কসবা (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌর আওয়ামী লীগের নবগঠিত কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী সভাপতির পদ পেয়েছেন। কমিটির প্রচারপত্রে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম সরকারকে সভাপতি এবং ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মো. রুস্তম খাঁকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা করা হয়েছে। যদিও শফিকুল ইসলাম ছিলেন সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী।
আজ শনিবার দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নবগঠিত কমিটি প্রকাশ করা হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে নেতা-কর্মীদের অনেকেই নবগঠিত কমিটি সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করছেন। তাঁরা বলছেন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম সরকার সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েও সভাপতি পদ পেলেন। একেই বলে ভাগ্য!
এদিকে আইনমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী মো. আলাউদ্দিন বাবু কসবা পৌর আওয়ামী লীগের নবগঠিত কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দিয়েছেন। পোস্টে অনুমোদনপত্রও প্রকাশ করেছেন তিনি।
গত ১ এপ্রিল কসবা পৌর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন কসবা টি. আলী ডিগ্রি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন কসবা উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এমপি। ওই সভায় পৌর আওয়ামী লীগের কমিটি গঠনে আইনমন্ত্রীর ওপর দায়িত্ব ন্যস্ত করা হয়। দীর্ঘ ১ মাস ৬ দিন পর আজ দুপুরে নবগঠিত কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়।
সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে ১০ জন এবং সভাপতি পদে ৪ জন প্রার্থী ছিলেন। তবে নবগঠিত কমিটির সভাপতি হয়েছেন মো. শফিকুল ইসলাম। যদিও কসবা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারীদের তালিকায় ৪ নম্বরে দেখা যাচ্ছে মো. শফিকুল ইসলামের নাম।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পৌর আওয়ামী লীগের নির্বাচন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ভজন শংকর আচার্য বলেন, ‘পৌর আওয়ামী লীগের কমিটি নির্ধারণের জন্য উপজেলার নেতৃবৃন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এমপির ওপর দায়িত্ব ন্যস্ত করা হয়েছিল। তিনি দলের অভিভাবক হিসেবে এবং তাঁর অভিজ্ঞতা থেকে পর্যালোচনা করে এই কমিটি ঘোষণা করেছেন। আমি আইনমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা পৌর আওয়ামী লীগের নবগঠিত কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী সভাপতির পদ পেয়েছেন। কমিটির প্রচারপত্রে উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম সরকারকে সভাপতি এবং ছাত্রলীগের সাবেক নেতা মো. রুস্তম খাঁকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা করা হয়েছে। যদিও শফিকুল ইসলাম ছিলেন সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী।
আজ শনিবার দুপুরে উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে নবগঠিত কমিটি প্রকাশ করা হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে নেতা-কর্মীদের অনেকেই নবগঠিত কমিটি সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করছেন। তাঁরা বলছেন, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. শফিকুল ইসলাম সরকার সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েও সভাপতি পদ পেলেন। একেই বলে ভাগ্য!
এদিকে আইনমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী মো. আলাউদ্দিন বাবু কসবা পৌর আওয়ামী লীগের নবগঠিত কমিটিকে অভিনন্দন জানিয়ে ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দিয়েছেন। পোস্টে অনুমোদনপত্রও প্রকাশ করেছেন তিনি।
গত ১ এপ্রিল কসবা পৌর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলন কসবা টি. আলী ডিগ্রি কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে পৌর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন কসবা উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এমপি। ওই সভায় পৌর আওয়ামী লীগের কমিটি গঠনে আইনমন্ত্রীর ওপর দায়িত্ব ন্যস্ত করা হয়। দীর্ঘ ১ মাস ৬ দিন পর আজ দুপুরে নবগঠিত কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নাম ঘোষণা করা হয়।
সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে ১০ জন এবং সভাপতি পদে ৪ জন প্রার্থী ছিলেন। তবে নবগঠিত কমিটির সভাপতি হয়েছেন মো. শফিকুল ইসলাম। যদিও কসবা পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে মনোনয়নপত্র সংগ্রহকারীদের তালিকায় ৪ নম্বরে দেখা যাচ্ছে মো. শফিকুল ইসলামের নাম।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পৌর আওয়ামী লীগের নির্বাচন প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ভজন শংকর আচার্য বলেন, ‘পৌর আওয়ামী লীগের কমিটি নির্ধারণের জন্য উপজেলার নেতৃবৃন্দ উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক ও আইনমন্ত্রী আনিসুল হক এমপির ওপর দায়িত্ব ন্যস্ত করা হয়েছিল। তিনি দলের অভিভাবক হিসেবে এবং তাঁর অভিজ্ঞতা থেকে পর্যালোচনা করে এই কমিটি ঘোষণা করেছেন। আমি আইনমন্ত্রীর সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে