বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়া-৪ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম ভোট কারচুপির যে অভিযোগ এনেছেন তা খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। আজ বৃহস্পতিবার সিইসি টেলিফোন করে এই নির্দেশনা দিয়েছেন বলে বগুড়ার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপনির্বাচনে সহকারী রিটার্নিং অফিসার মাহমুদ হাসান জানান।
মাহমুদ হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, সিইসি টেলিফোনে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। ইতিমধ্যে নন্দীগ্রাম উপজেলার ৪৯টি ভোটকেন্দ্রে ইভিএম মেশিনের ফলাফল পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। তাতে ফলাফল পাল্টানোর কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
‘তবে প্রার্থী চাইলে ফলাফল নিয়ে যাচাই করে দেখতে পারেন।’
বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনে উপনির্বাচনে ১০টি কেন্দ্রের ফলাফল পাল্টানোর অভিযোগ এনে গতকাল বুধবার রাতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলম গণমাধ্যমে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা নির্বাচন কমিশনের নজরে আসার পর এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম কাহালু উপজেলার ফলাফলে এগিয়ে থাকলেও নন্দীগ্রাম উপজেলার ১০টি ভোট কেন্দ্রে ৮৩৪ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। এই আসনে জাসদ প্রার্থী এ কে এম রেজাউল করিম তানসেনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
আজ দুপুরে হিরো আলম বগুড়া জেলা নির্বাচন অফিসে এসে বলেন, ‘আমি এখানে এসেছি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ওঠাতে। আমি হাইকোর্টে রিট করবে। রিটার্নিং অফিসারের ওপর আমার আস্থা নাই। রিটার্নিং অফিসারের ঘোষণা করা ফলাফল আমি মানি না।’
হিরো আলম আরও বলেন, ‘আমি হাইকোর্টের আদেশে নির্বাচন করতে পেরেছি। ফলাফল নিয়েও বিচার চাইব হাইকোর্টের কাছে। আদালত ছাড়া আর কারও ওপর আস্থা নেই আমার।’
এদিকে নির্বাচনের পরপরই ভোট গণনায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে বগুড়া-৪ ও ৬ আসনের উপনির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন হিরো আলম বলেন, ‘ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু দেখেছি। কিন্তু ফলাফলের জায়গায় গন্ডগোল করেছে; ভোটের ফলাফল পাল্টে দিয়েছে। আমি আদালতে যাব।’
এ সময় সাংবাদিকদের হিরো আলম অভিযোগ করে বলেন, ‘সবাই বলেছেন, আপনি পাস করেছেন। ভোটাররাও ভোট দিয়েছেন। আমার এত ভোট গেল কই? ফলাফল ঘোষণা হওয়ার আগেই আওয়ামী লীগের লোকজন বলছে, মশাল জিতে গেছে; এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি।...আওয়ামী লীগের লোকজনও আমাকে ভোট দিয়েছেন। দল নয়, আমাকে ভালোবেসে ভোট দিয়েছেন। ওই ভোটগুলো গেল কই? এই ফলাফল আমি মানি না।’
এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘কিছু কিছু শিক্ষিত লোক আমাকে মেনে নিতে চায় না। তারা ভাবে আমি পাস করলে দেশের সম্মান যাবে, অনেকের সম্মান যাবে। অফিসারদের লজ্জা যে—হিরো আলমেে “স্যার” বলে সম্বোধন করতে হবে। তাই আমাকে জিততে দেওয়া হয়নি।’
এর আগে গতকাল বগুড়া-৪ আসনের উপনির্বাচনে মহাজোট সমর্থিত জাসদের প্রার্থী রেজাউল করিম তানসেনের কাছে ৮৩৪ ভোটের ব্য্যবধানে হেরে যান। নির্বাচনে হিরো আলম পান ১৯ হাজার ৫৭১ ভোট। আর রেজাউল করিম তানসেন পান ২০ হাজার ৪০৫ ভোট।
যদিও নির্বাচন চলাকালে হিরো আলম জয়ের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে আমার জয়লাভের ব্যাপক সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আমি নির্বাচনী এলাকায় কাজ করছি।’
আরও পড়ুন:

বগুড়া-৪ আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম ভোট কারচুপির যে অভিযোগ এনেছেন তা খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল। আজ বৃহস্পতিবার সিইসি টেলিফোন করে এই নির্দেশনা দিয়েছেন বলে বগুড়ার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও উপনির্বাচনে সহকারী রিটার্নিং অফিসার মাহমুদ হাসান জানান।
মাহমুদ হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, সিইসি টেলিফোনে বিষয়টি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন। ইতিমধ্যে নন্দীগ্রাম উপজেলার ৪৯টি ভোটকেন্দ্রে ইভিএম মেশিনের ফলাফল পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। তাতে ফলাফল পাল্টানোর কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।
‘তবে প্রার্থী চাইলে ফলাফল নিয়ে যাচাই করে দেখতে পারেন।’
বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনে উপনির্বাচনে ১০টি কেন্দ্রের ফলাফল পাল্টানোর অভিযোগ এনে গতকাল বুধবার রাতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলম গণমাধ্যমে যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা নির্বাচন কমিশনের নজরে আসার পর এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম কাহালু উপজেলার ফলাফলে এগিয়ে থাকলেও নন্দীগ্রাম উপজেলার ১০টি ভোট কেন্দ্রে ৮৩৪ ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন। এই আসনে জাসদ প্রার্থী এ কে এম রেজাউল করিম তানসেনকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়।
আজ দুপুরে হিরো আলম বগুড়া জেলা নির্বাচন অফিসে এসে বলেন, ‘আমি এখানে এসেছি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ওঠাতে। আমি হাইকোর্টে রিট করবে। রিটার্নিং অফিসারের ওপর আমার আস্থা নাই। রিটার্নিং অফিসারের ঘোষণা করা ফলাফল আমি মানি না।’
হিরো আলম আরও বলেন, ‘আমি হাইকোর্টের আদেশে নির্বাচন করতে পেরেছি। ফলাফল নিয়েও বিচার চাইব হাইকোর্টের কাছে। আদালত ছাড়া আর কারও ওপর আস্থা নেই আমার।’
এদিকে নির্বাচনের পরপরই ভোট গণনায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে বগুড়া-৪ ও ৬ আসনের উপনির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেন হিরো আলম বলেন, ‘ভোটের পরিবেশ সুষ্ঠু দেখেছি। কিন্তু ফলাফলের জায়গায় গন্ডগোল করেছে; ভোটের ফলাফল পাল্টে দিয়েছে। আমি আদালতে যাব।’
এ সময় সাংবাদিকদের হিরো আলম অভিযোগ করে বলেন, ‘সবাই বলেছেন, আপনি পাস করেছেন। ভোটাররাও ভোট দিয়েছেন। আমার এত ভোট গেল কই? ফলাফল ঘোষণা হওয়ার আগেই আওয়ামী লীগের লোকজন বলছে, মশাল জিতে গেছে; এখন শুধু আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বাকি।...আওয়ামী লীগের লোকজনও আমাকে ভোট দিয়েছেন। দল নয়, আমাকে ভালোবেসে ভোট দিয়েছেন। ওই ভোটগুলো গেল কই? এই ফলাফল আমি মানি না।’
এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘কিছু কিছু শিক্ষিত লোক আমাকে মেনে নিতে চায় না। তারা ভাবে আমি পাস করলে দেশের সম্মান যাবে, অনেকের সম্মান যাবে। অফিসারদের লজ্জা যে—হিরো আলমেে “স্যার” বলে সম্বোধন করতে হবে। তাই আমাকে জিততে দেওয়া হয়নি।’
এর আগে গতকাল বগুড়া-৪ আসনের উপনির্বাচনে মহাজোট সমর্থিত জাসদের প্রার্থী রেজাউল করিম তানসেনের কাছে ৮৩৪ ভোটের ব্য্যবধানে হেরে যান। নির্বাচনে হিরো আলম পান ১৯ হাজার ৫৭১ ভোট। আর রেজাউল করিম তানসেন পান ২০ হাজার ৪০৫ ভোট।
যদিও নির্বাচন চলাকালে হিরো আলম জয়ের সম্ভাবনার কথা জানিয়েছিলেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে আমার জয়লাভের ব্যাপক সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আমি নির্বাচনী এলাকায় কাজ করছি।’
আরও পড়ুন:

কক্সবাজারের মহেশখালীর মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎকেন্দ্রের ভাগাড়ে আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিটসহ প্রকল্পের নিজস্ব ইউনিটের কর্মীরা। তবে এ ঘটনায় ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তাৎক্ষণিক জানাতে পারেননি সংশ্লিষ্টরা।
১০ মিনিট আগে
খুলনার পূর্ব রূপসায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত বাছেদ বিকুলের ভাড়া বাসা থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করেছে পুলিশ। এদিকে বিকুলের মায়ের করা মামলায় ট্যারা হেলালকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। আজ সোমবার বিকেলে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। গ্রেপ্তার ট্যারা হেলাল উপজেলার রামনগর গ্রামের...
৩০ মিনিট আগে
বরগুনার পাথরঘাটায় জামায়াতে ইসলামীর এক নেতার পা ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বিএনপি কর্মীর বিরুদ্ধে। আজ সোমবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার পাথরঘাটা সদর ইউনিয়নের হাড়িটানা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
ইনকিলাব মঞ্চের প্রয়াত মুখপাত্র শরিফ ওসমান বিন হাদির বোন মাসুমা আক্তার বলেছেন, আওয়ামী লীগের আমলে দেশ মেধাশূন্য হয়ে গিয়েছিল। তখন একটি জরিপে দেখা গিয়েছিল, মেধাবীরা দেশ ছেড়ে বিদেশে পাড়ি দিতেই বেশি আগ্রহী।
১ ঘণ্টা আগে