ভোলা প্রতিনিধি

শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র থেকে ‘ঘরে ঘরে গ্যাস’ সরবরাহ, ভোলায় গ্যাসভিত্তিক শিল্পকারখানা গড়ে তোলাসহ ১১ দফা দাবিতে মানববন্ধন ও পথসভা করেছেন স্থানীয়রা। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ভোলা সদর রোডের কে জাহান মার্কেটের সামনে ‘ঘরে ঘরে গ্যাস চাই’ আন্দোলন কমিটির ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।
মানববন্ধন শেষে পথসভায় বক্তব্য দেন কমিটির সভাপতি মোবাশ্বির উল্যাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, ভোলার শাহবাজপুর গ্যাস কূপে পর্যাপ্ত গ্যাস মজুত রয়েছে। অথচ সেই গ্যাস গৃহস্থালি কাজে ব্যবহারের জন্য ভোলার ঘরে ঘরে সরবরাহ না করে এবং ভোলায় গ্যাসভিত্তিক ভারী শিল্পকারখানা গড়ে না তুলে এই গ্যাস জেলার বাইরে নেওয়ার পাঁয়তারা করা হচ্ছে।
তাই, ভোলায় প্রাপ্ত গ্যাস অবিলম্বে ভোলার ঘরে ঘরে সরবরাহ এবং জেলায় গ্যাসভিত্তিক ভারী শিল্পকারখানা গড়ে তোলা না হলে সামনে অবরোধসহ আরও কঠোর আন্দোলন করা হবে বলেও হুঁশিয়ার দেন তাঁরা। কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
জানা গেছে, ১৯৯৪ সালের দিকে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নে প্রথম শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া যায়। পর্যায়ক্রমে সেখানে পাঁচটিসহ জেলার আরও চারটি স্থানে মোট আটটি কূপ খনন করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। এখন পর্যন্ত জেলায় মোট গ্যাস মজুতের পরিমাণ ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন কিউবিক ফুট (টিসিএফ) ঘটফুট। যা থেকে দৈনিক ২০ মিলিয়ন বা ২ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা যাবে বলে জানিয়েছে বাপেক্স কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে এই কূপে ৬২০ বিলিয়ন কিউবিক ফুট (বিসিএফ) গ্যাস মজুত রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
বাপেক্স আরও জানায়, ২০১৮ সালের দিকে ভূকম্পন জরিপের মাধ্যমে ভোলা সদরের ভেদুরিয়া ইউনিয়নের মাঝিরহাট এলাকায় এই জেলার মধ্যে গ্যাসের দ্বিতীয় কূপের সন্ধান পাওয়া যায়। সেখানে রাশিয়ান কোম্পানি গ্যাজপ্রমের মাধ্যমে একটি কূপ খননের পর গত বছরের ৫ ডিসেম্বর নতুন করে সদরের ভেদুরিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ চর পাতাগ্রামে আরেকেটি কূপ খনন করে বাপেক্স।
এটি জেলার ৮ নম্বর কূপ। ২৩ জানুয়ারি ওই কূপে প্রাথমিক পরীক্ষামূলক উত্তোলনে প্রতিদিন ২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন সম্ভব বলে জানিয়েছেন বাপেক্স প্রতিনিধিদল।
বাপেক্সের মহাব্যবস্থাপক ভূতত্ববিদ মো. আলমগীর আজকের পত্রিকাকে জানান, নতুন করে বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের অনুসন্ধান চলছে।

শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্র থেকে ‘ঘরে ঘরে গ্যাস’ সরবরাহ, ভোলায় গ্যাসভিত্তিক শিল্পকারখানা গড়ে তোলাসহ ১১ দফা দাবিতে মানববন্ধন ও পথসভা করেছেন স্থানীয়রা। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ভোলা সদর রোডের কে জাহান মার্কেটের সামনে ‘ঘরে ঘরে গ্যাস চাই’ আন্দোলন কমিটির ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করেন তাঁরা।
মানববন্ধন শেষে পথসভায় বক্তব্য দেন কমিটির সভাপতি মোবাশ্বির উল্যাহ চৌধুরী। তিনি বলেন, ভোলার শাহবাজপুর গ্যাস কূপে পর্যাপ্ত গ্যাস মজুত রয়েছে। অথচ সেই গ্যাস গৃহস্থালি কাজে ব্যবহারের জন্য ভোলার ঘরে ঘরে সরবরাহ না করে এবং ভোলায় গ্যাসভিত্তিক ভারী শিল্পকারখানা গড়ে না তুলে এই গ্যাস জেলার বাইরে নেওয়ার পাঁয়তারা করা হচ্ছে।
তাই, ভোলায় প্রাপ্ত গ্যাস অবিলম্বে ভোলার ঘরে ঘরে সরবরাহ এবং জেলায় গ্যাসভিত্তিক ভারী শিল্পকারখানা গড়ে তোলা না হলে সামনে অবরোধসহ আরও কঠোর আন্দোলন করা হবে বলেও হুঁশিয়ার দেন তাঁরা। কর্মসূচিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।
জানা গেছে, ১৯৯৪ সালের দিকে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নে প্রথম শাহবাজপুর গ্যাসক্ষেত্রের সন্ধান পাওয়া যায়। পর্যায়ক্রমে সেখানে পাঁচটিসহ জেলার আরও চারটি স্থানে মোট আটটি কূপ খনন করে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)। এখন পর্যন্ত জেলায় মোট গ্যাস মজুতের পরিমাণ ১ দশমিক ৫ ট্রিলিয়ন কিউবিক ফুট (টিসিএফ) ঘটফুট। যা থেকে দৈনিক ২০ মিলিয়ন বা ২ কোটি ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন করা যাবে বলে জানিয়েছে বাপেক্স কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে এই কূপে ৬২০ বিলিয়ন কিউবিক ফুট (বিসিএফ) গ্যাস মজুত রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
বাপেক্স আরও জানায়, ২০১৮ সালের দিকে ভূকম্পন জরিপের মাধ্যমে ভোলা সদরের ভেদুরিয়া ইউনিয়নের মাঝিরহাট এলাকায় এই জেলার মধ্যে গ্যাসের দ্বিতীয় কূপের সন্ধান পাওয়া যায়। সেখানে রাশিয়ান কোম্পানি গ্যাজপ্রমের মাধ্যমে একটি কূপ খননের পর গত বছরের ৫ ডিসেম্বর নতুন করে সদরের ভেদুরিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ চর পাতাগ্রামে আরেকেটি কূপ খনন করে বাপেক্স।
এটি জেলার ৮ নম্বর কূপ। ২৩ জানুয়ারি ওই কূপে প্রাথমিক পরীক্ষামূলক উত্তোলনে প্রতিদিন ২০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস উত্তোলন সম্ভব বলে জানিয়েছেন বাপেক্স প্রতিনিধিদল।
বাপেক্সের মহাব্যবস্থাপক ভূতত্ববিদ মো. আলমগীর আজকের পত্রিকাকে জানান, নতুন করে বিভিন্ন এলাকায় গ্যাসের অনুসন্ধান চলছে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে