নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বরিশালের মুলাদীতে আলোচিত মনির হত্যা মামলার আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) দুই সদস্য। গতকাল সোমবার রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার মীরগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
এ সময় সন্দেহভাজন আসামি আব্বাস হাওলাদার ও তাঁর সঙ্গীরা পালিয়ে যান। আজ মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত এ ঘটনায় সিআইডি মুলাদী কিংবা ঘটনাস্থলসংলগ্ন বাবুগঞ্জ থানায় কোনো অভিযোগ দেয়নি।
হামলার শিকার সিআইডির উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মুলাদীর মনির হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও সন্দেহভাজন আসামি আব্বাস হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করতে মীরগঞ্জ ফেরিঘাটের পন্টুনে অবস্থান নিয়েছিলাম। এ সময় আসামির স্বজনেরা আমাদের ঘেরাও করে। ধস্তাধস্তিতে আমি ও কনস্টেবল আবদুল হাকিম আহত হয়েছি।’
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আব্বাসের ভাইসহ ৫-৬ জন সিআইডিকে বাধা দেয়। এ সময় সিআইডির সঙ্গে আসামির লোকজনের হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। এ সুযোগে আসামি আব্বাস পালিয়ে যায়। ধস্তাধস্তিতে সিআইডির এসআই রুহুল হাতে জখম ও কনস্টেবল আহত হন।
স্থানীয় কয়েকজন জানান, হামলায় অংশ নেন সন্দেহভাজন আসামি আব্বাস, তাঁর বাবা আবদুর রব, ভাই নাসির উদ্দিন, ইদ্রিস, কছির উদ্দিন এবং সাইফুল ইসলাম।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তুষার কুমার মণ্ডল বলেন, ‘মীরগঞ্জ ফেরিঘাটের পন্টুনে সিআইডি টিমের ওপর হামলার বিষয়টি শুনেছি। তবে ঘটনাস্থল বাবুগঞ্জ থানার আওতায় হওয়ায় সেখানে যাইনি। শুধু একজন এসআইকে পাঠিয়েছিলাম বিষয়টি নিশ্চিত হতে।’
বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সিআইডির পক্ষ থেকে কিংবা সিআইডির কোনো সদস্য এখনো কোনো অভিযোগ দেননি। তবে সিআইডির সদস্যদের ওপর হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।’
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৪ মে মুলাদীর চর কমিশনার গ্রামের ঘেরের পাশে মনির হাওলাদারের (২২) চোখ উপড়ানো ও গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় মনিরের ছোট ভাই পারভেজ হাওলাদার বাদী হয়ে ১১ জনের বিরুদ্ধে মুলাদী থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে একই বছরের ৪ জুলাই মামলা তদন্তের জন্য সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়।

বরিশালের মুলাদীতে আলোচিত মনির হত্যা মামলার আসামি ধরতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) দুই সদস্য। গতকাল সোমবার রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার মীরগঞ্জ ফেরিঘাট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
এ সময় সন্দেহভাজন আসামি আব্বাস হাওলাদার ও তাঁর সঙ্গীরা পালিয়ে যান। আজ মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত এ ঘটনায় সিআইডি মুলাদী কিংবা ঘটনাস্থলসংলগ্ন বাবুগঞ্জ থানায় কোনো অভিযোগ দেয়নি।
হামলার শিকার সিআইডির উপপরিদর্শক (এসআই) রুহুল আমিন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মুলাদীর মনির হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও সন্দেহভাজন আসামি আব্বাস হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করতে মীরগঞ্জ ফেরিঘাটের পন্টুনে অবস্থান নিয়েছিলাম। এ সময় আসামির স্বজনেরা আমাদের ঘেরাও করে। ধস্তাধস্তিতে আমি ও কনস্টেবল আবদুল হাকিম আহত হয়েছি।’
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আব্বাসের ভাইসহ ৫-৬ জন সিআইডিকে বাধা দেয়। এ সময় সিআইডির সঙ্গে আসামির লোকজনের হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি হয়। এ সুযোগে আসামি আব্বাস পালিয়ে যায়। ধস্তাধস্তিতে সিআইডির এসআই রুহুল হাতে জখম ও কনস্টেবল আহত হন।
স্থানীয় কয়েকজন জানান, হামলায় অংশ নেন সন্দেহভাজন আসামি আব্বাস, তাঁর বাবা আবদুর রব, ভাই নাসির উদ্দিন, ইদ্রিস, কছির উদ্দিন এবং সাইফুল ইসলাম।
মুলাদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তুষার কুমার মণ্ডল বলেন, ‘মীরগঞ্জ ফেরিঘাটের পন্টুনে সিআইডি টিমের ওপর হামলার বিষয়টি শুনেছি। তবে ঘটনাস্থল বাবুগঞ্জ থানার আওতায় হওয়ায় সেখানে যাইনি। শুধু একজন এসআইকে পাঠিয়েছিলাম বিষয়টি নিশ্চিত হতে।’
বাবুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সিআইডির পক্ষ থেকে কিংবা সিআইডির কোনো সদস্য এখনো কোনো অভিযোগ দেননি। তবে সিআইডির সদস্যদের ওপর হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।’
উল্লেখ্য, গত বছরের ২৪ মে মুলাদীর চর কমিশনার গ্রামের ঘেরের পাশে মনির হাওলাদারের (২২) চোখ উপড়ানো ও গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই ঘটনায় মনিরের ছোট ভাই পারভেজ হাওলাদার বাদী হয়ে ১১ জনের বিরুদ্ধে মুলাদী থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে একই বছরের ৪ জুলাই মামলা তদন্তের জন্য সিআইডিতে হস্তান্তর করা হয়।

ফরিদপুরের ভাঙ্গায় আধিপত্য বিস্তার ও জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের সরইবাড়ি গ্রামে তালুকদার ও খান পক্ষের মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়।
২৫ মিনিট আগে
গণ-অভ্যুত্থানের পরও এই গ্যাস সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব হয়নি। বিভিন্ন অজুহাতে নতুন গ্যাস-সংযোগ বন্ধ থাকলেও তিতাস বিদ্যমান সংযোগগুলোতেও পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হচ্ছে। এমনকি গ্যাস পর্যাপ্ত থাকা সত্ত্বেও সিন্ডিকেট ও রেস্তোরাঁ ব্যবসা দখল নিতে করপোরেট প্রতিষ্ঠান কৃত্রিমভাবে গ্যাস-সংকট তৈরি করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়ায় ট্রাকচাপায় তাজুল ইসলাম (৪৭) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে উপজেলার চান্দলা ইউনিয়নের সবুজপাড়া এলাকায় কুমিল্লা-মিরপুর সড়কে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
সোমবার রাতে নবাবপুর মার্কেট থেকে কাজ শেষে হেঁটে বাসায় ফিরছিলেন ইব্রাহিম। জুরাইন বালুর মাঠ এলাকায় আসার পর সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হন। খবর পেয়ে রাস্তা থেকে ইব্রাহিমকে উদ্ধার করে প্রথমে আদ-দ্বীন হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
২ ঘণ্টা আগে