গনেশ দাস, বগুড়া

বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। এর ফলে প্রতিদিন প্রায় ৩৫ হাজার শিক্ষার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রেললাইন পার হয়ে কলেজে যাতায়াত করছেন। অতীতে এখানে একাধিক প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই দখল ও ব্যবসার নেপথ্যে রেলওয়ে শ্রমিক দল, ছাত্রদল ও জামায়াতের কিছু নেতার প্রভাব রয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ স্থাপনাগুলো টিকে আছে।
জানা গেছে, এই রেলপথ দিয়ে সান্তাহার-বোনারপাড়া রুটে প্রতিদিন ১৮টি ট্রেন চলাচল করে। অন্যদিকে কলেজে যাতায়াতের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৩৫ হাজার শিক্ষার্থীকে রেললাইন পার হতে হয়। অথচ এখানে কোনো স্থায়ী রেলগেট বা পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নেই। অবৈধ স্থাপনাগুলোর কারণে দৃষ্টিসীমা বাধাগ্রস্ত হওয়ায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন শিক্ষার্থীরা।
কলেজ গেটসংলগ্ন রেলের জায়গায় নির্মিত একটি মাচার ওপর দোকান চালান জেমস নামের এক ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, সাইফুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি রেলের জায়গা ইজারা নিয়ে দোকান নির্মাণ করেছেন। সেখানে তিনি প্রতিদিন ভাড়া দিয়ে ব্যবসা করছেন। তিনিও বলেন, রেললাইন ঘেঁষে গড়ে ওঠা এসব অবৈধ স্থাপনার কারণেই দুর্ঘটনা ঘটে। এগুলো দ্রুত উচ্ছেদ করা জরুরি।
তবে সাইফুল ইসলাম দাবি করেন, তিনি রেলওয়ের আইন মেনে এবং খাজনা পরিশোধ করে দোকান নির্মাণের ইজারা নিয়েছেন। তাঁর দখলে থাকা কোনো জায়গাই অবৈধ নয়। তিনি বলেন, শুক্রবার সকালে শ্রমিক দলের ১৫-২০ জন নেতা-কর্মী আজিজুল হক কলেজ এলাকায় প্রায় আধা কিলোমিটারজুড়ে রেললাইনসংলগ্ন ফাঁকা জায়গা দখলের উদ্দেশ্যে বাঁশের খুঁটির সঙ্গে হলুদ রঙের দড়ি টানিয়ে দিয়ে যান।
জানতে চাইলে রেলওয়ে বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ও রেলওয়ে শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী বলেন, জামায়াতের কিছু লোক রেলের জায়গা দখল শুরু করেছেন। ফাঁকা জায়গা কেউ যেন দখল করতে না পারে, সে জন্য খুঁটির সঙ্গে দড়ি টানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বগুড়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও সাবেক জামায়াত নেতা এরশাদুল বারী বলেন, রেললাইনসংলগ্ন জায়গা ইজারা দেওয়ার দায় রেলওয়ে বিভাগের। দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায়ও তাদের নিতে হবে। তাঁর জানামতে জামায়াতের কোনো নেতা-কর্মী রেলের জায়গা দখলের সঙ্গে জড়িত নন। যাঁরা ইজারা নিয়ে ব্যবসা করছেন, তাঁরাও জামায়াতের কোনো পদে নেই। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী কোনো দখলদারিকে প্রশ্রয় দেয় না।
আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষ মাহফুজুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে অরক্ষিত এই রেলগেট পার হতে গিয়ে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিব হোসাইন মোস্তাকিম ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ হারান। এ ছাড়া এখানে আরও একাধিক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো সমাধান হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রেলওয়ে কর্মকর্তা বলেন, রেলওয়ে নিরাপত্তাবিধি অনুযায়ী লাইনের নির্ধারিত সীমানার মধ্যে কোনো স্থাপনা বৈধ নয়। তবু এখানে বিদ্যুৎ-সংযোগসহ আধাপাকা দোকান বছরের পর বছর দাঁড়িয়ে আছে। তিনি বলেন, ‘উচ্ছেদের নোটিশ দিলে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের পক্ষ থেকে চাপ আসে। ফলে আমাদের পক্ষে আর এগোনো সম্ভব হয় না।’
এ বিষয়ে রেলওয়ে বিভাগের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী আসলাম হোসাইন বলেন, ‘রেললাইনের ২০ ফুটের মধ্যে থাকা সব স্থাপনাই অবৈধ। এসব স্থাপনার কারণে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ২০ ফুটের মধ্যে কীভাবে দোকান নির্মাণের জন্য ইজারা দেওয়া হচ্ছে, তা রহস্যজনক।’

বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। এর ফলে প্রতিদিন প্রায় ৩৫ হাজার শিক্ষার্থী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রেললাইন পার হয়ে কলেজে যাতায়াত করছেন। অতীতে এখানে একাধিক প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, এই দখল ও ব্যবসার নেপথ্যে রেলওয়ে শ্রমিক দল, ছাত্রদল ও জামায়াতের কিছু নেতার প্রভাব রয়েছে। রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ স্থাপনাগুলো টিকে আছে।
জানা গেছে, এই রেলপথ দিয়ে সান্তাহার-বোনারপাড়া রুটে প্রতিদিন ১৮টি ট্রেন চলাচল করে। অন্যদিকে কলেজে যাতায়াতের জন্য প্রতিদিন প্রায় ৩৫ হাজার শিক্ষার্থীকে রেললাইন পার হতে হয়। অথচ এখানে কোনো স্থায়ী রেলগেট বা পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নেই। অবৈধ স্থাপনাগুলোর কারণে দৃষ্টিসীমা বাধাগ্রস্ত হওয়ায় যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন শিক্ষার্থীরা।
কলেজ গেটসংলগ্ন রেলের জায়গায় নির্মিত একটি মাচার ওপর দোকান চালান জেমস নামের এক ব্যবসায়ী। তিনি বলেন, সাইফুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি রেলের জায়গা ইজারা নিয়ে দোকান নির্মাণ করেছেন। সেখানে তিনি প্রতিদিন ভাড়া দিয়ে ব্যবসা করছেন। তিনিও বলেন, রেললাইন ঘেঁষে গড়ে ওঠা এসব অবৈধ স্থাপনার কারণেই দুর্ঘটনা ঘটে। এগুলো দ্রুত উচ্ছেদ করা জরুরি।
তবে সাইফুল ইসলাম দাবি করেন, তিনি রেলওয়ের আইন মেনে এবং খাজনা পরিশোধ করে দোকান নির্মাণের ইজারা নিয়েছেন। তাঁর দখলে থাকা কোনো জায়গাই অবৈধ নয়। তিনি বলেন, শুক্রবার সকালে শ্রমিক দলের ১৫-২০ জন নেতা-কর্মী আজিজুল হক কলেজ এলাকায় প্রায় আধা কিলোমিটারজুড়ে রেললাইনসংলগ্ন ফাঁকা জায়গা দখলের উদ্দেশ্যে বাঁশের খুঁটির সঙ্গে হলুদ রঙের দড়ি টানিয়ে দিয়ে যান।
জানতে চাইলে রেলওয়ে বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী ও রেলওয়ে শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ আলী বলেন, জামায়াতের কিছু লোক রেলের জায়গা দখল শুরু করেছেন। ফাঁকা জায়গা কেউ যেন দখল করতে না পারে, সে জন্য খুঁটির সঙ্গে দড়ি টানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
বগুড়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও সাবেক জামায়াত নেতা এরশাদুল বারী বলেন, রেললাইনসংলগ্ন জায়গা ইজারা দেওয়ার দায় রেলওয়ে বিভাগের। দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায়ও তাদের নিতে হবে। তাঁর জানামতে জামায়াতের কোনো নেতা-কর্মী রেলের জায়গা দখলের সঙ্গে জড়িত নন। যাঁরা ইজারা নিয়ে ব্যবসা করছেন, তাঁরাও জামায়াতের কোনো পদে নেই। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী কোনো দখলদারিকে প্রশ্রয় দেয় না।
আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষ মাহফুজুল ইসলাম বলেন, কিছুদিন আগে অরক্ষিত এই রেলগেট পার হতে গিয়ে হিসাববিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী রাকিব হোসাইন মোস্তাকিম ট্রেনের ধাক্কায় প্রাণ হারান। এ ছাড়া এখানে আরও একাধিক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করলেও এখনো দৃশ্যমান কোনো সমাধান হয়নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক রেলওয়ে কর্মকর্তা বলেন, রেলওয়ে নিরাপত্তাবিধি অনুযায়ী লাইনের নির্ধারিত সীমানার মধ্যে কোনো স্থাপনা বৈধ নয়। তবু এখানে বিদ্যুৎ-সংযোগসহ আধাপাকা দোকান বছরের পর বছর দাঁড়িয়ে আছে। তিনি বলেন, ‘উচ্ছেদের নোটিশ দিলে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের পক্ষ থেকে চাপ আসে। ফলে আমাদের পক্ষে আর এগোনো সম্ভব হয় না।’
এ বিষয়ে রেলওয়ে বিভাগের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী আসলাম হোসাইন বলেন, ‘রেললাইনের ২০ ফুটের মধ্যে থাকা সব স্থাপনাই অবৈধ। এসব স্থাপনার কারণে ট্রেন চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। ২০ ফুটের মধ্যে কীভাবে দোকান নির্মাণের জন্য ইজারা দেওয়া হচ্ছে, তা রহস্যজনক।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বায়ুদূষণরোধে সরকার সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করে উপজেলাটিতে সব ধরনের ইটভাটায় ইট পোড়ানো ও প্রস্তুতের কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
৩ ঘণ্টা আগে