নির্দলীয় তদারকি সরকারের অধীনে নির্বাচন ও সরকারের পদত্যাগসহ ৫ দফা দাবিতে বরিশালে পদযাত্রা ও অবস্থান কর্মসূচি করেছে জেলা বাম গণতান্ত্রিক জোট। আজ বুধবার শহরের অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। শেষে অশ্বিনী কুমার হল থেকে নথুল্লাবাদ পর্যন্ত পদযাত্রা করে নেতাকর্মীরা।
এ সময় বক্তারা বলেন, সরকারের দুঃশাসনে জনজীবন অতিষ্ঠ। একদিকে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, আরেকদিকে গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার ভূলুন্ঠিত। ১৫ বছর জনগণের ভোটাধিকার পদদলিত করে আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন ২০২৪ সালেও একতরফা নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
বক্তারা আরও বলেন, স্বৈরাচারী আইয়ুব সরকার, এরশাদ সরকারের যেভাবে গণ-অভ্যুত্থানের মুখে পতন হয়েছিল, আওয়ামী সরকারেরও সেভাবেই পতন হবে। অবিলম্বে সংসদ ভেঙে তদারকি সরকারের অধীনে সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনের জোর দাবি জানান তারা।
বাম গণতান্ত্রিক জোটের জেলা সমন্বয়কারী অধ্যাপক শাহ আজিজ খোকনের সভাপতিত্বে অবস্থান কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) জেলা সভাপতি অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সেলিম, বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) জেলা সদস্যসচিব ডা. মনীষা চক্রবর্তী, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের জেলা সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নৃপেন্দ্রনাথ বাঢ়ৈ প্রমুখ।

বর্ষা এলেই মৌলভীবাজারের টিলা-পাহাড়ঘেরা জনপদে নেমে আসে আতঙ্ক। তবু ঝুঁকি নিয়ে এসব স্থানে বসবাস করছে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত চার বছরে টিলাধসে অন্তত ১০ জনের প্রাণহানি ঘটেছে। এরপরও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় বসবাসকারী পরিবারগুলোর নিরাপদ পুনর্বাসনে দৃশ্যমান ও কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
১ ঘণ্টা আগে
গর্ভাবস্থার শুরু থেকে ঠাকুরগাঁও মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নিচ্ছিলেন রাশেদা আক্তার। চিকিৎসকদের আশ্বাস আর সাশ্রয়ী খরচের কথা ভেবে আশা করেছিলেন, সরকারি এ প্রতিষ্ঠানেই নিরাপদে জন্ম নেবে তাঁর সন্তান। কিন্তু প্রসববেদনা নিয়ে গত বৃহস্পতিবার তিনি হাসপাতালে পৌঁছার পর আশাহত হন।
২ ঘণ্টা আগে
মাগুরার শ্রীপুরে প্রতিবেশীদের হামলায় গুরুতর আহত আমিরুল মোল্যা (৫০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তাঁর মৃত্যুর খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর উপজেলার গয়েশপুর ইউনিয়নের সোয়া শতডাঙ্গা গ্রামে অন্তত ১০টি বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
পাবনা শহরে রয়েছে অসংখ্য পুকুর, দিঘি ও প্রাকৃতিক জলাধার। একসময় এসব জলাধার ছিল সুপেয় পানির প্রধান উৎস, ভূগর্ভস্থ পানির ভারসাম্য রক্ষার কার্যকর মাধ্যম এবং নগরীর সৌন্দর্যের অনন্য নিদর্শন। কিন্তু দখল, দূষণ ও রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে এসব জলাধার হারিয়ে যাওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে