
বিএনপিতে যত রাজাকার, পাকিস্তানপন্থী আছে, জামায়াতে ইসলামীতে তার ১০ ভাগের এক ভাগও নাই বলে মন্তব্য করেছেন বরগুনা-২ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. সুলতান আহমদ। গতকাল শুক্রবার রাতে বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলার নাচনাপাড়া ইউনিয়নের মানিকখালীতে এক জনসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
সুলতান আহমদ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের শুরা সদস্য।
সুলতান আহমেদ বলেন, ‘তারেক জিয়াকে আমরা শ্রদ্ধা করি। জিয়াউর রহমানের ছেলে, খালেদা জিয়ার ছেলে। তিনি সিলেটে প্রথম বক্তৃতায় বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী ’৭১ সালে এই করেছে, সেই করেছে। তাঁর এই কথাটা ঠিক হয়নি। আপনাদের দলে যত রাজাকার আছে, আপনাদের দলে যত পাকিস্তানপন্থী লোক আছে, জামায়াতে ইসলামীতে তার ১০ ভাগের এক ভাগও নাই।’
সুলতান আহমেদ বলেন, ‘জামায়াতের যখন বসার জায়গা ছিল না, স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকও আমার বাসায় হতো। ফখরুল সাহেব দুইবার সেই মিটিংয়ে অ্যাটেন্ড করার জন্য আমার বাসায় এসেছেন। কাজেই ভুল কইরেন না। আজকে আপনারা ভুল কথা বলতেছেন।’
জামায়াত মনোনীত প্রার্থী বলেন, ‘এই পাথরঘাটার মানুষ জানেন আপনারা, আমি নাম বলতে চাই না, আল্লাহ তাদেরকে বেহেশত নসিব করুক। কারা বরগুনা জেলার সবচেয়ে বেশি পাকিস্তানপন্থী ছিল? পাথরঘাটার মানুষ, রাগ কইরেন না। পাথরঘাটার মানুষ সবচেয়ে বেশি ছিল। বুড়া (বৃদ্ধ) মানুষ যাঁরা আছেন, জানেন। বেতাগী, বরগুনা, বামনার মানুষের চেয়েও পাথরঘাটার মানুষ পাকিস্তানের পক্ষে বেশি। ভুল-শুদ্ধ সেই ব্যাখ্যায় আমি যাব না।’

মোটরসাইকেলের জ্বালানি তেল নিতে রাজশাহীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে ফের বাড়ছে ভিড়। গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে ফিলিং স্টেশনগুলোতে দেখা যাচ্ছে বাইকের লম্বা সারি।
৬ মিনিট আগে
খুলনার পাইকগাছা পৌরসভার হাসপাতাল রোড এলাকার একটি ভাড়া বাড়ি থেকে আরএফএল কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি বিশ্বজিৎ দেয়ারীর (৩৫) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে তাঁর কক্ষে থাকা সহকর্মী ও টেকনিশিয়ান অন্তর সরকার নিখোঁজ রয়েছেন...
৮ মিনিট আগে
দক্ষিণ চট্টগ্রামে আকস্মিক বন্যার পর পরিস্থিতি জটিল হতে শুরু করেছে। এবারের বন্যায় জেলার অন্তত ২০ হাজার নলকূপ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে সুপেয় পানির সংকট দেখা দিয়েছে। এ ছাড়া বন্যার দূষিত পানিতে দীর্ঘ সময় অবস্থানের কারণে অনেকের শরীরে ছত্রাক সংক্রমণ, শিশুদের জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া ও চর্মরোগ দেখা দিয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
এক বছর ধরে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) আর্থিক সহযোগিতায় নগর শাসন ও অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এই সড়ক সংস্কার ও নালা নির্মাণের কাজ চলছে। দুটি প্যাকেজে ৩৬ কোটি ৮৬ লাখ ৩৩ হাজার ২৫৭ টাকার চুক্তিমূল্যে ১২ স্থানে সাড়ে ৭ কিলোমিটার রাস্তা ও ১৫ স্থানে সাড়ে ১০ কিলোমিটার নালা নির্মাণের কাজ চলছে।
৮ ঘণ্টা আগে