নাসিরনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার স্বপন কুমার সরকার (৪৭)। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। একপর্যায়ে ধরা পড়ে তার দুটি কিডনিই বিকল। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করে যখন কিডনি মেলেনি। তখন এগিয়ে আসেন তার স্ত্রী মায়া রানী সরকার। নিজের কিডনি দিয়ে স্বামীর জীবন বাঁচালেন মায়া।
স্বপন কুমার সরকার উপজেলার পূর্বভাগ ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামের যদুমোহন সরকারের ছেলে। বর্তমানে স্বপন ও তাঁর স্ত্রী মায়া রানী সরকার ঢাকা কিডনি ফাউন্ডেশনে চিকিৎসা নিচ্ছেন। স্বামীর জন্য স্ত্রীর এমন ত্যাগ এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২২ বছর আগে বিয়ে হয় স্বপন-মায়া দম্পতির। বিয়ে করেছেন একে অপরকে ভালোবেসে। বর্তমানে তাঁদের রয়েছে দুই সন্তান। বড় ছেলে দীপ্ত সরকার (১৮) এ বছর এইচএসসি পাশ করেছে আর ছোট ছেলে শান্ত সরকার তৃতীয় শ্রেণিতে অধ্যয়নরত।
জানা যায়, স্বপন কুমার সরকার মেঘনা গ্রুপের একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরিকালে কিডনিতে সমস্যা ধরা পড়ে। পরীক্ষা করে জানত পারেন তাঁর দুটি কিডনি বিকল হয়ে পড়েছে। শুরু হয় ডায়ালাইসিস। দেশের বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসাসহ ভারতের চেন্নাইয়েও চিকিৎসা নেন। বেঁচে থাকতে হলে স্বপন সরকারের কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হবে বলে ডাক্তার পরামর্শ দেন। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও মেলেনি কিডনি। পরে স্বামীর জীবন বাঁচাতে নিজের একটি কিডনি দিয়ে দেন মায়া রানী। অবশেষে গত বুধবার তাঁদের কিডনি প্রতিস্থাপন হয়।
স্বপন সরকারের ভাই মৃণাল কান্তি সরকার বলেন, ‘আমার ভাইয়ের জীবন বাঁচাতে আমার বৌদি নিজের একটি কিডনি দিয়েছেন। এখন তারা হাসপাতালে সুস্থ আছেন। বৌদি স্বেচ্ছায় তাঁর স্বামীর জীবন বাঁচাতে কিডনি দিয়েছে। স্ত্রীর কিডনি দিয়ে স্বামীর প্রাণ বাঁচানোর ঘটনায় এলাকায় অনেকে ওই গৃহবধূর প্রশংসা করছেন।’
এ বিষয়ে উপজেলার পূর্বভাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আক্তার মিয়া বলেন, ‘এ ঘটনা আমিও শুনেছি। স্ত্রীর কিডনি দিয়ে স্বামীর প্রাণ বাঁচানো এটা আসলেই প্রশংসনীয় ব্যাপার। সচরাচর এমন ঘটনা আমাদের সমাজে লক্ষ্য করা যায় না।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার স্বপন কুমার সরকার (৪৭)। দীর্ঘদিন ধরে তিনি কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। একপর্যায়ে ধরা পড়ে তার দুটি কিডনিই বিকল। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ করে যখন কিডনি মেলেনি। তখন এগিয়ে আসেন তার স্ত্রী মায়া রানী সরকার। নিজের কিডনি দিয়ে স্বামীর জীবন বাঁচালেন মায়া।
স্বপন কুমার সরকার উপজেলার পূর্বভাগ ইউনিয়নের শ্যামপুর গ্রামের যদুমোহন সরকারের ছেলে। বর্তমানে স্বপন ও তাঁর স্ত্রী মায়া রানী সরকার ঢাকা কিডনি ফাউন্ডেশনে চিকিৎসা নিচ্ছেন। স্বামীর জন্য স্ত্রীর এমন ত্যাগ এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২২ বছর আগে বিয়ে হয় স্বপন-মায়া দম্পতির। বিয়ে করেছেন একে অপরকে ভালোবেসে। বর্তমানে তাঁদের রয়েছে দুই সন্তান। বড় ছেলে দীপ্ত সরকার (১৮) এ বছর এইচএসসি পাশ করেছে আর ছোট ছেলে শান্ত সরকার তৃতীয় শ্রেণিতে অধ্যয়নরত।
জানা যায়, স্বপন কুমার সরকার মেঘনা গ্রুপের একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরিকালে কিডনিতে সমস্যা ধরা পড়ে। পরীক্ষা করে জানত পারেন তাঁর দুটি কিডনি বিকল হয়ে পড়েছে। শুরু হয় ডায়ালাইসিস। দেশের বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসাসহ ভারতের চেন্নাইয়েও চিকিৎসা নেন। বেঁচে থাকতে হলে স্বপন সরকারের কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হবে বলে ডাক্তার পরামর্শ দেন। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও মেলেনি কিডনি। পরে স্বামীর জীবন বাঁচাতে নিজের একটি কিডনি দিয়ে দেন মায়া রানী। অবশেষে গত বুধবার তাঁদের কিডনি প্রতিস্থাপন হয়।
স্বপন সরকারের ভাই মৃণাল কান্তি সরকার বলেন, ‘আমার ভাইয়ের জীবন বাঁচাতে আমার বৌদি নিজের একটি কিডনি দিয়েছেন। এখন তারা হাসপাতালে সুস্থ আছেন। বৌদি স্বেচ্ছায় তাঁর স্বামীর জীবন বাঁচাতে কিডনি দিয়েছে। স্ত্রীর কিডনি দিয়ে স্বামীর প্রাণ বাঁচানোর ঘটনায় এলাকায় অনেকে ওই গৃহবধূর প্রশংসা করছেন।’
এ বিষয়ে উপজেলার পূর্বভাগ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আক্তার মিয়া বলেন, ‘এ ঘটনা আমিও শুনেছি। স্ত্রীর কিডনি দিয়ে স্বামীর প্রাণ বাঁচানো এটা আসলেই প্রশংসনীয় ব্যাপার। সচরাচর এমন ঘটনা আমাদের সমাজে লক্ষ্য করা যায় না।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে