নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

নির্বাচিত কমিটি দখলের অভিযোগে বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন আওয়ামী ও বামপন্থী আইনজীবীরা। একই সঙ্গে বার্ষিক ভোজ, বনভোজন, ক্রীড়া প্রতিযোগিতাসহ সমিতির কোনো কার্যক্রমে অংশ নেবেন না তাঁরা। আজ মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ ও গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতি যৌথভাবে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এর আগে গত ১ জানুয়ারি বরিশাল আইনজীবী সমিতির জরুরি সভা আহ্বান করে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা। এতে গত নির্বাচনে পরাজিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১০ জনকে জয়ী ঘোষণা করা হয়। সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক, ১৩ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত ওই কমিটি দায়িত্ব পালনের কথা বলা হয়।
জানতে চাইলে সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী লস্কর নুরুল হক বলেন, ‘গত বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১০টি পদে এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম একটি পদে জয়ী হয়।
গত ১ জানুয়ারি বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা অবৈধভাবে জরুরি সভার নামে গত নির্বাচনে পরাজিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১০ জনকে জয়ী ঘোষণা করে কমিটি দখল করেছে। নির্বাচিত নির্বাচন কমিশনও দখল করে বিএনপির আইনজীবীদের বসানো হয়। এর প্রতিবাদে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির আইনজীবীরা সমিতির সকল কার্যক্রম বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির উপদেষ্টা প্রবীণ আইনজীবী মানবেন্দ্র বটব্যল বলেন, ‘বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা সমিতিকে কলঙ্কিত করেছে। বর্তমান দখলবাজ কমিটির অধীনে কোনো কার্যক্রমে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির আইনজীবীরা অংশ নেবে না।’
এ ব্যাপারে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি মহসীন মন্টু বলেন, ‘কেউ যদি ওকালতি করতে না চায়, সেটা তাদের ব্যাপার। বিএনপি আইনজীবী সমিতি দখল করেনি। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী চার–পাঁচ শ আইনজীবীর উপস্থিতিতে দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে। এখন অন্ধকারে বসে বয়কট করলে তা আইনজীবীরা গ্রহণ করবে না।’
ফোরামের আরেক নেতা আইনজীবী সাদিকুর রহমান লিংকন বলেন, ‘গত নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও ভোট কারচুপি করে তাদের পরাজিত দেখানো হয়। ফলাফল ঘোষণার পর তারা প্রতিবাদ করেছিলেন। গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পরে সমিতির স্বার্থে পরবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত সকলে অবৈধ কমিটি বহাল থাকার পক্ষে ছিলেন। তবে আওয়ামীপন্থীরা এই কমিটিকে কেন্দ্র করে বেপরোয়া হয়ে ওঠে।
‘এতে ক্ষুব্ধ সব আইনজীবী একত্রিত হয়ে ওই কমিটিকে অবৈধ ঘোষণা করে তাঁদের বিজয়ী ঘোষণা করেছেন। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন–পরবর্তী কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত এই কমিটি দায়িত্ব পালন করবে।’

নির্বাচিত কমিটি দখলের অভিযোগে বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচন বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন আওয়ামী ও বামপন্থী আইনজীবীরা। একই সঙ্গে বার্ষিক ভোজ, বনভোজন, ক্রীড়া প্রতিযোগিতাসহ সমিতির কোনো কার্যক্রমে অংশ নেবেন না তাঁরা। আজ মঙ্গলবার বঙ্গবন্ধু আওয়ামী আইনজীবী পরিষদ ও গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতি যৌথভাবে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
এর আগে গত ১ জানুয়ারি বরিশাল আইনজীবী সমিতির জরুরি সভা আহ্বান করে বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা। এতে গত নির্বাচনে পরাজিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১০ জনকে জয়ী ঘোষণা করা হয়। সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক, ১৩ ফেব্রুয়ারি পরবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত ওই কমিটি দায়িত্ব পালনের কথা বলা হয়।
জানতে চাইলে সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী লস্কর নুরুল হক বলেন, ‘গত বছরের ১৫ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু আইনজীবী পরিষদ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১০টি পদে এবং জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম একটি পদে জয়ী হয়।
গত ১ জানুয়ারি বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা অবৈধভাবে জরুরি সভার নামে গত নির্বাচনে পরাজিত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ ১০ জনকে জয়ী ঘোষণা করে কমিটি দখল করেছে। নির্বাচিত নির্বাচন কমিশনও দখল করে বিএনপির আইনজীবীদের বসানো হয়। এর প্রতিবাদে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির আইনজীবীরা সমিতির সকল কার্যক্রম বয়কট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’
গণতান্ত্রিক আইনজীবী সমিতির উপদেষ্টা প্রবীণ আইনজীবী মানবেন্দ্র বটব্যল বলেন, ‘বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা সমিতিকে কলঙ্কিত করেছে। বর্তমান দখলবাজ কমিটির অধীনে কোনো কার্যক্রমে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির আইনজীবীরা অংশ নেবে না।’
এ ব্যাপারে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সভাপতি মহসীন মন্টু বলেন, ‘কেউ যদি ওকালতি করতে না চায়, সেটা তাদের ব্যাপার। বিএনপি আইনজীবী সমিতি দখল করেনি। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী চার–পাঁচ শ আইনজীবীর উপস্থিতিতে দায়িত্ব নেওয়া হয়েছে। এখন অন্ধকারে বসে বয়কট করলে তা আইনজীবীরা গ্রহণ করবে না।’
ফোরামের আরেক নেতা আইনজীবী সাদিকুর রহমান লিংকন বলেন, ‘গত নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম ও ভোট কারচুপি করে তাদের পরাজিত দেখানো হয়। ফলাফল ঘোষণার পর তারা প্রতিবাদ করেছিলেন। গণ-অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকার পতনের পরে সমিতির স্বার্থে পরবর্তী নির্বাচন পর্যন্ত সকলে অবৈধ কমিটি বহাল থাকার পক্ষে ছিলেন। তবে আওয়ামীপন্থীরা এই কমিটিকে কেন্দ্র করে বেপরোয়া হয়ে ওঠে।
‘এতে ক্ষুব্ধ সব আইনজীবী একত্রিত হয়ে ওই কমিটিকে অবৈধ ঘোষণা করে তাঁদের বিজয়ী ঘোষণা করেছেন। আগামী ১৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন–পরবর্তী কমিটি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত এই কমিটি দায়িত্ব পালন করবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে