শাজাহানপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মানিকদীপা গ্রামের ফসলি জমির ভেতরে একটি লাউয়ের মাচার নিচ থেকে অজ্ঞাত কিশোরের (৮) মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার সকালে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, আজ সকালে জমিতে কাজ করতে গিয়ে স্থানীয় কৃষকেরা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। মরদেহের শরীরে মেটে রঙের পাঞ্জাবি, নীল রঙের জিন্সপ্যান্ট ও কালো রঙের প্লাস্টিকের স্যান্ডেল রয়েছে। মরদেহের সঙ্গে বর্ণিল টুপিও ছিল। যেটি মাচার একটি খুঁটির ওপরে ঝুলন্ত অবস্থায় পেয়েছে পুলিশ।
থানা-পুলিশের পাশাপাশি পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট এবং গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বগুড়া পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। পরিচয় নিশ্চিত করতে বেলা ২টা পর্যন্ত মরদেহ সেখানেই রাখা হয়েছিল।
ওই গ্রামের বাসিন্দা ব্যবসায়ী রেজাউল করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, আজ সকালে স্থানীয় কৃষকেরা জমিতে কাজ করতে গিয়ে মরদেহ দেখতে পান। মরদেহটি মাচার খুঁটির সঙ্গে গলায় নতুন রশি প্যাঁচানো অবস্থায় ছিল। অসংখ্য মানুষ মরদেহ দেখতে আসেন। এই গ্রামে এমন ঘটনা এটাই প্রথম।
ঘটনাস্থলে থাকা থানার এসআই আরিফ আজকের পত্রিকাকে বলেন, পোশাক দেখে ধারণা করা হচ্ছে, সে কোনো মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ছিল। তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হতে পারে। মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেলে হত্যার জট খুলবে। পরিচয় শনাক্তে আমরা সব ধরনের চেষ্টা করছি।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বগুড়া পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী আজকের পত্রিকাকে বলেন, হত্যার সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক না কেন তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। থানা-পুলিশের পাশাপাশি পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট কাজ করছে। আসামিদের ধরতে সব ধরনের চেষ্টা করবে পুলিশ।

বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মানিকদীপা গ্রামের ফসলি জমির ভেতরে একটি লাউয়ের মাচার নিচ থেকে অজ্ঞাত কিশোরের (৮) মরদেহ উদ্ধার করেছে থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার সকালে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, আজ সকালে জমিতে কাজ করতে গিয়ে স্থানীয় কৃষকেরা মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। গলায় রশি পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। মরদেহের শরীরে মেটে রঙের পাঞ্জাবি, নীল রঙের জিন্সপ্যান্ট ও কালো রঙের প্লাস্টিকের স্যান্ডেল রয়েছে। মরদেহের সঙ্গে বর্ণিল টুপিও ছিল। যেটি মাচার একটি খুঁটির ওপরে ঝুলন্ত অবস্থায় পেয়েছে পুলিশ।
থানা-পুলিশের পাশাপাশি পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট এবং গোয়েন্দা সংস্থার লোকজন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বগুড়া পুলিশ সুপার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এ সময় উপস্থিত লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। পরিচয় নিশ্চিত করতে বেলা ২টা পর্যন্ত মরদেহ সেখানেই রাখা হয়েছিল।
ওই গ্রামের বাসিন্দা ব্যবসায়ী রেজাউল করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, আজ সকালে স্থানীয় কৃষকেরা জমিতে কাজ করতে গিয়ে মরদেহ দেখতে পান। মরদেহটি মাচার খুঁটির সঙ্গে গলায় নতুন রশি প্যাঁচানো অবস্থায় ছিল। অসংখ্য মানুষ মরদেহ দেখতে আসেন। এই গ্রামে এমন ঘটনা এটাই প্রথম।
ঘটনাস্থলে থাকা থানার এসআই আরিফ আজকের পত্রিকাকে বলেন, পোশাক দেখে ধারণা করা হচ্ছে, সে কোনো মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ছিল। তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হতে পারে। মরদেহের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেলে হত্যার জট খুলবে। পরিচয় শনাক্তে আমরা সব ধরনের চেষ্টা করছি।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বগুড়া পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী আজকের পত্রিকাকে বলেন, হত্যার সঙ্গে যেই জড়িত থাকুক না কেন তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। থানা-পুলিশের পাশাপাশি পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট কাজ করছে। আসামিদের ধরতে সব ধরনের চেষ্টা করবে পুলিশ।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
২ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩ ঘণ্টা আগে