চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি

ভোলার চরফ্যাশনের দুলারহাটে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় এক কলেজ পড়ুয়া ছাত্রীর বাবা-মা ও ভাইকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রধান আসামি রাকিব নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে দুলারহাট থানা-পুলিশ।
আজ রোববার সকালে দুলারহাট নুরাবাদ ৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রধান আসামি রাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে শনিবার ওই ছাত্রীর দাদা বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে দুলারহাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত রাকিব প্রায় পাঁচ বছর ধরে ওই ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। ছাত্রী এখন একটি স্থানীয় কলেজে দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ছাত্রী প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে যুবক রাকিব তার পথরোধ করে উত্ত্যক্ত করেন। বাড়ি ফিরে বিষয়টি তারা পরিবারকে জানায়। বিকেলে তার বাবা যুবক রাকিবের পরিবারের কাছে নালিশ জানালে ক্ষিপ্ত হন রাকিব। শুক্রবার সকালে ওই ছাত্রী তার ছোট ভাই বাড়ির দরজায় হাট ছিলেন এ সময় রাকির ও তাঁর বন্ধু হৃদয় মিলে তাকে গাল মন্দ শুরু করেন। ছাত্রী এবং তার ছোট ভাই প্রতিবাদ করলে ভাইকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন তাঁরা। তাদের চিৎকারে ভুক্তভোগীর বাব-মা ছুটে এলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। রাকিব ও তার পরিবারের সদস্য সালাউদ্দিন মেলকার, তহমিনা, সামিরাসহ ১০ / ১২ জনের একটি দল তাদের ওপর হামলা চালিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেন। পরে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাঁদের উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করেন।
দুলারহাট থানার ওসি মোরাদ হোসেন জানান, প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর মারধরের এ ঘটনায় ৯ জনকে আসামি করেছেন থানায় মামলা দায়ের করেছেন ছাত্রীর দাদা। বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

ভোলার চরফ্যাশনের দুলারহাটে প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় এক কলেজ পড়ুয়া ছাত্রীর বাবা-মা ও ভাইকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় প্রধান আসামি রাকিব নামের এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে দুলারহাট থানা-পুলিশ।
আজ রোববার সকালে দুলারহাট নুরাবাদ ৭ নম্বর ওয়ার্ড থেকে প্রধান আসামি রাকিবকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে শনিবার ওই ছাত্রীর দাদা বাদী হয়ে ৯ জনকে আসামি করে দুলারহাট থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
থানা সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত রাকিব প্রায় পাঁচ বছর ধরে ওই ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। ছাত্রী এখন একটি স্থানীয় কলেজে দ্বাদশ শ্রেণিতে পড়ে। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ছাত্রী প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার পথে যুবক রাকিব তার পথরোধ করে উত্ত্যক্ত করেন। বাড়ি ফিরে বিষয়টি তারা পরিবারকে জানায়। বিকেলে তার বাবা যুবক রাকিবের পরিবারের কাছে নালিশ জানালে ক্ষিপ্ত হন রাকিব। শুক্রবার সকালে ওই ছাত্রী তার ছোট ভাই বাড়ির দরজায় হাট ছিলেন এ সময় রাকির ও তাঁর বন্ধু হৃদয় মিলে তাকে গাল মন্দ শুরু করেন। ছাত্রী এবং তার ছোট ভাই প্রতিবাদ করলে ভাইকে এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করেন তাঁরা। তাদের চিৎকারে ভুক্তভোগীর বাব-মা ছুটে এলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। রাকিব ও তার পরিবারের সদস্য সালাউদ্দিন মেলকার, তহমিনা, সামিরাসহ ১০ / ১২ জনের একটি দল তাদের ওপর হামলা চালিয়ে পিটিয়ে গুরুতর জখম করেন। পরে স্থানীয়রা ছুটে এসে তাঁদের উদ্ধার করে চরফ্যাশন হাসপাতালে ভর্তি করেন।
দুলারহাট থানার ওসি মোরাদ হোসেন জানান, প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার পর মারধরের এ ঘটনায় ৯ জনকে আসামি করেছেন থানায় মামলা দায়ের করেছেন ছাত্রীর দাদা। বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে