আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

‘প্রাইমারি স্কুলের বাচ্চারা লেখাপড়া করবে, কোনো নেতা আসলে বাচ্চাদের রাস্তায় নামাবেন না। আমি এটা পছন্দ করি না!’ এমন মন্তব্য করে এক প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকের দেওয়া ফুল ছিঁড়ে ফেলেন বরগুনা-১ আসনের নবনির্বাচিত সাংসদ গোলাম সরোয়ার টুকু।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করলে দ্রুতই তা ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে সাধারণ মানুষ সংসদ সদস্য টুকুর ভূয়সী প্রশংসা করে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, মঙ্গলবার দুপুরে আমতলী উপজেলাবাসীর আয়োজিত গণসংবর্ধনা শেষে গোলাম সরোয়ার টুকু, এমপি তালতলী যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আড়পাঙ্গাশিয়া বাজারের মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ মুহূর্তে আড়পাঙ্গাশিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুন্নাহার আসমার নেতৃত্বে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এমপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে আসে। এ সময় গোলাম সরোয়ার টুকু প্রাথমিকের শিশুদের দেখেই ক্ষুব্ধ হন।
ভিডিওতে দেখা যায়, প্রধান শিক্ষকের দেওয়া ফুলের মালা গলা থেকে ছুড়ে ফেলছেন সংসদ সদস্য টুকু এবং শিক্ষককে উদ্দেশ্য করে তিনি বলছেন, ‘প্রাইমারি স্কুলের বাচ্চারা লেখাপড়া করবে, কেন তাদের আপনি রাস্তায় নামিয়ে আনলেন? কোনো নেতা আসলে বাচ্চাদের রাস্তায় আনবেন না, আমি এটা পছন্দ করি না! আগে যেমন চলেছে, এখন আর তেমন চলবে না।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে বিভিন্নজন শেয়ার করছেন এবং সাধুবাদ জানাচ্ছেন।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য গোলাম সরোয়ার টুকু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শিশুরা হলো আগামী দিনের কান্ডারি। এরা লেখাপড়া করে মানুষ হবে, এই বয়সে তাদের কেন রাস্তায় নামিয়ে নেতাদের সংবর্ধনা দেয়ার নামে দাঁড় করিয়ে রাখতে হবে। এটা কোনো দিন কাম্য হওয়া উচিত নয়।’

‘প্রাইমারি স্কুলের বাচ্চারা লেখাপড়া করবে, কোনো নেতা আসলে বাচ্চাদের রাস্তায় নামাবেন না। আমি এটা পছন্দ করি না!’ এমন মন্তব্য করে এক প্রাথমিকের প্রধান শিক্ষকের দেওয়া ফুল ছিঁড়ে ফেলেন বরগুনা-১ আসনের নবনির্বাচিত সাংসদ গোলাম সরোয়ার টুকু।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে বরগুনা জেলার আমতলী উপজেলার আড়পাঙ্গাশিয়া বাজারে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি ভিডিও করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করলে দ্রুতই তা ছড়িয়ে পড়ে। ওই ভিডিওতে সাধারণ মানুষ সংসদ সদস্য টুকুর ভূয়সী প্রশংসা করে অভিনন্দন জানিয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দা ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, মঙ্গলবার দুপুরে আমতলী উপজেলাবাসীর আয়োজিত গণসংবর্ধনা শেষে গোলাম সরোয়ার টুকু, এমপি তালতলী যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে আড়পাঙ্গাশিয়া বাজারের মানুষের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ মুহূর্তে আড়পাঙ্গাশিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কামরুন্নাহার আসমার নেতৃত্বে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এমপিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানাতে আসে। এ সময় গোলাম সরোয়ার টুকু প্রাথমিকের শিশুদের দেখেই ক্ষুব্ধ হন।
ভিডিওতে দেখা যায়, প্রধান শিক্ষকের দেওয়া ফুলের মালা গলা থেকে ছুড়ে ফেলছেন সংসদ সদস্য টুকু এবং শিক্ষককে উদ্দেশ্য করে তিনি বলছেন, ‘প্রাইমারি স্কুলের বাচ্চারা লেখাপড়া করবে, কেন তাদের আপনি রাস্তায় নামিয়ে আনলেন? কোনো নেতা আসলে বাচ্চাদের রাস্তায় আনবেন না, আমি এটা পছন্দ করি না! আগে যেমন চলেছে, এখন আর তেমন চলবে না।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ওই ভিডিওতে বিভিন্নজন শেয়ার করছেন এবং সাধুবাদ জানাচ্ছেন।
এ বিষয়ে সংসদ সদস্য গোলাম সরোয়ার টুকু আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘শিশুরা হলো আগামী দিনের কান্ডারি। এরা লেখাপড়া করে মানুষ হবে, এই বয়সে তাদের কেন রাস্তায় নামিয়ে নেতাদের সংবর্ধনা দেয়ার নামে দাঁড় করিয়ে রাখতে হবে। এটা কোনো দিন কাম্য হওয়া উচিত নয়।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে