষে বাবাকে সঙ্গে নিয়ে কলকাতায় যাওয়ার উদ্দেশে আখাউড়া ইমিগ্রেশনে আসলে আমাকে যেতে কোনো বাধা না দেওয়া হয়নি। কিন্তু আমার বাবা মুর্শেদ চৌধুরীর বিষয়ে অনেক যাচাই-বাছাই করা হয়।’
আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন ওসি খাইরুল আলম বলেন, বাংলাদেশ থেকে পাসপোর্ট ভিসাধারী ভারতগামীদের সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করার পরই অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে ইমিগ্রেশন ডেস্কে দায়িত্বশীল কর্মকর্তারাও অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে প্রতিটি পাসপোর্ট যাচাই করে ভারতে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ৬০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এম জাবেদ বিন জব্বার বলেন, সীমান্তে নিরাপত্তাব্যবস্থা বিজিবি জওয়ানরা সতর্কাবস্থায় রয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট সীমান্তপথে ভারতগামী যাত্রী পারাপারে বাড়তি সতর্কতা এবং সীমান্তে কঠোর নজরদারিতে রয়েছে ইমিগ্রেশন পুলিশ ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) কর্তৃপক্ষ।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে আখাউড়া ইমিগ্রেশনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশের চলমান পরিস্থিতিতে সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী ও টকশোর আলোচকদের দেশত্যাগে অঘোষিত নিষেধাজ্ঞা চলছে। এ কারণে আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন পুলিশের বাড়তি সতর্কতা নিয়েছে।
ভারতগামী পাসপোর্টধারী যাত্রীদের জিজ্ঞাসাবাদ ও যাচাই-বাছাই করে ইমিগ্রেশন কাজ সম্পন্ন করে তবেই ভারত গমন করার অনুমতি দিচ্ছেন। সন্দেহ হলে তাঁকে ফেরত পাঠাচ্ছে ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ।
অপরদিকে সীমান্তে বিজিবি জওয়ানরাও নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছেন। বাড়তি সতর্কতার পাশাপাশি ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছেন।
ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে আসা ভারতগামী যাত্রী সাফকাত হোসেন, হবিগঞ্জের মাসুমবিল্লাহ ও এনায়েত হোসেনসহ একাধিক যাত্রী বলেন, তাঁরা ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে ভারত ভ্রমণে আখাউড়া ইমিগ্রেশনে আসেন। কিন্তু ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন খোঁজখবর নিয়ে তাঁদের যেতে দেয়নি। যদিও একই ভিসায় এ পথেই একাধিকবার ভারত গমন করেছেন।
কুমিল্লা থেকে আসা ভারতগামী যাত্রী মায়শারা জাহান চৌধুরী বলেন, ‘আমি কলকাতায় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করছি। ছুটি শেষে বাবাকে সঙ্গে নিয়ে কলকাতায় যাওয়ার উদ্দেশে আখাউড়া ইমিগ্রেশনে আসলে আমাকে যেতে কোনো বাধা না দেওয়া হয়নি। কিন্তু আমার বাবা মুর্শেদ চৌধুরীর বিষয়ে অনেক যাচাই-বাছাই করা হয়।’
আখাউড়া আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন ওসি খাইরুল আলম বলেন, বাংলাদেশ থেকে পাসপোর্ট ভিসাধারী ভারতগামীদের সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ করার পরই অনুমতি দেওয়া হচ্ছে। এ ব্যাপারে ইমিগ্রেশন ডেস্কে দায়িত্বশীল কর্মকর্তারাও অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে প্রতিটি পাসপোর্ট যাচাই করে ভারতে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ ৬০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এম জাবেদ বিন জব্বার বলেন, সীমান্তে নিরাপত্তাব্যবস্থা বিজিবি জওয়ানরা সতর্কাবস্থায় রয়েছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে