নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপাচার্য ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া ও প্রক্টর আব্দুল কাইউমের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই বিক্ষোভ হয়।
এ সময় আন্দোলনকারী সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের দুজনের পদত্যাগের জন্য ২৪ ঘণ্টা (মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত) সময় বেঁধে দিয়েছেন। বিক্ষোভকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোর থেকে শুরু করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ভিসির বাংলোয় অবস্থান নেন। পরে পুনরায় গ্রাউন্ড ফ্লোরে ফিরে আসে এবং ভিসি ও প্রক্টর বিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে।
বিক্ষোভকারী আইন বিভাগের শিক্ষার্থী সিরাজুল ইসলাম বলেন, কোটা বিরোধী আন্দোলনের সময় ভিসি ও প্রক্টর ক্যাম্পাসে থাকা অবস্থায় পুলিশ আমাদের ওপর হামলা চালায়। ভিসির উপস্থিতিতে যে ৩৫ জন শিক্ষক আমাদের পাশে এসে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন তাদের সন্ত্রাসী আখ্যা দেয়া হয়। ক্যাম্পাসে ৯০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী চায় না এই প্রক্টর থাকুক। তাই আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই, দেশ স্বাধীন হয়েছে। এই স্বাধীন দেশে কোনো ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারীর দোসর দুর্নীতিবাজ ভিসি ও প্রক্টরকে আমরা মেনে নেব না। তাই অবিলম্বে এই ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারীর দোসর ভিসি ও প্রক্টরকে পদত্যাগ করতে হবে।
ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এ কে আরাফাত নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে এই ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচার ভিসি ও প্রক্টরকে পদত্যাগ করতে হবে।
আন্দোলনকারীরা জানান, ভিসিসহ তার অনুসারীদের পদত্যাগের একদফা দাবিতে বিক্ষোভ করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। যতক্ষণ তাদের দাবি বাস্তবায়ন না হবে, ততক্ষণ তাদের আন্দোলন চলবে।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টার মধ্যে ফ্যাসিস্টের দালাল ভিসি ও প্রক্টর পদত্যাগ না করলে ভিসির বাসভবন ঘেরাও করা হবে এবং প্রক্টর অফিসে তালা ঝোলানো হবে বলেও জানায় আন্দোলনকারীরা।
এ বিষয়ে জানতে ববি উপাচার্য প্রফেসর ড. কদরুজ্জামান ভূঁইয়াকে ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরুর পর থেকে উপাচার্যকে দেখা যায়নি। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন যে উপাচার্য ক্যাম্পাসে নেই। কোথায় গেছেন, কখন আসবেন তাও জানেন না।
প্রসঙ্গত, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক বদরুজ্জামান ভূঁইয়া আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক উপকমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য ছিলেন।
এ ছাড়া প্রক্টর ড. আব্দুল কাইউম বরিশাল সিটি নিবাচনে নৌকা মার্কার মেয়র প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) উপাচার্য ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া ও প্রক্টর আব্দুল কাইউমের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এই বিক্ষোভ হয়।
এ সময় আন্দোলনকারী সাধারণ শিক্ষার্থীরা তাদের দুজনের পদত্যাগের জন্য ২৪ ঘণ্টা (মঙ্গলবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত) সময় বেঁধে দিয়েছেন। বিক্ষোভকারীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোর থেকে শুরু করে বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে ভিসির বাংলোয় অবস্থান নেন। পরে পুনরায় গ্রাউন্ড ফ্লোরে ফিরে আসে এবং ভিসি ও প্রক্টর বিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে।
বিক্ষোভকারী আইন বিভাগের শিক্ষার্থী সিরাজুল ইসলাম বলেন, কোটা বিরোধী আন্দোলনের সময় ভিসি ও প্রক্টর ক্যাম্পাসে থাকা অবস্থায় পুলিশ আমাদের ওপর হামলা চালায়। ভিসির উপস্থিতিতে যে ৩৫ জন শিক্ষক আমাদের পাশে এসে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন তাদের সন্ত্রাসী আখ্যা দেয়া হয়। ক্যাম্পাসে ৯০ শতাংশের বেশি শিক্ষার্থী চায় না এই প্রক্টর থাকুক। তাই আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা স্পষ্ট করে বলে দিতে চাই, দেশ স্বাধীন হয়েছে। এই স্বাধীন দেশে কোনো ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারীর দোসর দুর্নীতিবাজ ভিসি ও প্রক্টরকে আমরা মেনে নেব না। তাই অবিলম্বে এই ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচারীর দোসর ভিসি ও প্রক্টরকে পদত্যাগ করতে হবে।
ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের এ কে আরাফাত নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে এই ফ্যাসিস্ট ও স্বৈরাচার ভিসি ও প্রক্টরকে পদত্যাগ করতে হবে।
আন্দোলনকারীরা জানান, ভিসিসহ তার অনুসারীদের পদত্যাগের একদফা দাবিতে বিক্ষোভ করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। যতক্ষণ তাদের দাবি বাস্তবায়ন না হবে, ততক্ষণ তাদের আন্দোলন চলবে।
মঙ্গলবার দুপুর ১২টার মধ্যে ফ্যাসিস্টের দালাল ভিসি ও প্রক্টর পদত্যাগ না করলে ভিসির বাসভবন ঘেরাও করা হবে এবং প্রক্টর অফিসে তালা ঝোলানো হবে বলেও জানায় আন্দোলনকারীরা।
এ বিষয়ে জানতে ববি উপাচার্য প্রফেসর ড. কদরুজ্জামান ভূঁইয়াকে ফোন দেয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরুর পর থেকে উপাচার্যকে দেখা যায়নি। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন যে উপাচার্য ক্যাম্পাসে নেই। কোথায় গেছেন, কখন আসবেন তাও জানেন না।
প্রসঙ্গত, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক বদরুজ্জামান ভূঁইয়া আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক, শিল্প ও বাণিজ্যবিষয়ক উপকমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য ছিলেন।
এ ছাড়া প্রক্টর ড. আব্দুল কাইউম বরিশাল সিটি নিবাচনে নৌকা মার্কার মেয়র প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণায় সক্রিয় ভূমিকা রাখেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে