গনেশ দাস, বগুড়া

শুষ্ক মৌসুমে পানিশূন্য থাকে বগুড়ার অধিকাংশ নদী। এ সময় নদীর বুকজুড়ে চাষ করা হয় বিভিন্ন ফসল। গতিপথ পরিবর্তন করতে শুরু করেছে যমুনাও। এর বুকে জেগে উঠেছে অসংখ্য বালুচর। সেখানেও চাষ করা হচ্ছে বিভিন্ন ফসল। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বলছে, বগুড়ার নদী ও খালগুলোতে পানি ধরে রাখতে খননকাজ শুরু করা হয়েছে। বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, ৫০০ বছর আগে জেলায় নদী ছিল ১০০টি। বর্তমানে ২৩টি নদী বলা হলেও বাস্তবে আছে ১৮টি।
পাউবো বলছে, ৫০ বছর আগে যমুনা নদী বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলা থেকে ৪৫ কিলোমিটার পূর্ব দিয়ে প্রবাহিত হলেও গতিপথ পরিবর্তনের কারণে নদীটি এখন সারিয়াকান্দি উপজেলা সদর থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার পূর্ব দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যমুনা নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে ১৯৭৭ সাল থেকে নদী শাসন কাজ শুরু করা হলেও তা কোনো কাজে আসেনি। তবে সারিয়াকান্দি উপজেলা সদরকে ভাঙনের কবল থেকে রক্ষা করতে ২০০০ সালে নির্মাণ করা হয়েছে গ্রোয়েন বাঁধ। যমুনা নদীতেও বর্তমানে পর্যাপ্ত পানি নেই। বগুড়ার আরেকটি খরস্রোতা নদী বাঙালি। এতে দেশি প্রজাতির মাছ ধরে একসময় জীবিকা নির্বাহ করত অসংখ্য মানুষ। কিন্তু এখন সেই নদীতে পানি না থাকায় চাষ করা হয় ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসল। বর্ষাকালে নদীতে পানিপ্রবাহ থাকলেও আগের মতো মাছ থাকে না।
সারিয়াকান্দি উপজেলার জোরগাছা গ্রামের বাসিন্দা মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘৪০ বছর আগে বাঙালি নদীপারের মানুষকে মাছ কিনে খেতে হয়নি।’
বগুড়ার আরেকটি নদী করতোয়া। খরস্রোতা করতোয়া নদী এখন মরা খাল। বগুড়া শহরের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত করতোয়া দখল-দূষণের কবলে পরে সৌন্দর্য হারাচ্ছে। তবে সম্প্রতি পাউবো করতোয়া নদীর ১৭ কিলোমিটার অংশ খননকাজ শুরু করেছে। এ ছাড়া নদীর শহর অংশ সৌন্দর্য ধরে রাখতে নদীর দুই পাড়ে দৃষ্টিনন্দন বাঁধ নির্মাণকাজ শুরু করেছে পাউবো। কিন্তু নদীর উজানের দিকে ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে শুষ্ক মৌসুমে এর বুকে ধান চাষ করছেন স্থানীয়রা।
পাউবো জানায়, বগুড়া জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীগুলো হচ্ছে যমুনা, বাঙালী, করতোয়া, নাগর, ইছামতী, গাংনাই, ভদ্রাবতী, সুখদহ, ডাকুরিয়া, মহিষাবান, মানাস, গজারিয়া, ইরামতী, চন্দ্রাবতী, বানিয়াজান, গাংনাই, বেলাই, হলহলিয়া ভোলকা। এ ছাড়া বেহুলার খাড়ি এবং নিরঞ্জন নামের দুটি নদী কাগজে-কলমে থাকলেও বাস্তবে এর কোনো চিহ্ন নেই। মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে মানাস, চন্দ্রবতী, ইরামতীসহ কয়েকটি নদী।
পাউবোর বগুড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বগুড়ার নদীগুলো পানিপ্রবাহ ফিরিয়ে আনতে পর্যায়ক্রমে খননের আওতায় আনা হচ্ছে। প্রতিবছরই নদীর খননকাজ চলে। এ বছর করতোয়া ও বাঙালি নদীর খননকাজ চলছে।’
নদী গবেষক ও বগুড়া সরকারি মজিবর রহমান মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ড. বেলাল হোসেন বলেন, ‘এই অঞ্চলের অধিকাংশ বড় নদীর উৎপত্তি ভারত থেকে। ভারত বাংলাদেশের উজানে থাকায় তারা বাঁধ দিয়ে পানিপ্রবাহ বন্ধ করে দিয়েছে। এ কারণে দিনে দিনে নদীগুলোতে পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে মরা খালে পরিণত হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘গবেষণায় দেখা যায় ৫০০ বছর আগে এই অঞ্চলে ১০০টির বেশি নদী ছিল। ১০০ বছর আগেও ৩০টি নদীর অস্তিত্ব দেখা যায়।’

শুষ্ক মৌসুমে পানিশূন্য থাকে বগুড়ার অধিকাংশ নদী। এ সময় নদীর বুকজুড়ে চাষ করা হয় বিভিন্ন ফসল। গতিপথ পরিবর্তন করতে শুরু করেছে যমুনাও। এর বুকে জেগে উঠেছে অসংখ্য বালুচর। সেখানেও চাষ করা হচ্ছে বিভিন্ন ফসল। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) বলছে, বগুড়ার নদী ও খালগুলোতে পানি ধরে রাখতে খননকাজ শুরু করা হয়েছে। বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, ৫০০ বছর আগে জেলায় নদী ছিল ১০০টি। বর্তমানে ২৩টি নদী বলা হলেও বাস্তবে আছে ১৮টি।
পাউবো বলছে, ৫০ বছর আগে যমুনা নদী বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলা থেকে ৪৫ কিলোমিটার পূর্ব দিয়ে প্রবাহিত হলেও গতিপথ পরিবর্তনের কারণে নদীটি এখন সারিয়াকান্দি উপজেলা সদর থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার পূর্ব দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। যমুনা নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে ১৯৭৭ সাল থেকে নদী শাসন কাজ শুরু করা হলেও তা কোনো কাজে আসেনি। তবে সারিয়াকান্দি উপজেলা সদরকে ভাঙনের কবল থেকে রক্ষা করতে ২০০০ সালে নির্মাণ করা হয়েছে গ্রোয়েন বাঁধ। যমুনা নদীতেও বর্তমানে পর্যাপ্ত পানি নেই। বগুড়ার আরেকটি খরস্রোতা নদী বাঙালি। এতে দেশি প্রজাতির মাছ ধরে একসময় জীবিকা নির্বাহ করত অসংখ্য মানুষ। কিন্তু এখন সেই নদীতে পানি না থাকায় চাষ করা হয় ভুট্টাসহ বিভিন্ন ফসল। বর্ষাকালে নদীতে পানিপ্রবাহ থাকলেও আগের মতো মাছ থাকে না।
সারিয়াকান্দি উপজেলার জোরগাছা গ্রামের বাসিন্দা মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘৪০ বছর আগে বাঙালি নদীপারের মানুষকে মাছ কিনে খেতে হয়নি।’
বগুড়ার আরেকটি নদী করতোয়া। খরস্রোতা করতোয়া নদী এখন মরা খাল। বগুড়া শহরের মাঝ দিয়ে প্রবাহিত করতোয়া দখল-দূষণের কবলে পরে সৌন্দর্য হারাচ্ছে। তবে সম্প্রতি পাউবো করতোয়া নদীর ১৭ কিলোমিটার অংশ খননকাজ শুরু করেছে। এ ছাড়া নদীর শহর অংশ সৌন্দর্য ধরে রাখতে নদীর দুই পাড়ে দৃষ্টিনন্দন বাঁধ নির্মাণকাজ শুরু করেছে পাউবো। কিন্তু নদীর উজানের দিকে ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে শুষ্ক মৌসুমে এর বুকে ধান চাষ করছেন স্থানীয়রা।
পাউবো জানায়, বগুড়া জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া নদীগুলো হচ্ছে যমুনা, বাঙালী, করতোয়া, নাগর, ইছামতী, গাংনাই, ভদ্রাবতী, সুখদহ, ডাকুরিয়া, মহিষাবান, মানাস, গজারিয়া, ইরামতী, চন্দ্রাবতী, বানিয়াজান, গাংনাই, বেলাই, হলহলিয়া ভোলকা। এ ছাড়া বেহুলার খাড়ি এবং নিরঞ্জন নামের দুটি নদী কাগজে-কলমে থাকলেও বাস্তবে এর কোনো চিহ্ন নেই। মানচিত্র থেকে হারিয়ে যেতে বসেছে মানাস, চন্দ্রবতী, ইরামতীসহ কয়েকটি নদী।
পাউবোর বগুড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল হক আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বগুড়ার নদীগুলো পানিপ্রবাহ ফিরিয়ে আনতে পর্যায়ক্রমে খননের আওতায় আনা হচ্ছে। প্রতিবছরই নদীর খননকাজ চলে। এ বছর করতোয়া ও বাঙালি নদীর খননকাজ চলছে।’
নদী গবেষক ও বগুড়া সরকারি মজিবর রহমান মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ড. বেলাল হোসেন বলেন, ‘এই অঞ্চলের অধিকাংশ বড় নদীর উৎপত্তি ভারত থেকে। ভারত বাংলাদেশের উজানে থাকায় তারা বাঁধ দিয়ে পানিপ্রবাহ বন্ধ করে দিয়েছে। এ কারণে দিনে দিনে নদীগুলোতে পানিপ্রবাহ বন্ধ হয়ে মরা খালে পরিণত হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘গবেষণায় দেখা যায় ৫০০ বছর আগে এই অঞ্চলে ১০০টির বেশি নদী ছিল। ১০০ বছর আগেও ৩০টি নদীর অস্তিত্ব দেখা যায়।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে