পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি

ইলিশ ধরা, পরিবহন ও বিক্রিতে চলছে ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা। এর ফলে জেলেরা ইলিশ শিকারে যাচ্ছেন না। বাজারে মাছ না থাকায় বেড়েছে হাঁস-মুরগিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম। নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার কারণে তা নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে বলে জানান ক্রেতারা।
বরগুনার পাথরঘাটায় প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ মাছ আহরণ করেই জীবিকা চালান। এখানকার জেলেদের বিকল্প কোনো কাজ নেই। মাছ শিকার করাই তাঁদের একমাত্র পেশা। ইলিশ ধরা, পরিবহন ও বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা চলায় উপজেলার জেলেরা এখন জালের রশি বদলানো, ছেঁড়া জাল মেরামত ও মাছ ধরার নৌকা সংস্কার করে সময় পার করছেন। আয়ের উৎস বন্ধ থাকায় বেকার হয়ে পড়েছেন এসব জেলে। বাজারে দ্রব্যমূল্য্য ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় এসব বেকার জেলের মধ্যেও হতাশা লক্ষ করা গেছে।
পাথরঘাটা বাজার ঘুরে দেখা যায়, কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, শিমসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামালের মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি বয়লার মুরগি ১৭০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৮০ টাকা, দেশি মুরগি ৩৫০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া হাঁস ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
জেলে রুহুল আমিন জানান, নদীতে মাছ ধরা নিষেধ। এখন বাজারে আইয়া দেহি সবকিছুর দাম হাতে বিঘাতে।
পাথরঘাটা বাজারে প্রবীণ মুরগি ব্যবসায়ী শামসুল আলম জানান, বাজারে মাছ না থাকার কারণে মুরগির চাহিদা বেড়েছে। পর্যাপ্ত মুরগির আমদানি না থাকায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে শিগগিরই দাম কমার সম্ভাবনা নেই।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ আল-মুজাহিদ জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার যাতে ঊর্ধ্বমুখী না হয়, সে জন্য বাজার প্রতিনিয়ত মনিটরিং করা হচ্ছে। তার পরেও উত্তরাঞ্চল বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়ায় কাঁচামালের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

ইলিশ ধরা, পরিবহন ও বিক্রিতে চলছে ২২ দিনের সরকারি নিষেধাজ্ঞা। এর ফলে জেলেরা ইলিশ শিকারে যাচ্ছেন না। বাজারে মাছ না থাকায় বেড়েছে হাঁস-মুরগিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম। নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার কারণে তা নিম্ন আয়ের মানুষের ক্রয়ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে বলে জানান ক্রেতারা।
বরগুনার পাথরঘাটায় প্রায় অর্ধলক্ষ মানুষ মাছ আহরণ করেই জীবিকা চালান। এখানকার জেলেদের বিকল্প কোনো কাজ নেই। মাছ শিকার করাই তাঁদের একমাত্র পেশা। ইলিশ ধরা, পরিবহন ও বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা চলায় উপজেলার জেলেরা এখন জালের রশি বদলানো, ছেঁড়া জাল মেরামত ও মাছ ধরার নৌকা সংস্কার করে সময় পার করছেন। আয়ের উৎস বন্ধ থাকায় বেকার হয়ে পড়েছেন এসব জেলে। বাজারে দ্রব্যমূল্য্য ঊর্ধ্বমুখী হওয়ায় এসব বেকার জেলের মধ্যেও হতাশা লক্ষ করা গেছে।
পাথরঘাটা বাজার ঘুরে দেখা যায়, কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, শিমসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় মালামালের মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি বয়লার মুরগি ১৭০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৮০ টাকা, দেশি মুরগি ৩৫০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। এ ছাড়া হাঁস ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।
জেলে রুহুল আমিন জানান, নদীতে মাছ ধরা নিষেধ। এখন বাজারে আইয়া দেহি সবকিছুর দাম হাতে বিঘাতে।
পাথরঘাটা বাজারে প্রবীণ মুরগি ব্যবসায়ী শামসুল আলম জানান, বাজারে মাছ না থাকার কারণে মুরগির চাহিদা বেড়েছে। পর্যাপ্ত মুরগির আমদানি না থাকায় দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে শিগগিরই দাম কমার সম্ভাবনা নেই।
পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হোসাইন মোহাম্মদ আল-মুজাহিদ জানান, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার যাতে ঊর্ধ্বমুখী না হয়, সে জন্য বাজার প্রতিনিয়ত মনিটরিং করা হচ্ছে। তার পরেও উত্তরাঞ্চল বন্যার পানিতে ডুবে যাওয়ায় কাঁচামালের দাম কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে সড়কে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। কৃষকেরা দাবি করেছেন, তাঁদের ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে সড়ক নির্মাণের পর সেই জমি আবার ভরাট করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু আট মাস পেরিয়ে গেলেও কথা রাখেনি তারা।
৫ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে লক্ষ্মীপুরে চারটি আসনে বইছে ভোটের আমেজ। সব কটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা দিয়ে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে ব্যস্ত সময় পার করছে বড় দুই রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াত। বসে নেই অন্য দলের প্রার্থীরাও। সকাল-বিকেল চালাচ্ছেন প্রচারণা।
৫ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রীয় শোক এবং পুলিশের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাজধানীতে আতশবাজি ফোটানো ও ফানুস উড়িয়ে খ্রিষ্টীয় নববর্ষ উদ্যাপন করেছে নগরবাসী। খ্রিষ্টীয় নববর্ষ ২০২৬-এর প্রথম প্রহরে নগরজুড়ে বাসাবাড়ির ছাদে ছাদে আতশবাজি ফোটানো ও ফানুস ওড়ানোর দৃশ্য দেখা যায়। এ সময় চারপাশে বিকট শব্দ শোনা যায়।
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৯ লাখ ৮২ হাজার ৮৪১ টাকা। তাঁর স্ত্রী মারিয়া আক্তারের সম্পদের পরিমাণ ২ লাখ ৬৬ হাজার ৮১৮ টাকা। তাঁদের কোনো স্বর্ণালংকার নেই।
৭ ঘণ্টা আগে