মুলাদী (বরিশাল) প্রতিনিধি

বরিশালের মুলাদীতে চরগাছুয়া পদ্মারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেঝে ও মাঠে পানি জমে রয়েছে। এতে পাঠদান বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের ছুটি দেওয়া হয়েছে। শিক্ষকেরা কষ্ট করে বিদ্যালয়ে যাচ্ছেন এবং অফিস করছেন। কিন্তু তাঁরা ঠিকমতো বসার জায়গা পাচ্ছেন না। বিদ্যালয়ের কোনো ভবন না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষক মো. সোহেল পারভেজ।
জানা গেছে, ১৯৯০ সালে স্থাপিত হয় মুলাদী উপজেলার গাছুয়া ইউনিয়নে চরগাছুয়া পদ্মারহাট প্রাথমিক বিদ্যালয়। শুরুতে বিদ্যালয়টি রেজিস্ট্রি করা প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করে। পরে ২০১৩ সালে জাতীয়করণ করা হয়। বিদ্যালয়ে বর্তমানে দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। তবে দীর্ঘ ৩২ বছর পরও বিদ্যালয়ের কোনো ভবন নির্মাণ হয়নি। শিক্ষার্থীদের পাঠদানের একমাত্র ভরসা টিনের ঘর। কিন্তু টিনের ঘরের মাটির মেঝে বর্ষায় স্যাঁতসেঁতে হয়ে থাকে। এতে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় আসার আগ্রহ হারাচ্ছে। এ ছাড়া ভবন না থাকায় বিদ্যালয়ে প্রাক্প্রাথমিক, শিশু কর্নারসহ অনেক সৃজনশীল কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘ বছরেও বিদ্যালয়ে কোনো ভবন নির্মাণ না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।
বিদ্যালয়ে কোনো ভবন না থাকলেও কয়েক মাস আগে দোতলার কাজের জন্য বরাদ্দ আসে। যেখানে কোনো ভবনই নেই, সেখানে দোতলার কাজ কীভাবে হবে—এ নিয়ে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে অনেকটা কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের ধারণা, এর আগে বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে বরাদ্দ হয়েছিল। রহস্যজনক কারণে তা নির্মাণ করা হয়নি। কিন্তু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি না জেনে নিচতলা বাদ দিয়ে শুধু দোতলা নির্মাণের বরাদ্দ দিয়েছে। বর্তমানে বিদ্যালয়ের মেঝে ও মাঠে পানি জমে থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান বন্ধ রাখলেও নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাচ্ছেন শিক্ষকেরা। তাঁরা পানির মধ্যে বিদ্যালয়ের শিক্ষক মিলনায়তনে কোনো রকমে দাপ্তরিক কাজ করছেন। তবে সেখানে বসার মতো কোনো অবস্থা নেই।
চরগাছুয়া পদ্মারহাট এলাকার মো. সাইফুল খান বলেন, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে বিদ্যালয়ের মাঠে ও মেঝেতে পানি জমে আছে। পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় মাঠে প্রায় কোমরসমান এবং মেঝেতে হাঁটুপানি জমেছে। পানি জমে থাকায় কোনো অভিভাবকই তাঁদের সন্তানকে বিদ্যালয়ে পাঠাচ্ছেন না। ফলে এক সপ্তাহ ধরে বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সোহেল পারভেজ বলেন, ‘প্রায় তিন বছর আগে আমি এই বিদ্যালয়ে যোগদান করেছি। ভাঙা টিনের ঘরটিকে সংস্কার করে কিছুটা পাঠদানের উপযোগী করা হয়েছে। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে বিদ্যালয়ের মাঠে ও মেঝেতে পানি জমেছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে পরামর্শ করে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। পানি নেমে গেলে পুনরায় পাঠদান শুরু করা হবে। তবে বিদ্যালয়ে একটি ভবন থাকলে এই অবস্থার সৃষ্টি হতো না।’
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম জাকিরুল হাসান বলেন, বিদ্যালয়ের জায়গা নিয়ে স্থানীয়রা মামলা করায় ভবন নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। কিছুদিন আগে সেই মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। দ্রুত বিদ্যালয়ে একটি ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

বরিশালের মুলাদীতে চরগাছুয়া পদ্মারহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মেঝে ও মাঠে পানি জমে রয়েছে। এতে পাঠদান বন্ধ রেখে শিক্ষার্থীদের ছুটি দেওয়া হয়েছে। শিক্ষকেরা কষ্ট করে বিদ্যালয়ে যাচ্ছেন এবং অফিস করছেন। কিন্তু তাঁরা ঠিকমতো বসার জায়গা পাচ্ছেন না। বিদ্যালয়ের কোনো ভবন না থাকায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধান শিক্ষক মো. সোহেল পারভেজ।
জানা গেছে, ১৯৯০ সালে স্থাপিত হয় মুলাদী উপজেলার গাছুয়া ইউনিয়নে চরগাছুয়া পদ্মারহাট প্রাথমিক বিদ্যালয়। শুরুতে বিদ্যালয়টি রেজিস্ট্রি করা প্রাথমিক বিদ্যালয় হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করে। পরে ২০১৩ সালে জাতীয়করণ করা হয়। বিদ্যালয়ে বর্তমানে দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। তবে দীর্ঘ ৩২ বছর পরও বিদ্যালয়ের কোনো ভবন নির্মাণ হয়নি। শিক্ষার্থীদের পাঠদানের একমাত্র ভরসা টিনের ঘর। কিন্তু টিনের ঘরের মাটির মেঝে বর্ষায় স্যাঁতসেঁতে হয়ে থাকে। এতে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় আসার আগ্রহ হারাচ্ছে। এ ছাড়া ভবন না থাকায় বিদ্যালয়ে প্রাক্প্রাথমিক, শিশু কর্নারসহ অনেক সৃজনশীল কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘ বছরেও বিদ্যালয়ে কোনো ভবন নির্মাণ না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।
বিদ্যালয়ে কোনো ভবন না থাকলেও কয়েক মাস আগে দোতলার কাজের জন্য বরাদ্দ আসে। যেখানে কোনো ভবনই নেই, সেখানে দোতলার কাজ কীভাবে হবে—এ নিয়ে প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকদের মধ্যে অনেকটা কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে। তাঁদের ধারণা, এর আগে বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণে বরাদ্দ হয়েছিল। রহস্যজনক কারণে তা নির্মাণ করা হয়নি। কিন্তু ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিষয়টি না জেনে নিচতলা বাদ দিয়ে শুধু দোতলা নির্মাণের বরাদ্দ দিয়েছে। বর্তমানে বিদ্যালয়ের মেঝে ও মাঠে পানি জমে থাকায় শিক্ষার্থীদের পাঠদান বন্ধ রাখলেও নিয়মিত বিদ্যালয়ে যাচ্ছেন শিক্ষকেরা। তাঁরা পানির মধ্যে বিদ্যালয়ের শিক্ষক মিলনায়তনে কোনো রকমে দাপ্তরিক কাজ করছেন। তবে সেখানে বসার মতো কোনো অবস্থা নেই।
চরগাছুয়া পদ্মারহাট এলাকার মো. সাইফুল খান বলেন, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে বিদ্যালয়ের মাঠে ও মেঝেতে পানি জমে আছে। পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় মাঠে প্রায় কোমরসমান এবং মেঝেতে হাঁটুপানি জমেছে। পানি জমে থাকায় কোনো অভিভাবকই তাঁদের সন্তানকে বিদ্যালয়ে পাঠাচ্ছেন না। ফলে এক সপ্তাহ ধরে বিদ্যালয়ে পাঠদান বন্ধ রয়েছে।
এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. সোহেল পারভেজ বলেন, ‘প্রায় তিন বছর আগে আমি এই বিদ্যালয়ে যোগদান করেছি। ভাঙা টিনের ঘরটিকে সংস্কার করে কিছুটা পাঠদানের উপযোগী করা হয়েছে। কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে বিদ্যালয়ের মাঠে ও মেঝেতে পানি জমেছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনায় উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে পরামর্শ করে পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে। পানি নেমে গেলে পুনরায় পাঠদান শুরু করা হবে। তবে বিদ্যালয়ে একটি ভবন থাকলে এই অবস্থার সৃষ্টি হতো না।’
উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এস এম জাকিরুল হাসান বলেন, বিদ্যালয়ের জায়গা নিয়ে স্থানীয়রা মামলা করায় ভবন নির্মাণ করা সম্ভব হয়নি। কিছুদিন আগে সেই মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। দ্রুত বিদ্যালয়ে একটি ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁদপুরের পাঁচটি আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীদের অধিকাংশই কোটিপতি। পাশাপাশি জামায়াতের প্রার্থীরা হলেন লাখপতি। নির্বাচনে কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-২ (ঝিকরগাছা-চৌগাছা) আসনে ছয়জন প্রার্থী ভোটযুদ্ধে নামলেও বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। এই দুই প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাবিরা সুলতানার সোনার গয়না আছে ৩০ তোলার; যার দাম ৫০ হাজার টাকা। জামায়াতের...
৩ ঘণ্টা আগে
বিরোধপূর্ণ একটি জমি চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনকে (চসিক) হস্তান্তর করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। গত ৮ ডিসেম্বর চসিক কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ছয় একর জমি হস্তান্তর করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এরই মধ্যে কর্ণফুলী নদীর পাড়ে ওই জমি একসনা (এক বছরের জন্য) ইজারা নিয়ে ২০ বছরের জন্য লিজ দেওয়ার উদ্যোগ...
৩ ঘণ্টা আগে
চলতি আমন মৌসুমে সরকারি মূল্যে চাল সংগ্রহ কার্যক্রমে জয়পুরহাট জেলার পাঁচ উপজেলায় হাস্কিং মিল ব্যবস্থাপনা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। খাদ্য বিভাগের নথিতে সচল দেখানো বহু হাস্কিং মিল বাস্তবে বিদ্যুৎ সংযোগহীন, উৎপাদন বন্ধ কিংবা দীর্ঘদিন ধরে অচল থাকলেও এসব মিলের নামেই সরকারি খাদ্যগুদামে...
৩ ঘণ্টা আগে