Ajker Patrika

৯ দফা দাবিতে ৩ দিন ধরে অচল বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ

নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল
৯ দফা দাবিতে ৩ দিন ধরে অচল বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ
৯ দফা দাবিতে বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে আজ সোমবার তৃতীয় দিনের মতো শিক্ষার্থীরা ক্লাস না করে বিক্ষোভ করেন। ছবি: আজকের পত্রিকা

পরীক্ষার সময়সূচি স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানভিত্তিক করাসহ ৯ দফা দাবিতে তিন দিন ধরে শিক্ষার্থীদের ডাকা শাটডাউনে অচল হয়ে পড়েছে বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। আজ সোমবার তৃতীয় দিনে কলেজে কোনো শিক্ষা কার্যক্রম চলেনি। শিক্ষার্থীরা ক্লাস না করে দিনভর বিক্ষোভ, অবস্থান কর্মসূচি, প্রতিবাদী নাটক ও গান মঞ্চস্থ করেছেন।

কর্মসূচির সঙ্গে শিক্ষক-কর্মচারীরাও একাত্মতা প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। অবিলম্বে দাবি মেনে না নিলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ইরান জানান, ২০১৬ সালের পর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত প্রযুক্তি ইউনিটের অধীনস্থ কলেজ ও ইনস্টিটিউটে বিদ্যমান ‘সমন্বিত পরীক্ষা পদ্ধতি’ সম্পূর্ণ ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এ ছাড়া গুণগত শিক্ষা ও মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হয়নি। এই সমন্বিত একাডেমিক পদ্ধতির জটিলতার কারণে শিক্ষার্থীরা দীর্ঘদিন ধরে একাডেমিক ও মানসিক ভোগান্তির শিকার হয়ে আসছে। বিশেষ করে প্রশ্নপত্র প্রণয়নে অবহেলা ও অযৌক্তিক মডারেশনের ফলে প্রায় সময়ই সিলেবাসের বাইরে থেকে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করা হয় এবং ফলাফল প্রকাশে বিলম্ব সৃষ্টি হচ্ছে। বিভাগগুলোর জন্য আলাদা আলাদা পরীক্ষা কমিটি গঠনসহ ৯ দফা দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আন্দোলনকারীদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে পরীক্ষার সময়সূচি স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানভিত্তিক আলাদা হতে হবে। ব্যবহারিক পরীক্ষা তত্ত্বীয় পরীক্ষা শেষ হওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যে শেষ করতে হবে। প্রশ্নপত্র মুদ্রণ ও উত্তরপত্র মূল্যায়ন স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠান থেকেই পরিচালিত হতে হবে। ফলাফলে গ্রেডিংয়ে স্বচ্ছতা ও নিশ্চয়তা নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষকদের আচরণে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে। প্রশ্নপত্র প্রণয়ন অবশ্যই পাঠ্যসূচির মধ্য থেকে করতে হবে। দ্রুত ফলাফল ঘোষণা নিশ্চিতে ট্যাবুলেশন ও গ্রেডিং কার্যক্রম স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হতে হবে। এ ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় ও ইনস্টিটিউট পর্যায়ে একজন পরীক্ষা সমন্বয়ক নিয়োগের দাবি জানানো হয়েছে।

এ বিষয়ে বরিশাল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মো. লিটন রাব্বানী আজকের পত্রিকাকে বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে কলেজ কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের দাবি যৌক্তিক।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত