গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি

বরিশালের গৌরনদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ইউপি চেয়ারম্যানসহ পাঁচজন জখম হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বাটাজোর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনজন গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সৈকত গুহ পিকলু (৫০), পলাশ হোসেন (২৭), মামুন খান (২৫), মেহেদী হাসান (৩২) ও সৈকত গুহর ছোট ভাই পিন্টু গুহ (৪০)। অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় আজ শুক্রবার সকালে সৈকত গুহ পিকলুকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মনির হোসেন মিয়া বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মোটরসাইকেলযোগে বাটাজোর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কর্মী আলতাফ হোসেনের জানাজায় যাচ্ছিলেন তাঁরা। এ সময় সঙ্গে ছিলেন মাহিলাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সৈকত গুহ পিকলুসহ তাঁর ১৪-১৫ জন সমর্থক। রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাটাজোর বাসস্ট্যান্ডে কিছু সমর্থকের সঙ্গে কথা বলছিলেন। এ সময় যুবলীগ নেতা দেলোয়ারের ছেলে ছাত্রলীগের কর্মী ইমতিয়াজ মাহমুদ (৩২) একজনকে থাপ্পড় মারেন। এ নিয়ে প্রথমে দুই পক্ষে হাতাহাতি, পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সেখানে উপস্থিত যুবলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেনের সমর্থক ও বাটাজোর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কালু তালুকদার পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, পরিকল্পিতভাবে দেলোয়ার হোসেনকে লক্ষ করে পিস্তল দিয়ে গুলি করেন মাহিলাড়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত গুহ। তাতে দেলোয়ার হোসেন ও তাঁর ছেলে ইমতিয়াজ মাহমুদ আহত হন।
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, মাহিলাড়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত গুহর অবস্থা সংকটাপন্ন। তাঁর মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত বেশ গভীর। তবে দেলোয়ার হোসেনের গুলিবিদ্ধ হওয়ার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।
গৌরনদী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাজাহারুল ইসলাম বলেন, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মাহিলাড়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত গুহসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তবে এখানে গুলির কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।

বরিশালের গৌরনদী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ইউপি চেয়ারম্যানসহ পাঁচজন জখম হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার বাটাজোর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় তিনজন গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সৈকত গুহ পিকলু (৫০), পলাশ হোসেন (২৭), মামুন খান (২৫), মেহেদী হাসান (৩২) ও সৈকত গুহর ছোট ভাই পিন্টু গুহ (৪০)। অবস্থা সংকটাপন্ন হওয়ায় আজ শুক্রবার সকালে সৈকত গুহ পিকলুকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. মনির হোসেন মিয়া বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মোটরসাইকেলযোগে বাটাজোর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কর্মী আলতাফ হোসেনের জানাজায় যাচ্ছিলেন তাঁরা। এ সময় সঙ্গে ছিলেন মাহিলাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সৈকত গুহ পিকলুসহ তাঁর ১৪-১৫ জন সমর্থক। রাত সাড়ে ৮টার দিকে বাটাজোর বাসস্ট্যান্ডে কিছু সমর্থকের সঙ্গে কথা বলছিলেন। এ সময় যুবলীগ নেতা দেলোয়ারের ছেলে ছাত্রলীগের কর্মী ইমতিয়াজ মাহমুদ (৩২) একজনকে থাপ্পড় মারেন। এ নিয়ে প্রথমে দুই পক্ষে হাতাহাতি, পরে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে সেখানে উপস্থিত যুবলীগ নেতা দেলোয়ার হোসেনের সমর্থক ও বাটাজোর ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক কালু তালুকদার পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, পরিকল্পিতভাবে দেলোয়ার হোসেনকে লক্ষ করে পিস্তল দিয়ে গুলি করেন মাহিলাড়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত গুহ। তাতে দেলোয়ার হোসেন ও তাঁর ছেলে ইমতিয়াজ মাহমুদ আহত হন।
বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, মাহিলাড়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত গুহর অবস্থা সংকটাপন্ন। তাঁর মাথায় ধারালো অস্ত্রের আঘাত বেশ গভীর। তবে দেলোয়ার হোসেনের গুলিবিদ্ধ হওয়ার কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।
গৌরনদী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মাজাহারুল ইসলাম বলেন, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মাহিলাড়া ইউপি চেয়ারম্যান সৈকত গুহসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তবে এখানে গুলির কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে