বরগুনা প্রতিনিধি

নাশকতার চেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর জামিনে বেরিয়ে নৌকা প্রতীকের জনসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ওপর প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন সদর উপজেলার বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মতিউর রহমান রাজা। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তালতলী উপজেলার তালতলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নৌকার জনসভায় বক্তব্যে তিনি এই হুমকি দেন। এ সময় মঞ্চে বরগুনা-১ (সদর, তালতলী ও আমতলী) আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু উপস্থিত ছিলেন।
মতিউর রহমান রাজা বলেন, ‘আমি শম্ভুদার পক্ষ নিয়ে গৌরীচন্নার জনসভায় বক্তৃতা দেওয়ার কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী আমাকে গ্রেপ্তার করিয়েছে আমার বাড়ির সামনে থেকে। জানি না তাঁর কত বড় হাত। আমার নেতা আমাকে জামিন করিয়েছেন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে। বলেছেন, “তুমি ভয় পেয়ো না, নির্বাচন চালিয়ে যাও।” কে কী পারেন আর কে কী পারেন না জানা আছে। গোলাম সরোয়ার টুকু সাহেব, খলিল ভাই, ফোরকান ভাই, তার সাথে শম্ভুদার তুলনা নাই।’
এরপর ওই ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান স্বপন শরীফের উদ্দেশে মতিউর রহমান রাজা বলেন, ‘আমি যখন একা ছিলাম, চেয়ারম্যান হিসেবে তখন একা যুদ্ধ করে, তখন আপনারা বড় বড় নেতা নিয়াও আমার সাথে যুদ্ধ করেছেন। আজকে যখন আমার মাথার ওপর একটি ছাদ (ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু) দাঁড়িয়েছে, তখন আবার হুমকি দেওয়া শুরু করেছেন। আপনি তো জানেন না, এ হাত কত লম্বা। এ ছাদের হাত অনেক বড় লম্বা। আমাকে তো দূরের কথা, কোনো সাধারণ মানুষকেও ভয় দেখালে ৭ তারিখের পরে আমি আমার নেতার নেতৃত্বে প্রতিশোধ নেব।’
সদর উপজেলার বদরখালী ইউপি নির্বাচনে বিএনপি-সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে জয়লাভ করেন মতিউর রহমান রাজা। তিনি জেলা বিএনপির (নজরুল-হালিম কমিটি) সদস্য ছিলেন। এ ছাড়া তিনি জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন।
এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নে গৌরীচন্না মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নৌকা প্রতীকের জনসভায় ভোট চেয়ে বক্তব্য দেন এই ইউপি চেয়ারম্যান। পরদিন সোমবার এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে রাজাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা এবং বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহারের অভিযোগে করা পৃথক দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। গতকাল বরগুনা-১ আসনের নৌকার প্রার্থী অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু নিজেই আদালতে জামিন আবেদন করে নিজের জিম্মায় পরবর্তী ধার্য তারিখ পর্যন্ত তাঁকে জামিনে বের করেন।
গত নভেম্বরে নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা এবং বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহারের অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে বিএনপির শতাধিক নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে সদর থানায় দুটি মামলা করে। সেই নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টার মামলায় মতিউর রহমান রাজা এজাহারভুক্ত আসামি।
রাজার বক্তব্য প্রসঙ্গে বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু বলেন, ‘সাত মাস আগে রাজা আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছে। তবে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। গোপন রাখা হয়েছিল। সে এখন আমাদের লোক। নাশকতার চেষ্টা মামলায় আসামি হওয়ার বিষয়টি আমরা জানতাম না। তাকে মামলা থেকে মুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।’
এ বিষয়ে মতিউর রহমান রাজা বলেন, ‘আমি হুমকি দিইনি। বলেছি, নির্বাচন শেষে আমাদের দেখা হবে। এটা হুমকি দেওয়া না।’
জানতে চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বরগুনার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহা. রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। এমন বক্তব্য দিয়ে থাকলে অবশ্যই খোঁজ নিয়ে আমরা ব্যবস্থা নেব।’

নাশকতার চেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার হওয়ার পর জামিনে বেরিয়ে নৌকা প্রতীকের জনসভায় স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ওপর প্রতিশোধ নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন সদর উপজেলার বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মতিউর রহমান রাজা। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তালতলী উপজেলার তালতলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নৌকার জনসভায় বক্তব্যে তিনি এই হুমকি দেন। এ সময় মঞ্চে বরগুনা-১ (সদর, তালতলী ও আমতলী) আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু উপস্থিত ছিলেন।
মতিউর রহমান রাজা বলেন, ‘আমি শম্ভুদার পক্ষ নিয়ে গৌরীচন্নার জনসভায় বক্তৃতা দেওয়ার কারণে স্বতন্ত্র প্রার্থী আমাকে গ্রেপ্তার করিয়েছে আমার বাড়ির সামনে থেকে। জানি না তাঁর কত বড় হাত। আমার নেতা আমাকে জামিন করিয়েছেন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে। বলেছেন, “তুমি ভয় পেয়ো না, নির্বাচন চালিয়ে যাও।” কে কী পারেন আর কে কী পারেন না জানা আছে। গোলাম সরোয়ার টুকু সাহেব, খলিল ভাই, ফোরকান ভাই, তার সাথে শম্ভুদার তুলনা নাই।’
এরপর ওই ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান স্বপন শরীফের উদ্দেশে মতিউর রহমান রাজা বলেন, ‘আমি যখন একা ছিলাম, চেয়ারম্যান হিসেবে তখন একা যুদ্ধ করে, তখন আপনারা বড় বড় নেতা নিয়াও আমার সাথে যুদ্ধ করেছেন। আজকে যখন আমার মাথার ওপর একটি ছাদ (ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু) দাঁড়িয়েছে, তখন আবার হুমকি দেওয়া শুরু করেছেন। আপনি তো জানেন না, এ হাত কত লম্বা। এ ছাদের হাত অনেক বড় লম্বা। আমাকে তো দূরের কথা, কোনো সাধারণ মানুষকেও ভয় দেখালে ৭ তারিখের পরে আমি আমার নেতার নেতৃত্বে প্রতিশোধ নেব।’
সদর উপজেলার বদরখালী ইউপি নির্বাচনে বিএনপি-সমর্থিত স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে অংশ নিয়ে জয়লাভ করেন মতিউর রহমান রাজা। তিনি জেলা বিএনপির (নজরুল-হালিম কমিটি) সদস্য ছিলেন। এ ছাড়া তিনি জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি প্রার্থী ছিলেন।
এর আগে গত ২৪ ডিসেম্বর সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নে গৌরীচন্না মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে নৌকা প্রতীকের জনসভায় ভোট চেয়ে বক্তব্য দেন এই ইউপি চেয়ারম্যান। পরদিন সোমবার এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে রাজাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা এবং বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহারের অভিযোগে করা পৃথক দুটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়। গতকাল বরগুনা-১ আসনের নৌকার প্রার্থী অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু নিজেই আদালতে জামিন আবেদন করে নিজের জিম্মায় পরবর্তী ধার্য তারিখ পর্যন্ত তাঁকে জামিনে বের করেন।
গত নভেম্বরে নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টা এবং বিস্ফোরক দ্রব্য ব্যবহারের অভিযোগে পুলিশ বাদী হয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইনে বিএনপির শতাধিক নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে সদর থানায় দুটি মামলা করে। সেই নাশকতা সৃষ্টির চেষ্টার মামলায় মতিউর রহমান রাজা এজাহারভুক্ত আসামি।
রাজার বক্তব্য প্রসঙ্গে বরগুনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু বলেন, ‘সাত মাস আগে রাজা আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছে। তবে বিষয়টি কাউকে জানায়নি। গোপন রাখা হয়েছিল। সে এখন আমাদের লোক। নাশকতার চেষ্টা মামলায় আসামি হওয়ার বিষয়টি আমরা জানতাম না। তাকে মামলা থেকে মুক্ত করার প্রক্রিয়া চলছে।’
এ বিষয়ে মতিউর রহমান রাজা বলেন, ‘আমি হুমকি দিইনি। বলেছি, নির্বাচন শেষে আমাদের দেখা হবে। এটা হুমকি দেওয়া না।’
জানতে চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বরগুনার জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহা. রফিকুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। এমন বক্তব্য দিয়ে থাকলে অবশ্যই খোঁজ নিয়ে আমরা ব্যবস্থা নেব।’

কুলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, আনন্দ বাজার এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসহ ঘোরাফেরা করতে দেখে আনোয়ারকে আটক করে স্থানীয় লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এনে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলি করা হয়। আজ বুধবার সকালে ইউএনও মাসুদুর রহমান নিজেই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বর্তমান কলেজ প্রশাসন ছাত্রাবাসটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেয়। ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৪ জন শিক্ষার্থীকে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা সেখানে উঠবেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
২ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর এলাকায় একটি প্লাস্টিক পণ্য তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টায় গোগনগরের মসিনাবন্দ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। প্রায় চার ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।
৩ ঘণ্টা আগে