বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সোনাতলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গত তিন সপ্তাহ ধরে নিরুদ্দেশ রয়েছেন। গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে চেয়ারম্যান মিনহাদুজ্জামান লিটন উপজেলা পরিষদে যাচ্ছেন না। কেউ তাঁকে খুঁজেও পাচ্ছে না। তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলছেন, ‘উপজেলা চেয়ারম্যান কোথায় আছেন আমিও জানি না। তবে শুনেছি তিনি আমেরিকা যেতে পারেন।’
সোনাতলা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি জাকির হোসেন বলেন, পরিষদের কাউকে না জানিয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান অনুপস্থিত। এত দিনে তাঁকে সোনাতলার কোথাও দেখা যায়নি।
তিনি বলেন, ‘গত বছর চেয়ারম্যান এক মাসের ছুটি নিয়ে দেশের বাইরে গিয়েছিলেন। সেই সময় মন্ত্রণালয় থেকে আমাকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এবার তিনি ছুটি নেননি এমনকি পরিষদের কাউকে কিছু জানাননি।’
উপজেলা চেয়ারম্যান মিনহাদুজ্জামান লিটনের বড় ভাই ও সোনাতলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাইদুজ্জামান স্বপন বলেন, ‘আমাকেও কিছু জানাননি লিটন।’
মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে কোথায় যেতে পারেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। এ কারণে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছি না।’
লিটনের স্ত্রী জহুরা খাতুন জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনিও ফোন রিসিভ করেননি।
সোনাতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাবেয়া আফসার সাময়া বলেন, ‘উপজেলা চেয়ারম্যান আমাকেও কিছু জানাননি। তবে তিনি আমেরিকা গেছেন বলে শুনেছি।’ চেয়ারম্যান না থাকায় পরিষদের কাজের তেমন সমস্যা হচ্ছে না বলে ইউএনও জানান।

বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও সোনাতলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গত তিন সপ্তাহ ধরে নিরুদ্দেশ রয়েছেন। গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে চেয়ারম্যান মিনহাদুজ্জামান লিটন উপজেলা পরিষদে যাচ্ছেন না। কেউ তাঁকে খুঁজেও পাচ্ছে না। তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলছেন, ‘উপজেলা চেয়ারম্যান কোথায় আছেন আমিও জানি না। তবে শুনেছি তিনি আমেরিকা যেতে পারেন।’
সোনাতলা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি জাকির হোসেন বলেন, পরিষদের কাউকে না জানিয়ে গত ২২ সেপ্টেম্বর থেকে উপজেলা চেয়ারম্যান অনুপস্থিত। এত দিনে তাঁকে সোনাতলার কোথাও দেখা যায়নি।
তিনি বলেন, ‘গত বছর চেয়ারম্যান এক মাসের ছুটি নিয়ে দেশের বাইরে গিয়েছিলেন। সেই সময় মন্ত্রণালয় থেকে আমাকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এবার তিনি ছুটি নেননি এমনকি পরিষদের কাউকে কিছু জানাননি।’
উপজেলা চেয়ারম্যান মিনহাদুজ্জামান লিটনের বড় ভাই ও সোনাতলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাইদুজ্জামান স্বপন বলেন, ‘আমাকেও কিছু জানাননি লিটন।’
মোবাইল ফোন বন্ধ রেখে কোথায় যেতে পারেন? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ নেই। এ কারণে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছি না।’
লিটনের স্ত্রী জহুরা খাতুন জামানের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনিও ফোন রিসিভ করেননি।
সোনাতলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাবেয়া আফসার সাময়া বলেন, ‘উপজেলা চেয়ারম্যান আমাকেও কিছু জানাননি। তবে তিনি আমেরিকা গেছেন বলে শুনেছি।’ চেয়ারম্যান না থাকায় পরিষদের কাজের তেমন সমস্যা হচ্ছে না বলে ইউএনও জানান।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে