প্রতিনিধি, দুমকি (পটুয়াখালী)

পটুয়াখালীর আংগারিয়া ও বাহেরচর গ্রামে নদীভাঙনে সর্বস্ব হারাতে বসেছেন এলাকাবাসীরা। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় হঠাৎ করে প্রায় ৩ একর জমি নদীগর্ভে তলিয়ে যায়। এতে অনেকের কৃষিজমি, গাছপালা ও বসতঘর বিলীন হয়ে গেছে।
ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন-মিলন মিরা, মামুন মিরা, ফয়সাল মিরা, দুলাল হাওলাদার, জলিল সিকদার, ফরিদা, ক্ষিতিষ ঘরামী, হিমান্ত ওঝা, পান্টু পাইক, বিমল রায়, বশির হাওলাদার, শাহআলম হাওলাদার, পরিমল পাইক, জাকির হাওলাদার, রুহুল আমিন হাওলাদারসহ আরও অনেকে।
ঘটনার সময় জমিতে কৃষি কাজ করতে যাওয়া ১২-১৪ জন লোক নদীতে পড়ে যান। তাঁদের মধ্যে বশির ও আরাফাত নামে দুজন গুরুতর আহত হন। নদীভাঙন ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপাকে পড়েছে ২৫-৩০টি বসতবাড়ি।
এলাকার বাসিন্দা তরিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের এমন অবস্থা হয়েছে যে মাথা গুজার ঠাঁই নেই। ঘরবাড়ি ভেঙে যাওয়ায় প্রতিবছর নতুন করে ঘর তৈরি করতে হয়। অনেকের ভিটে-মাটি না থাকায় অন্যের বাড়ির আঙিনায় ও রাস্তার পাশে ঘর তুলে দিনযাপন করছেন।
ইউপি সদস্য মো. শাহীন গাজী বলেন, আংগারিয়া ও বাহেরচর গ্রামে দীর্ঘ ৬০ বছর যাবৎ নদী ভাঙন শুরু হয়। এখনো প্রতিনিয়ত নদীভাঙন হতেই থাকেন। এ বিষয়ে এলাকাবাসী একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। কয়েক মাস আগে ভাঙন রোধের জন্য এলাকাবাসী মানববন্ধন করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করলেও এখন পর্যন্ত কোন ফল পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ জানান, এরই মধ্যে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে সহযোগিতা দেওয়া হবে।

পটুয়াখালীর আংগারিয়া ও বাহেরচর গ্রামে নদীভাঙনে সর্বস্ব হারাতে বসেছেন এলাকাবাসীরা। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ৮টায় হঠাৎ করে প্রায় ৩ একর জমি নদীগর্ভে তলিয়ে যায়। এতে অনেকের কৃষিজমি, গাছপালা ও বসতঘর বিলীন হয়ে গেছে।
ক্ষতিগ্রস্তরা হলেন-মিলন মিরা, মামুন মিরা, ফয়সাল মিরা, দুলাল হাওলাদার, জলিল সিকদার, ফরিদা, ক্ষিতিষ ঘরামী, হিমান্ত ওঝা, পান্টু পাইক, বিমল রায়, বশির হাওলাদার, শাহআলম হাওলাদার, পরিমল পাইক, জাকির হাওলাদার, রুহুল আমিন হাওলাদারসহ আরও অনেকে।
ঘটনার সময় জমিতে কৃষি কাজ করতে যাওয়া ১২-১৪ জন লোক নদীতে পড়ে যান। তাঁদের মধ্যে বশির ও আরাফাত নামে দুজন গুরুতর আহত হন। নদীভাঙন ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপাকে পড়েছে ২৫-৩০টি বসতবাড়ি।
এলাকার বাসিন্দা তরিকুল ইসলাম বলেন, আমাদের এমন অবস্থা হয়েছে যে মাথা গুজার ঠাঁই নেই। ঘরবাড়ি ভেঙে যাওয়ায় প্রতিবছর নতুন করে ঘর তৈরি করতে হয়। অনেকের ভিটে-মাটি না থাকায় অন্যের বাড়ির আঙিনায় ও রাস্তার পাশে ঘর তুলে দিনযাপন করছেন।
ইউপি সদস্য মো. শাহীন গাজী বলেন, আংগারিয়া ও বাহেরচর গ্রামে দীর্ঘ ৬০ বছর যাবৎ নদী ভাঙন শুরু হয়। এখনো প্রতিনিয়ত নদীভাঙন হতেই থাকেন। এ বিষয়ে এলাকাবাসী একাধিকবার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছেন। কয়েক মাস আগে ভাঙন রোধের জন্য এলাকাবাসী মানববন্ধন করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে আবেদন করলেও এখন পর্যন্ত কোন ফল পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদ জানান, এরই মধ্যে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে জানানো হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে সহযোগিতা দেওয়া হবে।

রাজধানীর মগবাজার মোড়ে নির্মাণাধীন ভবন থেকে লোহার পাইপ মাথায় পড়ে তাইজুল ইসলাম (২০) নামে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
১৪ মিনিট আগে
সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, চন্দ্রদ্বীপসহ বাউফলের বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা, ভয়ভীতি প্রদর্শন, কর্মসূচিতে বাধা, দোকানে চাঁদা দাবি, চাঁদা না দিলে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। এ ছাড়া কয়েকটি ঘটনায় হত্যাচেষ্টার ও সাক্ষীদের ওপর ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে বলেও অভিযোগ করা হয়।
২২ মিনিট আগে
নারায়ণপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আজিজুল ইসলাম পেশায় ছোট চা-দোকানি। তিনি গ্রামের পাশের কালারচর বাজারে ব্যবসা করেন। বুধবার রাতে বড় মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দোকানে ছিলেন। এ সময় বাড়িতে শহিদা বেগম ও তাঁর চার বছর বয়সী ছোট মেয়ে ছিল। শহিদা রাতের রান্নার চাল ধুতে নলকূপের...
১ ঘণ্টা আগে
জানাজা শেষে ডাবলুর বড় ভাই শরিফুল ইসলাম কাজল বলেন, ‘গতকাল জানাজায় সবাই সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়েছে। আমরা শুধু আশ্বাসে বিশ্বাসী না, জড়িতদের বিচার চাই। কেউ যেন ছাড় না পায়। আমরা যেন বিচার দেখে যেতে পারি।’
১ ঘণ্টা আগে