ভোলা প্রতিনিধি

ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ভোলামুখী একটি লঞ্চে সন্তান প্রসব করেছেন সুরাইয়া খাতুন নামের এক নারী। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জের কালীগঞ্জের কাছাকাছি মেঘনা নদীর মধ্যে যাত্রীবাহী লঞ্চ আল ওয়ালিদ-৯-এ ঘটনাটি ঘটে। ওই শিশুর ও তার পুরো পরিবার আজীবন এই কোম্পানির লঞ্চে বিনা ভাড়ায় যাতায়াত করতে পারবে বলে ঘোষণা দেন লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে সদরঘাট থেকে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী লঞ্চ আল ওয়ালিদ-৯-এ ওঠেন মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার অন্তঃসত্ত্বা নারী সুরাইয়া খাতুন। লঞ্চে তাঁর সঙ্গে কেউ ছিলেন না। একাই ডেকে বসেছিলেন। স্বামী ইউনুস তাঁকে লঞ্চে উঠিয়ে দিয়ে যান।
রাত সাড়ে ৮টার দিকে লঞ্চটি কালীগঞ্জের কাছাকাছি এসে পৌঁছালে প্রসবব্যথা ওঠে সুরাইয়া খাতুনের। খবর পেয়ে লঞ্চের স্টাফরা দুই নারী যাত্রীর সহযোগিতায় তাঁকে লঞ্চের একটি কেবিনে নিয়ে যান। সেখানে রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে সুরাইয়া খাতুন এক কন্যাসন্তানের জন্ম দেন।
লঞ্চের ম্যানেজার মিজানুর রহমান শিশুটির নাম রাখেন বিবি মরিয়ম। লঞ্চটি ভোলার ইলিশাঘাটে পৌঁছালে লঞ্চের ম্যানেজার পাঁচ কেজি মিষ্টি কিনে লঞ্চে থাকা সব যাত্রীকে খাওয়ান। পাশাপাশি ওই শিশু ও তার পুরো পরিবার আজীবন এই কোম্পানির লঞ্চে বিনা ভাড়ায় যাতায়াত করতে পারবে বলে ঘোষণা দেন।
আল ওয়ালিদ-৯ লঞ্চের ইলিশাঘাটের সুপারভাইজর নূর নবী বলেন, ‘সুরাইয়া খাতুনের কালীগঞ্জে নামার কথা ছিল; কিন্তু আমরা তাঁকে ভোলার ইলিশাঘাটে নিয়ে আসি। এরপর ইলিশাঘাটে একজন চিকিৎসক নিয়ে প্রসূতি ও সদ্য ভূমিষ্ঠ হওয়া শিশুটির পরীক্ষা করা হয়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে লঞ্চটি পুনরায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা করে কালীগঞ্জ ঘাটে গিয়ে পৌঁছালে সেখানে তাঁকে নামিয়ে দেওয়া হয়। ঘাটে সুরাইয়া খাতুনের শাশুড়ি ও ননদ মিষ্টি নিয়ে অপেক্ষমাণ ছিলেন।
সুপারভাইজর নূর নবী আরও জানান, আল ওয়ালিদ-৯ লঞ্চে শিশুটি ভূমিষ্ঠ হওয়ায় সবাই খুব খুশি হয়েছেন। ওই লঞ্চে আজীবনের জন্য ওই শিশুর পুরো পরিবারের ভাড়া ফ্রি করে দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া ভোলামুখী একটি লঞ্চে সন্তান প্রসব করেছেন সুরাইয়া খাতুন নামের এক নারী। গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে মেহেন্দীগঞ্জের কালীগঞ্জের কাছাকাছি মেঘনা নদীর মধ্যে যাত্রীবাহী লঞ্চ আল ওয়ালিদ-৯-এ ঘটনাটি ঘটে। ওই শিশুর ও তার পুরো পরিবার আজীবন এই কোম্পানির লঞ্চে বিনা ভাড়ায় যাতায়াত করতে পারবে বলে ঘোষণা দেন লঞ্চ কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে সদরঘাট থেকে ভোলার ইলিশা লঞ্চঘাটের উদ্দেশে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী লঞ্চ আল ওয়ালিদ-৯-এ ওঠেন মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার অন্তঃসত্ত্বা নারী সুরাইয়া খাতুন। লঞ্চে তাঁর সঙ্গে কেউ ছিলেন না। একাই ডেকে বসেছিলেন। স্বামী ইউনুস তাঁকে লঞ্চে উঠিয়ে দিয়ে যান।
রাত সাড়ে ৮টার দিকে লঞ্চটি কালীগঞ্জের কাছাকাছি এসে পৌঁছালে প্রসবব্যথা ওঠে সুরাইয়া খাতুনের। খবর পেয়ে লঞ্চের স্টাফরা দুই নারী যাত্রীর সহযোগিতায় তাঁকে লঞ্চের একটি কেবিনে নিয়ে যান। সেখানে রাত ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে সুরাইয়া খাতুন এক কন্যাসন্তানের জন্ম দেন।
লঞ্চের ম্যানেজার মিজানুর রহমান শিশুটির নাম রাখেন বিবি মরিয়ম। লঞ্চটি ভোলার ইলিশাঘাটে পৌঁছালে লঞ্চের ম্যানেজার পাঁচ কেজি মিষ্টি কিনে লঞ্চে থাকা সব যাত্রীকে খাওয়ান। পাশাপাশি ওই শিশু ও তার পুরো পরিবার আজীবন এই কোম্পানির লঞ্চে বিনা ভাড়ায় যাতায়াত করতে পারবে বলে ঘোষণা দেন।
আল ওয়ালিদ-৯ লঞ্চের ইলিশাঘাটের সুপারভাইজর নূর নবী বলেন, ‘সুরাইয়া খাতুনের কালীগঞ্জে নামার কথা ছিল; কিন্তু আমরা তাঁকে ভোলার ইলিশাঘাটে নিয়ে আসি। এরপর ইলিশাঘাটে একজন চিকিৎসক নিয়ে প্রসূতি ও সদ্য ভূমিষ্ঠ হওয়া শিশুটির পরীক্ষা করা হয়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে লঞ্চটি পুনরায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা করে কালীগঞ্জ ঘাটে গিয়ে পৌঁছালে সেখানে তাঁকে নামিয়ে দেওয়া হয়। ঘাটে সুরাইয়া খাতুনের শাশুড়ি ও ননদ মিষ্টি নিয়ে অপেক্ষমাণ ছিলেন।
সুপারভাইজর নূর নবী আরও জানান, আল ওয়ালিদ-৯ লঞ্চে শিশুটি ভূমিষ্ঠ হওয়ায় সবাই খুব খুশি হয়েছেন। ওই লঞ্চে আজীবনের জন্য ওই শিশুর পুরো পরিবারের ভাড়া ফ্রি করে দেওয়া হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে