ভোলা প্রতিনিধি

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ঢালচরের কাছে বঙ্গোপসাগরে ভেসে এসেছে ‘আলকুবতান’ নামের একটি বিদেশি বার্জ। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে চর নিজামের লোকজন বার্জটি ভাসমান অবস্থায় আটকে থাকতে দেখে। পরে তারা এলাকার চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রশাসনকে জানায়।
বার্জটিতে কোনো মানুষ না থাকলেও একটি এক্সকাভেটর মেশিন, একটি পাথর ভাঙার মেশিন ও পাথরসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় মালামাল রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, বার্জটিতে প্রায় ৩০ লাখ টাকার মালামাল রয়েছে।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে ঢালচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম হাওলাদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জাহাজটি চর নিজামের পূর্ব পাশে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা আমাকে জানায়। বৈরী আবহাওয়ার কারণে ঘটনাস্থলে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে, জাহাজটি হেফাজতে রাখা হয়েছে।’
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আল নোমান রাহুল বলেন, ‘আলকুবতান নামে আরব আমিরাতের একটি বার্জ চর নিজামে রয়েছে। বিষয়টি চরমানিকা কোস্টগার্ড, নৌবাহিনীসহ স্থানীয় থানার পুলিশকে জানানো হয়েছে। সেখানে কোস্টগার্ডের সদস্যরা অবস্থান করছেন। বিদেশি বার্জটি উদ্ধারের জন্য ইতিমধ্যে নৌবাহিনী ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে।’
কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা কে এম শাফিউল কিঞ্জল আজ শুক্রবার বিকেলে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘খবর পেয়ে কোস্টগার্ডের সদস্যরা শুক্রবার সকাল থেকে সেখানে অবস্থান নিয়েছেন। আমাদের একটি বোর্ডও ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। এরপর বিদেশি জাহাজের বার্জটি উদ্ধারের কাজ শুরু করবে।’
শাফিউল কিঞ্জাল আরও বলেন, ‘এটি সিঙ্গাপুরের হতে পারে। আমরা ধারণা করছি, কোনো একটি জাহাজের সঙ্গে এটি যুক্ত ছিল। কোনো দুর্ঘটনার কারণে জাহাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ভাসতে ভাসতে এখানে চলে এসেছে। আমরা বার্জটিতে বড় বড় পাথর, ভেকু মেশিন, পাথর কাটার মেশিন রয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছি। কিন্তু কোনো মানুষ ছিল না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ভোলা প্রশাসককে জানিয়েছি।’

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা থানার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ঢালচরের কাছে বঙ্গোপসাগরে ভেসে এসেছে ‘আলকুবতান’ নামের একটি বিদেশি বার্জ। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে চর নিজামের লোকজন বার্জটি ভাসমান অবস্থায় আটকে থাকতে দেখে। পরে তারা এলাকার চেয়ারম্যান ও উপজেলা প্রশাসনকে জানায়।
বার্জটিতে কোনো মানুষ না থাকলেও একটি এক্সকাভেটর মেশিন, একটি পাথর ভাঙার মেশিন ও পাথরসহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয় মালামাল রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, বার্জটিতে প্রায় ৩০ লাখ টাকার মালামাল রয়েছে।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে ঢালচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম হাওলাদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জাহাজটি চর নিজামের পূর্ব পাশে ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা আমাকে জানায়। বৈরী আবহাওয়ার কারণে ঘটনাস্থলে যাওয়া সম্ভব হয়নি। তবে, জাহাজটি হেফাজতে রাখা হয়েছে।’
ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা আল নোমান রাহুল বলেন, ‘আলকুবতান নামে আরব আমিরাতের একটি বার্জ চর নিজামে রয়েছে। বিষয়টি চরমানিকা কোস্টগার্ড, নৌবাহিনীসহ স্থানীয় থানার পুলিশকে জানানো হয়েছে। সেখানে কোস্টগার্ডের সদস্যরা অবস্থান করছেন। বিদেশি বার্জটি উদ্ধারের জন্য ইতিমধ্যে নৌবাহিনী ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে।’
কোস্টগার্ড দক্ষিণ জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা কে এম শাফিউল কিঞ্জল আজ শুক্রবার বিকেলে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘খবর পেয়ে কোস্টগার্ডের সদস্যরা শুক্রবার সকাল থেকে সেখানে অবস্থান নিয়েছেন। আমাদের একটি বোর্ডও ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। এরপর বিদেশি জাহাজের বার্জটি উদ্ধারের কাজ শুরু করবে।’
শাফিউল কিঞ্জাল আরও বলেন, ‘এটি সিঙ্গাপুরের হতে পারে। আমরা ধারণা করছি, কোনো একটি জাহাজের সঙ্গে এটি যুক্ত ছিল। কোনো দুর্ঘটনার কারণে জাহাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ভাসতে ভাসতে এখানে চলে এসেছে। আমরা বার্জটিতে বড় বড় পাথর, ভেকু মেশিন, পাথর কাটার মেশিন রয়েছে বলে নিশ্চিত হয়েছি। কিন্তু কোনো মানুষ ছিল না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও ভোলা প্রশাসককে জানিয়েছি।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪৪ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে