বরগুনা প্রতিনিধি

বরগুনার পাথরঘাটা থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় এফবি শাহনাজ নামের একটি ট্রলারে সি হার্ট-৬ নামের একটি ফিসিং ভ্যাসেল (মাছধরা ট্রলিং) হামলা চালিয়েছে। এতে পাঁচ জেলে আহত হয়েছেন। গতকাল রোববার রাত আটটার দিকে পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য ঘাটে মাঝি মো. মনির হোসেন ট্রলার মালিক সমিতিতে এমন অভিযোগ জানিয়েছেন।
ট্রলারের মাঝি মনির হোসেন জানান, গত শনিবার রাতে বঙ্গোপসাগরের গভীরে তাঁরা ফিশিং ভ্যাসেলের জেলেদের হামলার শিকার হন। হামলায় পাথরঘাটা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বড় টেংড়া গ্রামের ছালাম বয়াতীর ছেলে কবির বয়াতী (৪০), তাঁর ভাই মনির হোসেন বয়াতী (৩০), ওই গ্রামের খালিল মোল্লার ছেলে সুমন (২৫), পাথরঘাটা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট পাথরঘাটা এলাকার মনিরের ছেলে শাহিন (২২) ও কালমেঘা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আবেদ আলী ছেলে শানু (৪৮) আহত হন।
মনির জানান, তাঁরা গত ২৯ সেপ্টেম্বর পাথরঘাটা মৎস্যঘাট থেকে ১৭ জন জেলে নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ শিকার করতে যান। শনিবার সন্ধ্যার পর মাছ শিকারের জন্য জাল ফেলে অপেক্ষা করেন জেলেরা। রাত আটটার দিকে সি হার্ট-৬ নামের একটি ট্রলি পূর্ব দিক থেকে এসে টর্চ লাইটের সংকেতে মাছধরা ট্রলারটিকে সামনে থেকে সরে যেতে বলে। এর কিছুক্ষণ পরেই তারা ট্রলারের প্রায় ৩০ পিচ জাল কেটে নিয়ে যায়। জাল কাটার বিষয়টি জানতে ট্রলারের মাঝি মনির হোসেন ট্রলার নিয়ে ভ্যাসেলের কাছাকাছি যান। এ সময় ভ্যাসেল থেকে ট্রলারের জেলেদের ওপর লোহার পাইপ ও বড় বড় পাথর দিয়ে হামলা চালানো হয়। ট্রলারের জেলেরা আত্মরক্ষার জন্য ব্রিজের মধ্যে ঢুকে পরেন। ভ্যাসেল থেকে নিক্ষেপ করা পাথর ও লোহার পাইপের আঘাতে ট্রলারের পাঁচ জেলে আহত হয়।
জানা গেছে, হামলার শিকার এফবি শাহনাজ ট্রলারের মালিক বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলার বগা গ্রামের জালাল ভাওয়ালী। অপরদিকে ফিশিং ভ্যাসেল সি-হার্টের মালিক চট্টগ্রামের আবদুল কাদের নামের এক ব্যক্তি।
ট্রলার মালিক জালাল ভাওয়ালী বলেন, 'এ বছর সাগরের সকল ট্রিপ গুলোতেই লস হয়েছে। এমনিতেই দুরবস্থার মধ্যে আছি। এর মধ্যে যদি এ রকম জলদস্যুরমতো হামলা করা হয় তাহলে পথে বসা ছাড়া উপায় নেই। আমি এর বিচার চাই।'
ফিশিং ভ্যাসেলের (ট্রলি) মালিক চট্টগ্রামের আব্দুল কাদের বলেন, 'জেলেদের ওপর হামলার ঘটনা আমার জানা নেই। আপনাদের কাছেই জেনেছি। আমার জাহাজের মাস্টারের কাছে খোঁজ নিয়ে দেখছি।'
এ বিষয়ে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ‘ফিসিং ভ্যাসল এর আগেও একাধিকবার একই ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা বুঝি না কেনো আমাদের ট্রলারগুলোর ওপর বারবার হামলা চালানো হয়। বিষয়টি নিয়ে ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে আমরা জাহাজের মালিকের সঙ্গে কথা বলেছি। আশা করছি সুষ্ঠু সমাধান পাবো।'

বরগুনার পাথরঘাটা থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় এফবি শাহনাজ নামের একটি ট্রলারে সি হার্ট-৬ নামের একটি ফিসিং ভ্যাসেল (মাছধরা ট্রলিং) হামলা চালিয়েছে। এতে পাঁচ জেলে আহত হয়েছেন। গতকাল রোববার রাত আটটার দিকে পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য ঘাটে মাঝি মো. মনির হোসেন ট্রলার মালিক সমিতিতে এমন অভিযোগ জানিয়েছেন।
ট্রলারের মাঝি মনির হোসেন জানান, গত শনিবার রাতে বঙ্গোপসাগরের গভীরে তাঁরা ফিশিং ভ্যাসেলের জেলেদের হামলার শিকার হন। হামলায় পাথরঘাটা উপজেলার সদর ইউনিয়নের বড় টেংড়া গ্রামের ছালাম বয়াতীর ছেলে কবির বয়াতী (৪০), তাঁর ভাই মনির হোসেন বয়াতী (৩০), ওই গ্রামের খালিল মোল্লার ছেলে সুমন (২৫), পাথরঘাটা পৌরসভার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ছোট পাথরঘাটা এলাকার মনিরের ছেলে শাহিন (২২) ও কালমেঘা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের আবেদ আলী ছেলে শানু (৪৮) আহত হন।
মনির জানান, তাঁরা গত ২৯ সেপ্টেম্বর পাথরঘাটা মৎস্যঘাট থেকে ১৭ জন জেলে নিয়ে গভীর সমুদ্রে মাছ শিকার করতে যান। শনিবার সন্ধ্যার পর মাছ শিকারের জন্য জাল ফেলে অপেক্ষা করেন জেলেরা। রাত আটটার দিকে সি হার্ট-৬ নামের একটি ট্রলি পূর্ব দিক থেকে এসে টর্চ লাইটের সংকেতে মাছধরা ট্রলারটিকে সামনে থেকে সরে যেতে বলে। এর কিছুক্ষণ পরেই তারা ট্রলারের প্রায় ৩০ পিচ জাল কেটে নিয়ে যায়। জাল কাটার বিষয়টি জানতে ট্রলারের মাঝি মনির হোসেন ট্রলার নিয়ে ভ্যাসেলের কাছাকাছি যান। এ সময় ভ্যাসেল থেকে ট্রলারের জেলেদের ওপর লোহার পাইপ ও বড় বড় পাথর দিয়ে হামলা চালানো হয়। ট্রলারের জেলেরা আত্মরক্ষার জন্য ব্রিজের মধ্যে ঢুকে পরেন। ভ্যাসেল থেকে নিক্ষেপ করা পাথর ও লোহার পাইপের আঘাতে ট্রলারের পাঁচ জেলে আহত হয়।
জানা গেছে, হামলার শিকার এফবি শাহনাজ ট্রলারের মালিক বাগেরহাট জেলার কচুয়া উপজেলার বগা গ্রামের জালাল ভাওয়ালী। অপরদিকে ফিশিং ভ্যাসেল সি-হার্টের মালিক চট্টগ্রামের আবদুল কাদের নামের এক ব্যক্তি।
ট্রলার মালিক জালাল ভাওয়ালী বলেন, 'এ বছর সাগরের সকল ট্রিপ গুলোতেই লস হয়েছে। এমনিতেই দুরবস্থার মধ্যে আছি। এর মধ্যে যদি এ রকম জলদস্যুরমতো হামলা করা হয় তাহলে পথে বসা ছাড়া উপায় নেই। আমি এর বিচার চাই।'
ফিশিং ভ্যাসেলের (ট্রলি) মালিক চট্টগ্রামের আব্দুল কাদের বলেন, 'জেলেদের ওপর হামলার ঘটনা আমার জানা নেই। আপনাদের কাছেই জেনেছি। আমার জাহাজের মাস্টারের কাছে খোঁজ নিয়ে দেখছি।'
এ বিষয়ে বরগুনা জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী বলেন, ‘ফিসিং ভ্যাসল এর আগেও একাধিকবার একই ঘটনা ঘটিয়েছে। আমরা বুঝি না কেনো আমাদের ট্রলারগুলোর ওপর বারবার হামলা চালানো হয়। বিষয়টি নিয়ে ট্রলার মালিক সমিতির পক্ষ থেকে আমরা জাহাজের মালিকের সঙ্গে কথা বলেছি। আশা করছি সুষ্ঠু সমাধান পাবো।'

কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নে গুলিবিদ্ধ শিশু আফনান ও নাফ নদীতে মাইন বিস্ফোরণে আহত যুবক মো. হানিফের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছে উপজেলা প্রশাসন। পাশাপাশি জেলা পরিষদের পক্ষ থেকেও আরও কিছু অনুদান দেওয়ার কথা জানানো হয়েছে।
৩১ মিনিট আগে
ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
৪৩ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
২ ঘণ্টা আগে