
২৮ হাজার ১৬ আন্তর্জাতিক রান নিয়ে এত দিন কিংবদন্তি শচীন টেন্ডুলকারের পরই অবস্থান ছিল কুমার সাঙ্গাকারার। সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক রানের দৌড়ে এবার শ্রীলঙ্কান সাঙ্গাকারাকে পেছনে ফেললেন বিরাট কোহলি। ভারতীয় এই ব্যাটিং গ্রেটের সামনে শুধুই টেন্ডুলকার, যাঁর আন্তর্জাতিক রান—৩৪ হাজার ৩৫৭।
ভাদোদরায় আজ নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথমটিতে প্রতিপক্ষের ৩০০ রান তাড়া করতে নেমে ৯১ বলে ৯৭ রানের ইনিংস খেলেছেন কোহলি। ৮টি চার ও ১টি ছয়ে সাজানো এই ইনিংসের সুবাদেই কোহলি সাঙ্গাকারাকে টপকে টেন্ডুলকারের আরও কাছে চলে এসেছেন। এই ইনিংসের পর তাঁর আন্তর্জাতিক রান—২৮,০৭২।
তবে একটা জায়গায় কোহলি ছাড়িয়ে গেছেন টেন্ডুলকারকেও। আন্তর্জাতিক রানের ২৮ হাজারে তিনিই দ্রুততম। ২৮ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁতে শচীন টেন্ডুলকারকে খেলতে হয়েছিল ৬৪৪ ইনিংস। কিন্তু এই মাইলফলক ছুঁতে কোহলির লেগেছে ৬২৪ ইনিংস।
২৮ হাজার রানের মাইলফলক ছুঁতে কোহলির দরকার ছিল ২৫ রান। আর সাঙ্গাকারাকে ছাড়িয়ে যেতে দরকার ছিল ৪২। ৯৭ রানের ইনিংসে দুই লক্ষ্যই পূরণ হয়েছে কোহলির। ওয়ানডেতে এটি তাঁর টানা পঞ্চম পঞ্চাশোর্ধ ইনিংস। তাঁর এই ইনিংসের সুবাদেই নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ৩০১ রান তাড়া করে জিতেছে ভারত। জিতেছে ৬ বল ও ৪ উইকেট হাতে রেখে।

৯ অক্টোবর আবুধাবিতে শুরু হবে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান সিরিজের একমাত্র টেস্ট। তার আগে মরুর বুকে নিজেদের ঝালিয়ে নিচ্ছেন সৌম্য সরকার-মেহেদী হাসান মিরাজরা। সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে প্রথম দিনটা বাংলাদেশের জন্য অম্লমধুরই বলা চলে।
৭ ঘণ্টা আগে
এশিয়ান গেমসে ব্যর্ধতার ষোলোকলা পূর্ণ করল বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। নিশিনে গতকাল শ্রীলঙ্কার ৬২ রানে হেরে ব্রোঞ্জও পেল না বাংলাদেশ। হারের পর লিটন দাস জাপানে খাবারদাবার নিয়ে অজুহাত সামনে এনেছেন। অধিনায়কের মুখে এমন কথা শুনে অসন্তুষ্ট খালেদ মাহমুদ সুজন।
৮ ঘণ্টা আগে
ওয়ানডের অন্যতম সেরা ফিনিশারের নাম বললে মাইকেল বেভান, মহেন্দ্র সিং ধোনি, বিরাট কোহলিরা থাকবেন ওপরের তালিকায়। ঠাণ্ডা মাথায় প্রতিপক্ষের কাছ থেকে অনেকবার জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন তাঁরা। গতকাল ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক শাই হোপ ধীরস্থির ব্যাটিংয়ে এড়ালেন ধবলধোলাই। পাহাড়সমান লক্ষ্য থাকলেও ঘাবড়ে যাননি তিনি।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে সপ্তম সেঞ্চুরির দেখা পেয়েছেন মাহমুদুল হাসান জয়। তাঁর সেঞ্চুরিতে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান স্টেডিয়ামে তুলনামূলক সুবিধাজনক অবস্থানে আছে স্বাগতিক চট্টগ্রাম। রাজশাহীর অর্ধেকেরও বেশি রান চট্টগ্রাম করে ফেলেছে কোনো উইকেট না হারিয়ে। চট্টগ্রাম দ্বিতীয় দিনটা স্বস্তিতে
৯ ঘণ্টা আগে