পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার পাথরঘাটায় এক মাদ্রাসাছাত্রকে অপহরণের পর নির্যাতনের ভিডিও পরিবারের কাছে পাঠিয়ে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে অপহরণকারীরা। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন নিখোঁজ কিশোরের বাবা। পুলিশ বলছে, ওই কিশোরকে উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্রের নাম হাসিবুল ইসলাম (১৪)। সে পাথরঘাটার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ পাথরঘাটা গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে এবং পাথরঘাটা সিদ্দিকীয়া ফাজিল মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্র।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম হাওলাদার। তিনি বলেন, ‘কিশোর ওই মাদ্রাসাছাত্র নিখোঁজের ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। পুলিশের অনুসন্ধান অব্যাহত আছে।’
কিশোর হাসিবের বাবা শফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে আমি অসুস্থ থাকায় পাথরঘাটা প্রেসক্লাবের সামনে আমার দোকানে হাসিব বসত। পরে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে হাসিবকে বাড়িতে আসার জন্য ফোনে কথা বলি। তখন হাসিব আমাকে বলে, দোকান আটকানো হয়েছে, বাড়িতে আসতাছি। কিন্তু অনেক রাত হলেও বাড়িতে না আসলে আবার ফোন করি, কিন্তু ওর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। রাতে অনেক খোঁজাখুঁজি করার সময় প্রতিবেশী রিমন জানায়, হাসিবকে অপরিচিত একজন পূজা দেখানোর জন্য নিয়ে গেছে। রিমনকেও যেতে বলেছিল কিন্তু সে যায়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘পরদিন শনিবার সকালে নিকট আত্মীয়স্বজনদের বাড়িতে খোঁজ নিয়েও কোনো সন্ধান হাসিবের মেলেনি। পরে শনিবার সন্ধ্যায় হাসিবের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে কল দিয়ে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ চায় অপহরণকারীরা। পরে শনিবার রাতেই থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করি।’
শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘মুক্তিপণের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় রোববার বিকেলে আমার ভাই মনিরের মোবাইলে হাসিবকে নির্যাতনের পর হাত, পা ও মুখ বাঁধা দুটি ভিডিও পাঠিয়েছে অপহরণকারীরা। ওখানে হাসিবুলের গোঙানোর শব্দ পাওয়া গেছে। পুরো পরিবার দুশ্চিন্তায় আছি।’

বরগুনার পাথরঘাটায় এক মাদ্রাসাছাত্রকে অপহরণের পর নির্যাতনের ভিডিও পরিবারের কাছে পাঠিয়ে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করেছে অপহরণকারীরা। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন নিখোঁজ কিশোরের বাবা। পুলিশ বলছে, ওই কিশোরকে উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
নিখোঁজ মাদ্রাসাছাত্রের নাম হাসিবুল ইসলাম (১৪)। সে পাথরঘাটার সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ পাথরঘাটা গ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে এবং পাথরঘাটা সিদ্দিকীয়া ফাজিল মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্র।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাথরঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম হাওলাদার। তিনি বলেন, ‘কিশোর ওই মাদ্রাসাছাত্র নিখোঁজের ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। পুলিশের অনুসন্ধান অব্যাহত আছে।’
কিশোর হাসিবের বাবা শফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কয়েক দিন ধরে আমি অসুস্থ থাকায় পাথরঘাটা প্রেসক্লাবের সামনে আমার দোকানে হাসিব বসত। পরে শুক্রবার রাত ৯টার দিকে হাসিবকে বাড়িতে আসার জন্য ফোনে কথা বলি। তখন হাসিব আমাকে বলে, দোকান আটকানো হয়েছে, বাড়িতে আসতাছি। কিন্তু অনেক রাত হলেও বাড়িতে না আসলে আবার ফোন করি, কিন্তু ওর ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। রাতে অনেক খোঁজাখুঁজি করার সময় প্রতিবেশী রিমন জানায়, হাসিবকে অপরিচিত একজন পূজা দেখানোর জন্য নিয়ে গেছে। রিমনকেও যেতে বলেছিল কিন্তু সে যায়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘পরদিন শনিবার সকালে নিকট আত্মীয়স্বজনদের বাড়িতে খোঁজ নিয়েও কোনো সন্ধান হাসিবের মেলেনি। পরে শনিবার সন্ধ্যায় হাসিবের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর থেকে কল দিয়ে তিন লাখ টাকা মুক্তিপণ চায় অপহরণকারীরা। পরে শনিবার রাতেই থানায় নিখোঁজ ডায়েরি করি।’
শফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘মুক্তিপণের টাকা দিতে দেরি হওয়ায় রোববার বিকেলে আমার ভাই মনিরের মোবাইলে হাসিবকে নির্যাতনের পর হাত, পা ও মুখ বাঁধা দুটি ভিডিও পাঠিয়েছে অপহরণকারীরা। ওখানে হাসিবুলের গোঙানোর শব্দ পাওয়া গেছে। পুরো পরিবার দুশ্চিন্তায় আছি।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৩১ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৩৫ মিনিট আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
১ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
১ ঘণ্টা আগে