নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা বিভিন্ন হল এবং কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নাম পরিবর্তনের দাবি উঠেছে ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরপরই। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গত বছরের ২ ডিসেম্বর নাম পরিবর্তনবিষয়ক কমিটি গঠন করে। কিন্তু প্রায় দেড় মাসেও কোনো অগ্রগতি না থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ ছাড়া ছাত্রীরা একটি হলের নাম পরিবর্তন করে বীরাঙ্গনা সিতারা বেগম, বেগম রোকেয়া কিংবা শহীদ জননী জাহানারা ইমাম রাখার প্রস্তাব করেছেন। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক সমন্বয়ক হলটি জুলাই বিপ্লবে নিহত নাফিসা কিংবা রিয়া গোপের নামে রাখার প্রস্তাব করেছেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছাত্ররা গত মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু হলের নাম পরিবর্তন করে ‘বিজয় ২৪ হল’ এবং শেখ হাসিনা হলের নাম পরিবর্তন করে ‘কবি সুফিয়া কামাল হল’ ব্যানার টানিয়ে দেন। সেই সঙ্গে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নাম পরিবর্তন করে শুধু ‘কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি’ ব্যানার টানানো হয়। ওইদিন বিকেলে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপিও দেন তাঁরা। তাতে সাত কার্যদিবসের মধ্যে নাম পরিবর্তনের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বরিশাল মহানগর কমিটির আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শহীদুল ইসলাম সাহেদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নাম থেকে ‘শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত’, আবাসিক বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার নাম পরিবর্তন করার দাবি করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। কিন্তু এখনো নাম পরিবর্তন করা হয়নি। তাই শিক্ষার্থীরা নাম পরিবর্তন করে ব্যানার টানিয়েছেন।’
এদিকে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব হলের নাম পরিবর্তন করে বীরাঙ্গনা সিতারা বেগম, বেগম রোকেয়া কিংবা শহীদ জননী জাহানারা ইমাম রাখার প্রস্তাব দেন ছাত্রীরা। তা না মেনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সমন্বয়ক এবং নাম পরিবর্তনে গঠিত কমিটির সদস্য সিরাজুল ইসলাম প্রস্তাব করেন হলটি জুলাই বিপ্লবে নিহত নাফিসা ও রিয়া গোপের নামে। এ নিয়ে হলের আবাসিক ছাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হলে তাঁরা সেই রাতেই উপাচার্যের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন।
গণিত বিভাগের ছাত্রী তাছনিম জেরিন বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের না জানিয়ে বঙ্গমাতা হলের নাম রাখার পাঁয়তারা চলছে। সিরাজুল নামক এক সমন্বয়ক তাঁর মনগড়া নাম আমাদের ওপর চাপিয়ে দিয়ে স্বৈরাচারী মনোভব দেখিয়েছেন। এটা হতে পারে না। এর প্রতিবাদেই আমরা সেদিন বিক্ষোভ করি।’
অভিযোগের বিষয়ে সমন্বয়ক সিরাজুল ইসলাম বলেন, অন্য হলগুলোর নাম মোটামুটি ঠিক আছে। বঙ্গমাতা হলের নাম এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। এ বিষয়ে গণস্বাক্ষর নেওয়া হচ্ছে। এর ওপর ভিত্তি করে নাম পরিবর্তন কমিটির কাছে ৬টি নাম প্রস্তাব করা হবে। তবে আমরা সমন্বয়করা এ নামের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই।’
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. এ টি এম রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নাম পরিবর্তনসংক্রান্ত যে কমিটি হয়েছে, ওই কমিটি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে নাম প্রস্তাব করবে। সেগুলোর ওপর ভিত্তি করে সিন্ডিকেট সিদ্ধান্ত নেবে।’
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী বলেন, সিন্ডিকেট সভায় আলোচনার মাধ্যমে নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হবে।’

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নামে থাকা বিভিন্ন হল এবং কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নাম পরিবর্তনের দাবি উঠেছে ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরপরই। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন গত বছরের ২ ডিসেম্বর নাম পরিবর্তনবিষয়ক কমিটি গঠন করে। কিন্তু প্রায় দেড় মাসেও কোনো অগ্রগতি না থাকায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ ছাড়া ছাত্রীরা একটি হলের নাম পরিবর্তন করে বীরাঙ্গনা সিতারা বেগম, বেগম রোকেয়া কিংবা শহীদ জননী জাহানারা ইমাম রাখার প্রস্তাব করেছেন। তবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এক সমন্বয়ক হলটি জুলাই বিপ্লবে নিহত নাফিসা কিংবা রিয়া গোপের নামে রাখার প্রস্তাব করেছেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছাত্ররা গত মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু হলের নাম পরিবর্তন করে ‘বিজয় ২৪ হল’ এবং শেখ হাসিনা হলের নাম পরিবর্তন করে ‘কবি সুফিয়া কামাল হল’ ব্যানার টানিয়ে দেন। সেই সঙ্গে শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নাম পরিবর্তন করে শুধু ‘কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি’ ব্যানার টানানো হয়। ওইদিন বিকেলে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের কাছে স্মারকলিপিও দেন তাঁরা। তাতে সাত কার্যদিবসের মধ্যে নাম পরিবর্তনের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বরিশাল মহানগর কমিটির আহ্বায়ক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শহীদুল ইসলাম সাহেদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির নাম থেকে ‘শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত’, আবাসিক বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার নাম পরিবর্তন করার দাবি করেছিলেন শিক্ষার্থীরা। কিন্তু এখনো নাম পরিবর্তন করা হয়নি। তাই শিক্ষার্থীরা নাম পরিবর্তন করে ব্যানার টানিয়েছেন।’
এদিকে বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব হলের নাম পরিবর্তন করে বীরাঙ্গনা সিতারা বেগম, বেগম রোকেয়া কিংবা শহীদ জননী জাহানারা ইমাম রাখার প্রস্তাব দেন ছাত্রীরা। তা না মেনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সমন্বয়ক এবং নাম পরিবর্তনে গঠিত কমিটির সদস্য সিরাজুল ইসলাম প্রস্তাব করেন হলটি জুলাই বিপ্লবে নিহত নাফিসা ও রিয়া গোপের নামে। এ নিয়ে হলের আবাসিক ছাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হলে তাঁরা সেই রাতেই উপাচার্যের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন।
গণিত বিভাগের ছাত্রী তাছনিম জেরিন বলেন, ‘সাধারণ শিক্ষার্থীদের না জানিয়ে বঙ্গমাতা হলের নাম রাখার পাঁয়তারা চলছে। সিরাজুল নামক এক সমন্বয়ক তাঁর মনগড়া নাম আমাদের ওপর চাপিয়ে দিয়ে স্বৈরাচারী মনোভব দেখিয়েছেন। এটা হতে পারে না। এর প্রতিবাদেই আমরা সেদিন বিক্ষোভ করি।’
অভিযোগের বিষয়ে সমন্বয়ক সিরাজুল ইসলাম বলেন, অন্য হলগুলোর নাম মোটামুটি ঠিক আছে। বঙ্গমাতা হলের নাম এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। এ বিষয়ে গণস্বাক্ষর নেওয়া হচ্ছে। এর ওপর ভিত্তি করে নাম পরিবর্তন কমিটির কাছে ৬টি নাম প্রস্তাব করা হবে। তবে আমরা সমন্বয়করা এ নামের সঙ্গে সম্পৃক্ত নই।’
এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. এ টি এম রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নাম পরিবর্তনসংক্রান্ত যে কমিটি হয়েছে, ওই কমিটি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে নাম প্রস্তাব করবে। সেগুলোর ওপর ভিত্তি করে সিন্ডিকেট সিদ্ধান্ত নেবে।’
উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রাব্বানী বলেন, সিন্ডিকেট সভায় আলোচনার মাধ্যমে নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে