মনোতোষ হাওলাদার, বরগুনা

বরগুনার বিভিন্ন বনাঞ্চলের অধিকাংশ এলাকায় প্রতিদিন সংরক্ষিত বনভূমির শত শত গাছপালা কেটে জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পাশেই চলছে অবৈধ সব করাতকল। গড়ে উঠছে শত শত ঘরবাড়ি। সহস্রাধিক গাছ কেটে ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে বনের ভেতর করা হয়েছে প্রশস্ত রাস্তা। গহিন বনের ভেতরে তৈরি করা হয়েছে মাছের ঘের, কৃষি প্রকল্প, গবাদিপশুর খামার। চলছে মাদক কারবার। আর এর সবই হচ্ছে বন বিভাগকে ম্যানেজ করে।
জানা গেছে, নদী ও সাগরতীরবর্তী বনাঞ্চলের হাজার হাজার গাছ কেটে অবৈধভাবে সাগরের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে চলছে খুটাজাল-বাণিজ্য। আর এসব বাণিজ্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে খোদ বিভাগীয় বন সংরক্ষক মো. সফিকুল ইসলাম এবং সহকারী বন সংরক্ষক ও বরগুনা অঞ্চলের রেঞ্জার আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে। সরেজমিন পরিদর্শনে বন বিভাগের এমন নজিরবিহীন অনিয়ম-দুর্নীতির ভয়ংকর চিত্র উঠে এসেছে। খোদ বন বিভাগের কর্মচারীদের অভিযোগ, আখতারুজ্জামান বরগুনায় যোগদানের পর থেকেই বনাঞ্চলের অনিয়ম-দুর্নীতি বেড়ে গেছে। তিনি প্রতি মাসে কয়েক লাখ টাকা মাসোহারা নেন অবৈধ করাতকল থেকে শুরু করে মাছের ঘের, বসতবাড়ি এমনকি মাছ ধরার ট্রলারের দরিদ্র জেলেদের কাছ থেকেও।
করাতকল লাইসেন্স বিধিমালা, ২০১২ অনুযায়ী সব লাইসেন্স প্রদানের এখতিয়ার বন বিভাগের। সেখানে সুস্পষ্টভাবে বলা আছে, ‘সংরক্ষিত, রক্ষিত, অর্পিত বা অন্য যেকোনো ধরনের সরকারি বন ভূমির সীমানা হইতে ন্যূনতম ১০ কিলোমিটারের মধ্যে কোন করাত কল স্থাপন করা যাবে না।’ অথচ ১০ কিলোমিটার তো দূরের কথা, বনভূমির দু-তিন শ গজের মধ্যে রয়েছে এমন করাতকলের সংখ্যা শুধু বরগুনা জেলায় হবে অন্তত ২৫টি। পটুয়াখালী ও বরগুনা বন অঞ্চল মিলিয়ে এই সংখ্যা হবে অর্ধশতাধিক। এসব করাতকল থেকে প্রতি মাসে নিয়মিত মাসোহারা নেন বন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
সরেজমিন বরগুনার কুমিরমারা, গোড়াপদ্মা ও নিশানবাড়িয়ার বনভূমি ঘুরে দেখা গেছে, কোটি টাকার ভুয়া প্রকল্পে বনের ভেতর দিয়ে তৈরি করা হয়েছে দীর্ঘ কাঁচা রাস্তা। বরগুনা সদরের নলটোনা ইউনিয়নের বঙ্গোপসাগর-তীরবর্তী কুমিরমারা বনভূমির গহিনে কুমিরমারা খালের মৌজায় দেখা গেছে, বন বিভাগের সহস্রাধিক গাছ কেটে নির্মাণ করা হয়েছে ১৫ ফুট প্রশস্ত কাঁচা সড়ক। আওয়ামী লীগ সরকারের সর্বশেষ এমপি গোলাম সরোয়ার টুকুর আমলে গত বছর ২০২৪ সালের শুরুর দিকে সড়কটি নির্মাণ করা হয়। স্থানীয় পরিবেশকর্মীদের অব্যাহত প্রতিবাদ ও আন্দোলনের মুখেও বন্ধ হয়নি সে সড়ক নির্মাণের কাজ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একজন সাবেক ইউপি সদস্য বলেন, ‘সড়কটি নির্মাণ করা হয়েছে ভুয়া প্রকল্পের অধীনে। এলাকাবাসীসহ তিনি তখন এ কাজে বাধা দেন। কিন্তু তা কেউ শোনেনি। তিনি আরও বলেন, বন বিভাগ এ বিষয়ে কোনো আপত্তি দেয়নি; বরং ওই ভুয়া প্রকল্পের ঠিকাদারের কাছ থেকে অবৈধ সুবিধা নিয়েছে বলে আমরা শুনেছি।’
কুমিরমারা গ্রামের বেড়িবাঁধ থেকে শুরু হয়ে বন বিভাগের সহস্রাধিক গাছ কেটে বনভূমি উজাড় করে সংরক্ষিত বনের গহিনে চলে গেছে নবনির্মিত দীর্ঘ একটি কাঁচা সড়ক। সড়কটি ধরে কুমিরমারা খালের মৌজায় গিয়ে দেখা গেছে, মাটি কাটার এক্সকাভেটর দিয়ে কাটা সারি সারি মাছের ঘের, কৃষি প্রকল্প এবং টিনের তৈরি ঘরবাড়ি। স্থানীয় গ্রামবাসীর শত শত গবাদিপশুর নির্বিঘ্ন চারণভূমি সেখানে। কুমিরমারা বনভূমির পাশেই গোড়াপদ্মা বনভূমি। যেখানে জেলা পরিষদের উদ্যোগে একটি ডাকবাংলো করা হয়েছে। এর পাশ দিয়েই বনের শত শত গাছ কেটে বনের ভেতরে তৈরি করা হয়েছে মাটির সড়ক। বছর দুই আগে নির্মিত এই সড়কের অধিকাংশই জোয়ার ও জলোচ্ছ্বাসে বিলীন হয়ে গেছে। বন বিভাগের উদাসীনতায় বেশির ভাগ সময়ে স্থানীয় মাদক কারবারিদের মাদক সেবন ও বাণিজ্যের নিরাপদ রুট হয়ে উঠেছে এসব গহিন বনভূমি। কুমিরমারা বনভূমির পরেই নিশানবাড়িয়ার সংরক্ষিত বন। এখানেই বন উজাড় করে বানানো হয়েছে শতাধিক বসতবাড়ি, মাছের ঘের, গবাদিপশুর খামার।
জেলার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নে সংরক্ষিত বনের গাছ কেটে মাছের ঘের করা হয়েছে। একই দৃশ্য দেখা গেছে বরগুনা জেলার আমতলী ও তালতলী উপজেলার বিভিন্ন সংরক্ষিত বনাঞ্চলে; বিশেষ করে বরগুনার আমতলী ও পটুয়াখালীর কলাপাড়ার চাকামইয়া ইউনিয়নের সীমানায় কুয়াকাটা মহাসড়ক-সংলগ্ন বাইপাস এলাকায় সংরক্ষিত বনভূমি উজাড় করে মাছের ঘের এবং বসতবাড়ি বানানোর মহোৎসব দেখা গেছে।

ভুক্তভোগী স্থানীয়দের অভিযোগ, সংরক্ষিত, রক্ষিত, অর্পিত এবং সামাজিক বনায়ন সংরক্ষণে বন বিভাগের একটি প্রকল্পের নাম সুফল প্রকল্প। এই প্রকল্পের অধীনে চলছে নজিরবিহীন অনিয়ম, দুর্নীতি আর স্বেচ্ছাচারিতা। বনের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই এমন সুবিধাভোগী বাছাই করা হয়েছে উৎকোচ নিয়ে। এতে বাদ পড়েছে বনের সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রকৃত সুবিধাভোগীরা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বরগুনা অঞ্চলের রেঞ্জার আখতারুজ্জামান বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেগুলো মিথ্যা।’ এই বলে তিনি ফোন কেটে দেন।
এ বিষয়ে বরিশাল বিভাগীয় সামাজিক বন বিভাগের উপবন সংরক্ষক মো. কবির হোসেন পাটোয়ারী বলেন, ‘বনের জমি দখল কিংবা বনের মধ্যে কোনো ধরনের করাতকল স্থাপন করা আইনত দণ্ডনীয়। আমাদের কোনো কর্মকর্তা এসব দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ পেলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

বরগুনার বিভিন্ন বনাঞ্চলের অধিকাংশ এলাকায় প্রতিদিন সংরক্ষিত বনভূমির শত শত গাছপালা কেটে জমি দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে সংরক্ষিত বনাঞ্চলের পাশেই চলছে অবৈধ সব করাতকল। গড়ে উঠছে শত শত ঘরবাড়ি। সহস্রাধিক গাছ কেটে ভুয়া প্রকল্পের মাধ্যমে বনের ভেতর করা হয়েছে প্রশস্ত রাস্তা। গহিন বনের ভেতরে তৈরি করা হয়েছে মাছের ঘের, কৃষি প্রকল্প, গবাদিপশুর খামার। চলছে মাদক কারবার। আর এর সবই হচ্ছে বন বিভাগকে ম্যানেজ করে।
জানা গেছে, নদী ও সাগরতীরবর্তী বনাঞ্চলের হাজার হাজার গাছ কেটে অবৈধভাবে সাগরের বিস্তীর্ণ এলাকা দখল করে চলছে খুটাজাল-বাণিজ্য। আর এসব বাণিজ্যের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ উঠেছে খোদ বিভাগীয় বন সংরক্ষক মো. সফিকুল ইসলাম এবং সহকারী বন সংরক্ষক ও বরগুনা অঞ্চলের রেঞ্জার আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে। সরেজমিন পরিদর্শনে বন বিভাগের এমন নজিরবিহীন অনিয়ম-দুর্নীতির ভয়ংকর চিত্র উঠে এসেছে। খোদ বন বিভাগের কর্মচারীদের অভিযোগ, আখতারুজ্জামান বরগুনায় যোগদানের পর থেকেই বনাঞ্চলের অনিয়ম-দুর্নীতি বেড়ে গেছে। তিনি প্রতি মাসে কয়েক লাখ টাকা মাসোহারা নেন অবৈধ করাতকল থেকে শুরু করে মাছের ঘের, বসতবাড়ি এমনকি মাছ ধরার ট্রলারের দরিদ্র জেলেদের কাছ থেকেও।
করাতকল লাইসেন্স বিধিমালা, ২০১২ অনুযায়ী সব লাইসেন্স প্রদানের এখতিয়ার বন বিভাগের। সেখানে সুস্পষ্টভাবে বলা আছে, ‘সংরক্ষিত, রক্ষিত, অর্পিত বা অন্য যেকোনো ধরনের সরকারি বন ভূমির সীমানা হইতে ন্যূনতম ১০ কিলোমিটারের মধ্যে কোন করাত কল স্থাপন করা যাবে না।’ অথচ ১০ কিলোমিটার তো দূরের কথা, বনভূমির দু-তিন শ গজের মধ্যে রয়েছে এমন করাতকলের সংখ্যা শুধু বরগুনা জেলায় হবে অন্তত ২৫টি। পটুয়াখালী ও বরগুনা বন অঞ্চল মিলিয়ে এই সংখ্যা হবে অর্ধশতাধিক। এসব করাতকল থেকে প্রতি মাসে নিয়মিত মাসোহারা নেন বন বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
সরেজমিন বরগুনার কুমিরমারা, গোড়াপদ্মা ও নিশানবাড়িয়ার বনভূমি ঘুরে দেখা গেছে, কোটি টাকার ভুয়া প্রকল্পে বনের ভেতর দিয়ে তৈরি করা হয়েছে দীর্ঘ কাঁচা রাস্তা। বরগুনা সদরের নলটোনা ইউনিয়নের বঙ্গোপসাগর-তীরবর্তী কুমিরমারা বনভূমির গহিনে কুমিরমারা খালের মৌজায় দেখা গেছে, বন বিভাগের সহস্রাধিক গাছ কেটে নির্মাণ করা হয়েছে ১৫ ফুট প্রশস্ত কাঁচা সড়ক। আওয়ামী লীগ সরকারের সর্বশেষ এমপি গোলাম সরোয়ার টুকুর আমলে গত বছর ২০২৪ সালের শুরুর দিকে সড়কটি নির্মাণ করা হয়। স্থানীয় পরিবেশকর্মীদের অব্যাহত প্রতিবাদ ও আন্দোলনের মুখেও বন্ধ হয়নি সে সড়ক নির্মাণের কাজ।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় একজন সাবেক ইউপি সদস্য বলেন, ‘সড়কটি নির্মাণ করা হয়েছে ভুয়া প্রকল্পের অধীনে। এলাকাবাসীসহ তিনি তখন এ কাজে বাধা দেন। কিন্তু তা কেউ শোনেনি। তিনি আরও বলেন, বন বিভাগ এ বিষয়ে কোনো আপত্তি দেয়নি; বরং ওই ভুয়া প্রকল্পের ঠিকাদারের কাছ থেকে অবৈধ সুবিধা নিয়েছে বলে আমরা শুনেছি।’
কুমিরমারা গ্রামের বেড়িবাঁধ থেকে শুরু হয়ে বন বিভাগের সহস্রাধিক গাছ কেটে বনভূমি উজাড় করে সংরক্ষিত বনের গহিনে চলে গেছে নবনির্মিত দীর্ঘ একটি কাঁচা সড়ক। সড়কটি ধরে কুমিরমারা খালের মৌজায় গিয়ে দেখা গেছে, মাটি কাটার এক্সকাভেটর দিয়ে কাটা সারি সারি মাছের ঘের, কৃষি প্রকল্প এবং টিনের তৈরি ঘরবাড়ি। স্থানীয় গ্রামবাসীর শত শত গবাদিপশুর নির্বিঘ্ন চারণভূমি সেখানে। কুমিরমারা বনভূমির পাশেই গোড়াপদ্মা বনভূমি। যেখানে জেলা পরিষদের উদ্যোগে একটি ডাকবাংলো করা হয়েছে। এর পাশ দিয়েই বনের শত শত গাছ কেটে বনের ভেতরে তৈরি করা হয়েছে মাটির সড়ক। বছর দুই আগে নির্মিত এই সড়কের অধিকাংশই জোয়ার ও জলোচ্ছ্বাসে বিলীন হয়ে গেছে। বন বিভাগের উদাসীনতায় বেশির ভাগ সময়ে স্থানীয় মাদক কারবারিদের মাদক সেবন ও বাণিজ্যের নিরাপদ রুট হয়ে উঠেছে এসব গহিন বনভূমি। কুমিরমারা বনভূমির পরেই নিশানবাড়িয়ার সংরক্ষিত বন। এখানেই বন উজাড় করে বানানো হয়েছে শতাধিক বসতবাড়ি, মাছের ঘের, গবাদিপশুর খামার।
জেলার পাথরঘাটা উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নে সংরক্ষিত বনের গাছ কেটে মাছের ঘের করা হয়েছে। একই দৃশ্য দেখা গেছে বরগুনা জেলার আমতলী ও তালতলী উপজেলার বিভিন্ন সংরক্ষিত বনাঞ্চলে; বিশেষ করে বরগুনার আমতলী ও পটুয়াখালীর কলাপাড়ার চাকামইয়া ইউনিয়নের সীমানায় কুয়াকাটা মহাসড়ক-সংলগ্ন বাইপাস এলাকায় সংরক্ষিত বনভূমি উজাড় করে মাছের ঘের এবং বসতবাড়ি বানানোর মহোৎসব দেখা গেছে।

ভুক্তভোগী স্থানীয়দের অভিযোগ, সংরক্ষিত, রক্ষিত, অর্পিত এবং সামাজিক বনায়ন সংরক্ষণে বন বিভাগের একটি প্রকল্পের নাম সুফল প্রকল্প। এই প্রকল্পের অধীনে চলছে নজিরবিহীন অনিয়ম, দুর্নীতি আর স্বেচ্ছাচারিতা। বনের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই এমন সুবিধাভোগী বাছাই করা হয়েছে উৎকোচ নিয়ে। এতে বাদ পড়েছে বনের সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রকৃত সুবিধাভোগীরা।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে বরগুনা অঞ্চলের রেঞ্জার আখতারুজ্জামান বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে, সেগুলো মিথ্যা।’ এই বলে তিনি ফোন কেটে দেন।
এ বিষয়ে বরিশাল বিভাগীয় সামাজিক বন বিভাগের উপবন সংরক্ষক মো. কবির হোসেন পাটোয়ারী বলেন, ‘বনের জমি দখল কিংবা বনের মধ্যে কোনো ধরনের করাতকল স্থাপন করা আইনত দণ্ডনীয়। আমাদের কোনো কর্মকর্তা এসব দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ পেলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে