বগুড়ার ধুনট উপজেলার আড়িয়ামারা খালের পানিতে তলিয়ে নিখোঁজ হওয়া মারজিয়া খাতুন (৬) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর আজ রোববার সকালে খালের পানিতে ভেসে ওঠে তার মরদেহ।
নিহত মারজিয়া খাতুন উপজেলার এলাঙ্গী ইউনিয়নের নবীনগর গ্রামের মিজানুর রহমানের মেয়ে।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নবীনগর এলাকার আড়িয়ামারা খালের দাবুর বাড়ি ঘাটে অন্য শিশুদের সঙ্গে খেলছিল মারজিয়া। একপর্যায়ে সে পানিতে নামলে সাঁতার না জানায় খালের প্রবল স্রোতে তলিয়ে গিয়ে নিখোঁজ হয়। ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন তাৎক্ষণিকভাবে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে ফায়ার সার্ভিস ও রাজশাহী থেকে আসা একটি ডুবুরি দল বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত উদ্ধার অভিযান চালালেও শিশুটির সন্ধান মেলেনি।
অবশেষে রোববার সকাল ১০টার দিকে নিখোঁজ হওয়ার স্থান থেকে কিছুটা দূরে বথুয়াবাড়ী এলাকায় খালের পানিতে মারজিয়ার মরদেহ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা উদ্ধার করেন।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, নিখোঁজ হওয়ার পর থেকেই ফায়ার সার্ভিস, ডুবুরি দল ও স্থানীয়রা উদ্ধার তৎপরতা চালিয়েছিল। তবে শনিবার তাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। রোববার সকালে খাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

‘বড় ছাওয়াল গেছে সাত বছর হচ্ছে, আর মেজো ছাওয়াল গেছে দুই বছর। কোনোদিনও ছুটিতে আসেনি। ছাওয়ালটা বলছিল, “মা, কষ্ট করে খেয়ে দেনা শোধ করছি কেবল। বাড়ির কাজটা শুরু করছি, বাড়ি এসে বিল্ডিংয়ের কাজটা শেষ করব।” আমার বাবার আর বাড়ি আসা হলো না। কী সর্বনাশ হলো বাবা আমার।’
৪ ঘণ্টা আগে
নরসিংদীর রায়পুরায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সেচপাম্পের দুটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। ১৬ দিন ধরে এতে প্রায় ২০০ বিঘা জমিতে সেচ দেওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। আমনের মৌসুমে জমিতে পানি দিতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন শতাধিক কৃষক। দ্রুত ট্রান্সফরমার দুটি প্রতিস্থাপন এবং চোরদের শনাক্ত করে আইনের
৪ ঘণ্টা আগে
ভরা বর্ষায় নদ-নদী পানিতে টইটম্বুর, নেই ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞাও। তবু বরিশালে নদ-নদীগুলোতে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত রুপালি ইলিশ। যা ধরা পড়ছে, তার বেশির ভাগই ছোট; দামও চড়া। মৎস্য বিভাগের তথ্যেও মিলছে উৎপাদন কমার চিত্র। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইলিশের উৎপাদন কমার পেছনে এবার চারটি কারণ গুরুত্বপূর্ণ—নদী থেকে সাগর পর্যন্
৪ ঘণ্টা আগে
মাদক সেবনের পর শুভ্র অস্বাভাবিক আচরণ করতেন এবং বিভিন্ন সময় পরিবারের সদস্য ও অন্যদের মারধর করতেন। মাদক না পেলে নিজের শরীরেও আঘাত করে রক্তাক্ত করতেন। তাঁর আচরণে পরিবারের সদস্যরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন। এ কারণে প্রায় দুই মাস ধরে তাঁকে ঘরের একটি কক্ষে শিকলে বেঁধে তালাবদ্ধ করে রাখা হতো।
৬ ঘণ্টা আগে