বরগুনা প্রতিনিধি

বরগুনার আমতলী পৌরসভার বর্তমান মেয়র ও ৯ মার্চ অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে মোবাইল ফোন প্রতীকের মেয়র পদপ্রার্থী মো. মতিয়ার রহমানের ওপর হামলা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বুধবার মধ্যরাতে পৌর শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পূজামণ্ডপের সামনে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
মেয়র মতিয়ার রহমানের অভিযোগ, ‘ওয়ার্ডের বাসিন্দা মিজানুর রহমানের মা অসুস্থ। তাই গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আমি তাঁকে দেখতে গিয়েছিলাম। তাঁকে দেখে ফেরার পথে হেঁটে রামকৃষ্ণ মন্দিরের সামনে এলে হ্যাঙ্গার প্রতীকের সমর্থক নয়ন মৃধা ও সোহেল গাজীর নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার ওপর হামলার চেষ্টা চালায়। তারা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এ সময় দৌড়ে মন্দিরের ভেতরে গিয়ে আশ্রয় নিই। পরে খবর দিলে পুলিশ এসে আমাকে উদ্ধার করে।’
মতিয়ার রহমানের দাবি, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র পদপ্রার্থী নাজমুল আহসান নান্নুর নির্দেশে আমার ওপর হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় মিজান, সোহাগ বিশ্বাস, সাইদুল, রনি, তারেক, ডালিমসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।’
এই মেয়র প্রার্থী বলেন, ‘বহিরাগত কিছু সন্ত্রাসী পৌর শহরে ঢুকেছে। তারা পরিকল্পিতভাবে আমার ওপর হামলার চেষ্টা করেছিল। এই বহিরাগতদের কারণে নির্বাচনে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।’ তাদের ব্যাপারে প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান মতিয়ার রহমান।
এ বিষয়ে জানতে হ্যাঙ্গার প্রতীকের প্রার্থী নাজমুল আহসান নান্নুর মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে তাঁর সমর্থক আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম ওসমানি হাসান বলেন, ‘রাতের আঁধারে ভোটারদের টাকা দিতে ওই এলাকায় গিয়েছিলেন মতিয়ার রহমান। এলাকাবাসী তাঁকে প্রতিরোধ করেছে। এর সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু আজকের পত্রিকাকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মেয়র মতিয়ার রহমানকে উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বরগুনার আমতলী পৌরসভার বর্তমান মেয়র ও ৯ মার্চ অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে মোবাইল ফোন প্রতীকের মেয়র পদপ্রার্থী মো. মতিয়ার রহমানের ওপর হামলা চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল বুধবার মধ্যরাতে পৌর শহরের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের পূজামণ্ডপের সামনে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ।
মেয়র মতিয়ার রহমানের অভিযোগ, ‘ওয়ার্ডের বাসিন্দা মিজানুর রহমানের মা অসুস্থ। তাই গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে আমি তাঁকে দেখতে গিয়েছিলাম। তাঁকে দেখে ফেরার পথে হেঁটে রামকৃষ্ণ মন্দিরের সামনে এলে হ্যাঙ্গার প্রতীকের সমর্থক নয়ন মৃধা ও সোহেল গাজীর নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমার ওপর হামলার চেষ্টা চালায়। তারা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এ সময় দৌড়ে মন্দিরের ভেতরে গিয়ে আশ্রয় নিই। পরে খবর দিলে পুলিশ এসে আমাকে উদ্ধার করে।’
মতিয়ার রহমানের দাবি, ‘প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র পদপ্রার্থী নাজমুল আহসান নান্নুর নির্দেশে আমার ওপর হামলা চালানো হয়। এ ঘটনায় মিজান, সোহাগ বিশ্বাস, সাইদুল, রনি, তারেক, ডালিমসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়েছে।’
এই মেয়র প্রার্থী বলেন, ‘বহিরাগত কিছু সন্ত্রাসী পৌর শহরে ঢুকেছে। তারা পরিকল্পিতভাবে আমার ওপর হামলার চেষ্টা করেছিল। এই বহিরাগতদের কারণে নির্বাচনে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।’ তাদের ব্যাপারে প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানান মতিয়ার রহমান।
এ বিষয়ে জানতে হ্যাঙ্গার প্রতীকের প্রার্থী নাজমুল আহসান নান্নুর মোবাইলে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। তবে হামলার বিষয়টি অস্বীকার করে তাঁর সমর্থক আমতলী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম ওসমানি হাসান বলেন, ‘রাতের আঁধারে ভোটারদের টাকা দিতে ওই এলাকায় গিয়েছিলেন মতিয়ার রহমান। এলাকাবাসী তাঁকে প্রতিরোধ করেছে। এর সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী সাখাওয়াত হোসেন তপু আজকের পত্রিকাকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মেয়র মতিয়ার রহমানকে উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৪১ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে