পাথরঘাটা (বরগুনা) প্রতিনিধি

বরগুনার পাথরঘাটায় স্কুলে কোচিং শেষে নিজের ক্লাসে যায় ছাত্রীরা। এ সময় একজন পানির বোতল থেকে পানি পান করে। পানিতে দুর্গন্ধ পেয়ে সে বিষয়টি সহপাঠীদের জানায়। এরপর আরও চার ছাত্রী ওই পানি খেয়ে অসুস্থবোধ করতে থাকে। পরে দেখা যায়, অসুস্থ ছাত্রীদের ব্যাগে থাকা পানির বোতাল ও টিফিন বক্সে রাখা খাবার থেকেও কীটনাশকের গন্ধ আসছে। ছাত্রীদের হাসপাতালে নেওয়ার পরে ক্লাসের এক কোনায় একটি পানির বোতল খুঁজে পান শিক্ষকেরা। ওই পানি থেকে কীটনাশকের গন্ধ আসছিল।
আজ সোমবার সকালে উপজেলার কাকচিড়া ইউনিয়নের রূপধন বন্দর আমেরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণিতে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো আরিসা, তাসমিম, মনিরা, জান্নাতী, সাবিনা ও সুরাইয়া। তারা সবাই ওই স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক গোলাম কবির জানান, ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী মনিরা ও সাবিনা প্রথমে ক্লাসরুমে এসে বিষের গন্ধ পাওয়ার কথা জানায়। এরপর শিক্ষকেরা পানির বোতল ও খাবার পরীক্ষা করে বিষয়টির সত্যতা পান। অসুস্থ ছাত্রীদের তাৎক্ষণিক হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং ঘটনা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়।
পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আল-আমিন জানান, পাঁচ ছাত্রীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে তাদের বরিশালে রেফার করা হতে পারে।
ধারণা করা হচ্ছে, ছাত্রীরা কোচিংয়ে থাকার সময় কেউ এই কীটনাশক মেশানো পানি ক্লাসে রেখে যাওয়া তাদের ব্যাগের টিফিন বক্স ও পানির বোতলে মিশিয়ে দিয়েছে। এ ঘটনার তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বোতলটি জব্দ করে তদন্ত কমিটির কাছে দেওয়া হয়েছে। ইউএনও জানান, কমিটিকে দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় উদ্বিগ্ন অভিভাবকেরা ছাত্রীদের অসুস্থতার প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও দোষীদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

বরগুনার পাথরঘাটায় স্কুলে কোচিং শেষে নিজের ক্লাসে যায় ছাত্রীরা। এ সময় একজন পানির বোতল থেকে পানি পান করে। পানিতে দুর্গন্ধ পেয়ে সে বিষয়টি সহপাঠীদের জানায়। এরপর আরও চার ছাত্রী ওই পানি খেয়ে অসুস্থবোধ করতে থাকে। পরে দেখা যায়, অসুস্থ ছাত্রীদের ব্যাগে থাকা পানির বোতাল ও টিফিন বক্সে রাখা খাবার থেকেও কীটনাশকের গন্ধ আসছে। ছাত্রীদের হাসপাতালে নেওয়ার পরে ক্লাসের এক কোনায় একটি পানির বোতল খুঁজে পান শিক্ষকেরা। ওই পানি থেকে কীটনাশকের গন্ধ আসছিল।
আজ সোমবার সকালে উপজেলার কাকচিড়া ইউনিয়নের রূপধন বন্দর আমেরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণিতে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পাথরঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
অসুস্থ শিক্ষার্থীরা হলো আরিসা, তাসমিম, মনিরা, জান্নাতী, সাবিনা ও সুরাইয়া। তারা সবাই ওই স্কুলের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক গোলাম কবির জানান, ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী মনিরা ও সাবিনা প্রথমে ক্লাসরুমে এসে বিষের গন্ধ পাওয়ার কথা জানায়। এরপর শিক্ষকেরা পানির বোতল ও খাবার পরীক্ষা করে বিষয়টির সত্যতা পান। অসুস্থ ছাত্রীদের তাৎক্ষণিক হাসপাতালে পাঠানো হয় এবং ঘটনা প্রশাসনকে অবহিত করা হয়।
পাথরঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক আল-আমিন জানান, পাঁচ ছাত্রীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে তাদের বরিশালে রেফার করা হতে পারে।
ধারণা করা হচ্ছে, ছাত্রীরা কোচিংয়ে থাকার সময় কেউ এই কীটনাশক মেশানো পানি ক্লাসে রেখে যাওয়া তাদের ব্যাগের টিফিন বক্স ও পানির বোতলে মিশিয়ে দিয়েছে। এ ঘটনার তদন্তে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বোতলটি জব্দ করে তদন্ত কমিটির কাছে দেওয়া হয়েছে। ইউএনও জানান, কমিটিকে দ্রুত তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় উদ্বিগ্ন অভিভাবকেরা ছাত্রীদের অসুস্থতার প্রকৃত কারণ উদঘাটন ও দোষীদের দ্রুত শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে