মনজুরুল ইসলাম, ঢাকা

প্রায় দুই যুগ অযত্নে পড়ে থাকা বগুড়া বিমানবন্দরটি বাণিজ্যিকভাবে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য অর্থও বরাদ্দ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রথম ধাপে নতুন করে রানওয়ে নির্মাণের জন্য এরই মধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, যাত্রীদের চাহিদা থাকলেও শুধু রাজনৈতিক কারণে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সম্ভাবনাময় এই বিমানবন্দর বাণিজ্যিকভাবে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সূত্র জানায়, বগুড়া বিমানবন্দর বাণিজ্যিকভাবে চালুর কথা থাকলেও দীর্ঘদিন এটি শুধু বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। চাহিদা ও সম্ভাবনা বিবেচনায় বেবিচক এই বিমানবন্দর যাত্রীবাহী ও বাণিজ্যিক
বিমান চলাচলের জন্য প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছে। ভবিষ্যতে বিমানবন্দরটিকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করারও পরিকল্পনা রয়েছে।
সূত্র জানায়, বর্তমানে বগুড়া বিমানবন্দরের রানওয়ের দৈর্ঘ্য ৩ হাজার ফুট। এই রানওয়ে ছোট আকারের প্রশিক্ষণ উড়োজাহাজ উড্ডয়ন-অবতরণের উপযোগী। আন্তর্জাতিক মানের করতে বিমানবন্দরটি চার ধাপে আধুনিকীকরণ হবে। এ জন্য আরও ৫৫০ একর জমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। সংস্কারকাজে ব্যয় হবে প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা। তবে প্রথম পর্যায়ে রানওয়েটি ৬ হাজার ফুট পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হবে, যা পরে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে উন্নীত হবে। এটি হলে পার্শ্ববর্তী দেশ নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসার প্রধান হাব হবে বগুড়া।
বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া বলেন, বগুড়া বিমানবন্দরের রানওয়ে নির্মাণে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এরই মধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। সব প্রক্রিয়া শেষে বিমানবন্দরটিতে বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ চলাচলের উপযোগী করে রানওয়ে নির্মাণের কাজ শুরু হবে।
জানা যায়, বগুড়া বিমানবন্দর স্থাপনের জন্য প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল ১৯৮৭ সালে। তবে বিভিন্ন জটিলতায় তা অগ্রসর হতে পারেনি। ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় আসা বিএনপি সরকারের শেষ দিকে বগুড়ায় বিমানবন্দর নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ১৯৯৫ সালে ১০৯ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয় এবং ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। এরপর ২০০০ সালে রানওয়ে, অফিস ভবন, কর্মকর্তাদের আবাসিক ভবনসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়। তবে বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ চলাচল শুরু না হওয়ায় প্রকল্পটি একরকম অচল হয়ে পড়ে। ২০০৫ সালে বিমানবন্দরটি বিমানবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে বিমানবাহিনী সেখানে ফ্লাইং ইনস্ট্রাক্টরস স্কুল গড়ে তোলে।
বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির তথ্য বলছে, রাজধানী ঢাকা থেকে বগুড়ায় সড়কপথে আসতে কখনো কখনো ৮-১০ ঘণ্টা লেগে যায়। বিমানবন্দর চালু হলে কম সময়ে যাতায়াত করা যাবে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ হবে, যা সরকারের রাজস্বও বাড়াবে। এ ছাড়া বগুড়া শহরের পাশেই ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়সহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান রয়েছে; যা বিদেশি পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয়। তাই বগুড়া বিমানবন্দর চালু হলে পর্যটন খাতও বিকশিত হবে।
সূত্র জানায়, গত মাসে (জানুয়ারি) বগুড়া বিমানবন্দর পরিদর্শন করে বেবিচক। সে সময় বিমানবাহিনীর প্রধান, বেবিচকের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সরেজমিন বিমানবন্দরটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে বিমানবন্দরটি চালুর বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা আসে।

প্রায় দুই যুগ অযত্নে পড়ে থাকা বগুড়া বিমানবন্দরটি বাণিজ্যিকভাবে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য অর্থও বরাদ্দ দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। প্রথম ধাপে নতুন করে রানওয়ে নির্মাণের জন্য এরই মধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, যাত্রীদের চাহিদা থাকলেও শুধু রাজনৈতিক কারণে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সম্ভাবনাময় এই বিমানবন্দর বাণিজ্যিকভাবে চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সূত্র জানায়, বগুড়া বিমানবন্দর বাণিজ্যিকভাবে চালুর কথা থাকলেও দীর্ঘদিন এটি শুধু বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান উড্ডয়ন ও অবতরণের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। চাহিদা ও সম্ভাবনা বিবেচনায় বেবিচক এই বিমানবন্দর যাত্রীবাহী ও বাণিজ্যিক
বিমান চলাচলের জন্য প্রস্তুত করার উদ্যোগ নিয়েছে। ভবিষ্যতে বিমানবন্দরটিকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করারও পরিকল্পনা রয়েছে।
সূত্র জানায়, বর্তমানে বগুড়া বিমানবন্দরের রানওয়ের দৈর্ঘ্য ৩ হাজার ফুট। এই রানওয়ে ছোট আকারের প্রশিক্ষণ উড়োজাহাজ উড্ডয়ন-অবতরণের উপযোগী। আন্তর্জাতিক মানের করতে বিমানবন্দরটি চার ধাপে আধুনিকীকরণ হবে। এ জন্য আরও ৫৫০ একর জমি অধিগ্রহণের পরিকল্পনা রয়েছে। সংস্কারকাজে ব্যয় হবে প্রায় ১ হাজার ২০০ কোটি টাকা। তবে প্রথম পর্যায়ে রানওয়েটি ৬ হাজার ফুট পর্যন্ত সম্প্রসারণ করা হবে, যা পরে পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর হিসেবে উন্নীত হবে। এটি হলে পার্শ্ববর্তী দেশ নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশের ব্যবসার প্রধান হাব হবে বগুড়া।
বেবিচকের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া বলেন, বগুড়া বিমানবন্দরের রানওয়ে নির্মাণে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে সরকার। এরই মধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। সব প্রক্রিয়া শেষে বিমানবন্দরটিতে বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ চলাচলের উপযোগী করে রানওয়ে নির্মাণের কাজ শুরু হবে।
জানা যায়, বগুড়া বিমানবন্দর স্থাপনের জন্য প্রথম উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল ১৯৮৭ সালে। তবে বিভিন্ন জটিলতায় তা অগ্রসর হতে পারেনি। ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় আসা বিএনপি সরকারের শেষ দিকে বগুড়ায় বিমানবন্দর নির্মাণের নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ১৯৯৫ সালে ১০৯ একর জমি অধিগ্রহণ করা হয় এবং ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। এরপর ২০০০ সালে রানওয়ে, অফিস ভবন, কর্মকর্তাদের আবাসিক ভবনসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করা হয়। তবে বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ চলাচল শুরু না হওয়ায় প্রকল্পটি একরকম অচল হয়ে পড়ে। ২০০৫ সালে বিমানবন্দরটি বিমানবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। পরে বিমানবাহিনী সেখানে ফ্লাইং ইনস্ট্রাক্টরস স্কুল গড়ে তোলে।
বগুড়া চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির তথ্য বলছে, রাজধানী ঢাকা থেকে বগুড়ায় সড়কপথে আসতে কখনো কখনো ৮-১০ ঘণ্টা লেগে যায়। বিমানবন্দর চালু হলে কম সময়ে যাতায়াত করা যাবে। এতে ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ হবে, যা সরকারের রাজস্বও বাড়াবে। এ ছাড়া বগুড়া শহরের পাশেই ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়সহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান রয়েছে; যা বিদেশি পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয়। তাই বগুড়া বিমানবন্দর চালু হলে পর্যটন খাতও বিকশিত হবে।
সূত্র জানায়, গত মাসে (জানুয়ারি) বগুড়া বিমানবন্দর পরিদর্শন করে বেবিচক। সে সময় বিমানবাহিনীর প্রধান, বেবিচকের চেয়ারম্যানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সরেজমিন বিমানবন্দরটি পরিদর্শন করেন। পরিদর্শন শেষে বিমানবন্দরটি চালুর বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা আসে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে